ঢাকা বুধবার, ০২ জুলাই ২০২৫

সাংবাদিক সায়েম হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি

সাংবাদিক সায়েম হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি

শুক্রবার জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে আবু সায়েমের সন্তান ও সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ছবি: সমকাল

জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৪ | ১৮:৩২ | আপডেট: ৩১ আগস্ট ২০২৪ | ১৮:২৪

জীবননগরে সাংবাদিক আবু সায়েম হত্যার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে। শুক্রবার জীবননগর বাসস্ট্যান্ডে আবু সায়েমের সন্তান ও সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

মানববন্ধনে সায়েমের নবম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে আবু যোবায়ের রুদ্র ও সপ্তম শ্রেণির আবু জাকারিয়া রওনক ছাড়াও বক্তব্য দেন জীবননগর প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম আর বাবু, সাধারণ সম্পাদক কাজী সামসুর রহমান চঞ্চল, জীবননগর বার্তার সম্পাদক সামসুল আলম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক রিমন, নাঈদ, হাসানুজ্জামন, এমআই মুকুল প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন চাষী রমজান।

আবু সায়েমের ছেলেদের ভাষ্য, ২০১৫ সালের ৭ জুলাই রাতে তাদের বাড়িতে বাবাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় রাজীব সরকার। পরে তাকে পাশের ইউনিয়ন থেকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়। খুনি গ্রেপ্তার হওয়ায় পুলিশ এ হত্যার পেছনে কে ছিল, সেটি তদন্তে গুরুত্ব দেয়নি। তখন তারা ছোট ছিল, কেউ তাদের পাশেও ছিল না। তাদের দাবি, হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার করতে হবে।

তারা জানায়, তাদের বাবা মৃত্যুর আগে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে জনতা ব্যাংকের জীবননগর ব্রাঞ্চ থেকে ১০ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। পরে তারা ঋণ শোধ করতে গিয়ে জানতে পারে, তাদের বাবা হত্যার শিকার হওয়ার আগে ২০১৫ সালের ১২ মার্চ ব্যাংক থেকে আরও ২০ লাখ টাকা ঋণ নেন। 

তারা তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ পরিমাণ টাকার কোনো পণ্য পায়নি। বাবার মৃত্যুর পরও কেউ টাকা ফেরত দেয়নি। তাদের ধারণা, এ টাকা ফেরত না দেওয়ার জন্য তাঁকে হত্যা করা হতে পারে। যে তাঁকে ছুরিকাঘাত করেছিল, তার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক ছিল না বলে জানায় তারা।

প্রসঙ্গত, আবু সায়েম সমকালের জীবননগর প্রতিনিধি ছিলেন। ২০১৫ সালে ৭ জুলাই রাতে নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আহত হন। ৮ জুলাই ঢাকার বক্ষব্যাধি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় নিহত সায়েমের স্ত্রী বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন। দীর্ঘদিন মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

 

আরও পড়ুন

×