ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এমএসএফ’র প্রতিবেদন

একাধিক অগ্নিকাণ্ডে জনমনে উৎকণ্ঠা

একাধিক অগ্নিকাণ্ডে জনমনে উৎকণ্ঠা
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৩ | ১৬:০৭ | আপডেট: ৩০ এপ্রিল ২০২৩ | ১৬:০৭

এপ্রিল মাসজুড়ে দেশে একাধিক বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জনমনে উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ)।

মাসিক মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনায় সংস্থাটি জানিয়েছে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যু, তাদের পরিচয়ে অপহরণ ও নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটেই চলেছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপব্যবহার করে স্বাধীন চিন্তা, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা এবং সাংবাদিকদের বাধা ও নির্যাতনের মতো ঘটনাও বন্ধ হয়নি।

সংস্থাটির এপ্রিল মাসের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। রোববার ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট আইনজীবী সুলতানা কামাল স্বাক্ষরিত মনিটরিং প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এপ্রিল মাসে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় এমএসএফ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। পাশাপাশি মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের বিচার ও ভুক্তভোগীদের জন্য সুবিচারের দাবি জানানো হয়।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও এমএসএফ’র সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে সারা দেশে ২১টি মার্কেট ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১০টি অঘ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঢাকাতে ঘটেছে। ৪ এপ্রিল রাজধানীর বঙ্গবাজারে সবচেয়ে বড় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে ওই মার্কেটের ২ হাজার ৩৭০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ ঘটনায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান দায়বদ্ধ থাকলেও তদন্ত শেষে ভবন বা প্রকল্পের মালিক ছাড়া কাউকে দায়ী করতে দেখা যায়নি। আবার গাফলতির অভিযোগে দায়ী মালিককে শাস্তির আওতায় আনার নজিরও দেখা যায়নি এবং ক্ষতিগ্রস্তরাও যথাযথ ক্ষতিপূরণ পাননি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এপ্রিল মাসে ৪টি বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। বিচারবহির্ভুত হত্যার শিকার হয়ে ৩ জন নিহত এবং আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। নিহতদের মধ্যে ২ জন বাংলাদেশি নাগরিক ও অপর একজন রোহিঙ্গা সংগঠন আরসা কমান্ডার। ধর্ষণসহ নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতার মতো ঘটনা কিছুটা কমেছে। তবে অবশ্যই উদ্বেগজনক ছিল। সীমান্তে হতাহতের ঘটনা ও সংখ্যালঘু নির্যাতন বন্ধ হয়নি। প্রতিবেদনে এসব ঘটনা রোধে সরকারের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা জানানো হয়। 

আরও পড়ুন

×