ঢাকা শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শরৎকাল মানে নিঃসীম নির্মল নীলাকাশে তুষারধবল মেঘের রাশি। উপচে পড়া সাদা তুলোর মতো সেই মেঘের বিচিত্র আকৃতি ক্ষণে ক্ষণে রূপ পাল্টায়। কখনও কুয়াশার মতো হালকা, কখনও জমাট বাঁধা বরফের
‘মিউজিয়াম অব ইনোসেন্স’ একই সঙ্গে একটি উপন্যাস এবং আমার তৈরি করা বাস্তব জাদুঘর। উপন্যাসের গল্পটি এমন এক মানুষকে নিয়ে, যে তার এক দূরসম্পর্কের বোনের প্রেমে গভীরভাবে মগ্ন। এই
কাকটির দিকে তাকিয়ে হঠাৎ মনে হতে পারে, সে বুঝি কোনো ছবির ভেতর বসে নেই। বসে রয়েছে আমাদের শহরের কোনো এক চেনা ভাঙা দেয়ালের কার্নিশে। একটু দূরের দেয়ালে নীল-সবুজের ভেতর
কখনও লিপিষ্টমনে নোনাধরা দেয়ালে তাকালে
প্রতিদিন সকাল আটটা চল্লিশ মিনিটে, ধানমন্ডির এক সুউচ্চ কংক্রিটের ভবনের নয়তলার করিডোরে, পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা দুটি দরজা থেকে দুজন মানুষ প্রায় একই সময়ে বেরিয়ে আসে এবং আশ্চর্যের
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে প্রকাশিত বিশ্বসাহিত্যের সেরা ১৪টি উপন্যাসের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে দ্য ব্রিটিশ ব্রডকাস্টিং করপোরেশন (বিবিসি কালচার)। থ্রিলার, মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন, ঐতিহাসিক
পীড়নপিষ্ট, লাঞ্ছিত-বঞ্চিত অবমানিত বিহ্বল বিপন্ন মানবগোত্রের সম্মিলিত শিল্পসম্মত মানবিক ইশতেহার বিদ্রোহী কবিতা। জাতীয় কবির মর্যাদায় অভিষিক্ত কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই একটি কবিতা
সময়ের প্রবহমানতায় আমরা প্রতিবার নতুন জনমকে উপলব্ধি করি, যখন সেই ধেয়ে চলা সময়ে কোনো কবি, দার্শনিক আমাদের কানে ধ্বনি তোলে মুক্তির, স্বাধীনতার। নির্ভীকচিত্তে সে যখন আমাদের এক
২০১১ সালের মার্চ মাসে আমি যখন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম গেলাম আমার এক বন্ধুর সঙ্গে, তখনও সেখানে শিউলিমালা নামের ছাত্রী হলটি ছিল না; মেয়েদের জন্য ছিল
পতঙ্গ যেমন গনগনে আলোর মায়ায় ছুটে গিয়ে প্রতারিত হয়, তেমনি নর আর নারীতে বিভক্ত মানুষের মনও হয়তো কখনও অলীক প্রেমের পেছনে ছুটে জীবনকে নিঃশেষ অথবা জটিল করে তোলে।
বাংলা কবিতা ও কাব্যগীতির অঙ্গনে সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিভার নাম কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬)। নবজাগ্রত বাঙালি মুসলিম মধ্যবিত্ত শ্রেণির চৈতন্যের সাগরমন্থন শেষে বাংলা সাহিত্যে তাঁর