ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
অদ্রি, অরণ্য, অর্ণব তিন ভাইবোন। বাবা, মায়ের কাছে প্রতি ঈদে ওদের নানা রকম বায়না থাকে। নতুন জামা-জুতো তো বটেই; সেই সাথে ঘড়ি, চশমা, কসমেটিকস এসবও চাই। এবার উল্টো। এবারের ঈদে
সকাল ৮টা বাজলেই মা বদলে যান। তখন তিনি আর শুধুই আমার মা নন, তিনি তখন একজন-শিক্ষক। পরিপাটি শাড়ি, হাতে একগাদা খাতা আর চোখে এক পৃথিবী শাসন নিয়ে তিনি যখন স্কুলে যান, তখন আমি
জগতের সব মা শুভেচ্ছা জানবেন। মা দিবস উপলক্ষে সমকাল-এর ছোটদের পাতা ‘ঘাসফড়িং’-এর বিশেষ আহ্বানে সাড়া দিয়ে আমার মাকে নিয়ে লিখতে বসছি। কিন্তু কী লিখবো বুঝতে পারছি না! আচ্ছা শোনো,
আমার মা একজন শিক্ষক। দুই ভাই বোন আমরা। মা আমাদের সারাদিন সময় দিতে না পারলেও রাতের সময়টা আমাদের জন্যই রাখেন। অনেকে মনে করেন, যেসব মা চাকরি করেন তারা শুক্র-শনিবার বাসায়
মে মাসের দ্বিতীয় রোববার, মানে আগামীকাল ঘুম থেকে উঠেই যেই দিনটি পাবে সেই দিনটিকে জগতের প্রায় সব পুচ্চিই মা দিবস হিসেবে উদযাপন করে। তা এই বিশেষ দিনটিকে তুমি কীভাবে উদযাপন করবে, চলো, তা জেনে নিই...
সূর্যমামার অনেক আগেই জাগে আমার মায়
বৈশাখের তপ্ত দুপুর। কাঠ ফাটা রোদ যেন! এই গরম উপেক্ষা করে দাদু নদীতে গোসল করার জন্য বাড়ি থেকে বের হলেন। ছোট্ট জুরাইন দাদুর সঙ্গী। তারা দুজন দিনমান একে অন্যের গায়ে লেগে থাকে।
পায়রা উড়ুৎ
অনেক অনেক আগের কথা। এক দেশে ছিল এক রাজপ্রাসাদ। সেই রাজপ্রাসাদে ছিল এক রাজকন্যা। অনেক অনেক সুন্দর সেই রাজকন্যা আবার সাজুগুজু করতে খুব পছন্দ করতো। ও রাজকন্যার নামই তো
বন্ধুরা, পহেলা বৈশাখ মানেই তো আনন্দ আর উৎসব। সেই উৎসব যদি হয় টানা তিন-চার দিন এবং একটু ভিন্ন রকমের তাহলে তো কথাই নেই! ঠিকই ধরেছ, আজ বলবো পাহাড়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের গল্প,