ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
কলকারখানার বিরামহীন চাকা আর বাজারের ব্যস্ত কোলাহলের পেছনে এখন এক অদৃশ্য উৎকণ্ঠা– কেমন হবে আগামীর বাজেট। একদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে টালমাটাল বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার,
সাম্প্রতিক সময়ে শুল্ক বা ট্যারিফ বাড়লেও রপ্তানি ব্যয়ের প্রধান কারণ হিসেবে এখনও নন-ট্যারিফ ব্যবস্থা বা অ-শুল্ক বাধাগুলোই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে। নানা ধরনের অদৃশ্য বাধা আন্তর্জাতিক
গত পাঁচ অর্থবছরে সরকারের প্রকল্প বাস্তবায়নে বৈদেশিক ঋণ-অনুদাননির্ভরতা কিছুটা বেড়েছে। কমেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ ব্যবহারের হার। গত ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে
ভোরের আলো ফুটতেই ক্ষেত থেকে তাজা সবজি তুলে কৃষক যখন বাজারের পথে রওনা দেন, তখন তার সামনে একটাই বাস্তবতা–আজই বিক্রি করতে হবে। কারণ সংরক্ষণের সুযোগ নেই। এক দিন দেরি
একটি বটবৃক্ষের চারাকে টানা সত্তর বছর ধরে যখন সযত্ন ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে ছোট করে রাখা হয়, তখন সেটি আর মহিরুহ হয়ে উঠতে পারে না। হয়ে ওঠে শৌখিন মানুষের ড্রয়িংরুমের ‘বনসাই’। দেশের
দেশের শেয়ারবাজারের বয়স কম নয়। এ বাজার নিয়ে কখনোই ভালো কিছু শুনি না। কেন?
আপনি সম্প্রতি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের দায়িত্ব নিয়েছেন। দায়িত্ব গ্রহণের আগে দেশের পুঁজিবাজার সম্পর্কে ধারণা কেমন ছিল?
কেবল নিয়ন্ত্রণ নয়, বিশ্বাস ও আস্থা তৈরি করে বড় করতে হয় শেয়ারবাজার– এই মৌলিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে বড় হয়েছে প্রতিবেশী ভারতের শেয়ারবাজার। ভারতে এ বাজার এখন বৈশ্বিক নজর কাড়ছে।
দেশের অর্থনীতি এক গভীর বৈপরীত্যের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ২০২৪ সাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী এক দশকে গড়ে ৬ শতাংশ হারে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। তবে সেই প্রবৃদ্ধি পর্যাপ্ত এবং মানসম্মত কর্মসংস্থান তৈরি
আপনি হয়তো দোকানির থেকে সদাই কিনে ১০০ টাকার নোট দিলেন। দোকানদার আপনাকে ১০ বা ২০ টাকা ফেরত দিলেন। তবে নোটটি হয়তো এত ছেঁড়া-ফাটা বা দুর্বল, যা আপনি নিতে চাচ্ছেন না।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে চলছে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে নির্মাণ খাতের প্রধান দুই উপকরণ রড ও সিমেন্টের কাঁচামালের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে পণ্য পরিবহনে