ঢাকা রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
ক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জাতীয় জীবনে যে আকাঙ্ক্ষার জন্ম হয়েছিল, তার অনেকখানিই পূরণ হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন আমাদের অর্জিত হয়েছে। ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৬-দফা আন্দোলন– এগুলোর উদ্দেশ্যের সবটুকুই প্রায় পূরণ হয়েছে।
কোনো প্রশ্ন করা ছাড়াই আবাসন খাতে কালো টাকা বা অপ্রদর্শিত অর্থ সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে। আবাসন খাতে জমি, বিল্ডিং বা ফ্ল্যাট কেনাবেচার ক্ষেত্রে
দেশের শিল্প ও ব্যবসার দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন পুঁজিবাজার থেকে আসছে–এটা দেখতে চান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এই প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম বাজেটে
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যবসা পরিচালনায় ব্যয় কমানো এবং সামগ্রিক বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নের লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী যে বাজেট প্রস্তাব করেছেন,
বিদ্যুৎ খাতে অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা ও ক্রমবর্ধমান ভর্তুকির চাপ নিয়ে তীব্র সমালোচনা থাকলেও আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর নতুন পরিকল্পনার কথা বলেছে সরকার।
ব্যবসা সম্প্রসারণে বিভিন্ন কোম্পানিকে শেয়ারহোল্ডারদের নগদ লভ্যাংশ না দিয়ে ‘স্টক ডিভিডেন্ড’ বা বোনাস লভ্যাংশ দেওয়া এবং পুরো মুনাফা লভ্যাংশ আকারে বিতরণ না করে জমিয়ে রাখা একটি স্বাভাবিক
ব্যাংকে ব্যক্তি ও ব্যবসায়িক হিসাব খুলতে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এতদিন এনআইডি দিয়ে ব্যক্তি হিসাব এবং ট্রেড
জাতীয় বাজেটে সংস্কৃতি খাতের বরাদ্দ সামান্য বাড়লেও সৃজনশীল অর্থনীতি, ক্রীড়া ও ডিজিটাল কনটেন্ট খাতের বিকাশে একাধিক নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদে
বিগত রাজনৈতিক সরকারের সময়ের অনিয়ম-জালিয়াতির কারণে দুর্বল হওয়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধারে চলতি অর্থবছর ৪০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে সরকার।
বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণ, বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে বেশ কিছু উদ্যোগের প্রস্তাব করা হয়েছে বাজেট বক্তৃতায়। শিল্প স্থাপনে
এবারের বিশ্বমঞ্চে অভিষেক হচ্ছে নতুন চারটি দেশের। নবাগত এই দেশগুলো হলো– কেপ ভার্দে, কুরাসাও, জর্ডান ও উজবেকিস্তান।