ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পীড়নপিষ্ট, লাঞ্ছিত-বঞ্চিত অবমানিত বিহ্বল বিপন্ন মানবগোত্রের সম্মিলিত শিল্পসম্মত মানবিক ইশতেহার বিদ্রোহী কবিতা। জাতীয় কবির মর্যাদায় অভিষিক্ত কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই একটি কবিতা
গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে নজরুলের পত্রযোগ ছিল নিয়মিত। গুরুপ্রতিম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও সহোদরপ্রতিম জসীমউদ্দীনকে লেখা নির্বাচিত দুটি চিঠি পত্রস্থ হলো...
চলে যেতে চাও আবার শীত আসার আগে অন্য কোনো শহরে?
পাখীমারা গ্রামের সবাই জানে হীরালাল ওরফে হিরকচাঁদ হাজরা একজন নপুংসক, কিন্তু সে কি সত্যিই নপুংসক ছিল বরাবর? প্রথম বউয়ের গর্ভে তো সতীশের জন্ম হলো। সতীশের মা কাজরী স্বামী হীরালালের
পুঁজিবাদকে বর্তমান বিশ্বের একটি অসুখ হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। কেন? কী কারণে? সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দিতে বরেণ্য লেখক, প্রাবন্ধিক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর এই প্রবন্ধ সংকলন। যেখানে তিনি
বৃহত্তর বাংলায় এবং বাংলাদেশের কবিতার নিরিখে আমরা শহীদ কাদরীকে কিংবদন্তিতুল্য কবি হিসেবে অভিহিত করে আসছি। আয়রনি এই, তাঁর বোদ্ধা পাঠক কমে আসছে ক্রমশ। সেটা বৃহত্তর বাংলা এবং
লেখালেখির পাশাপাশি আরো একটি প্রসঙ্গ আমার নামের সঙ্গে প্রায় লোকচর্চায় আসে, তা হলো নানা দেশ থেকে বিভিন্ন সময় ‘নির্বাসিত’ হওয়া। সোমালিয়া, উগান্ডা কিংবা যুক্তরাষ্ট্র নানা জায়গা থেকে
আমি ফেসবুকে একজন ভদ্রমহিলাকে অনুসরণ করি, যিনি “রহস্যময়ী” নামে পরিচিত। তাঁর পোস্টগুলো অত্যন্ত আকর্ষণীয়—বুদ্ধিদীপ্ত, অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন এবং অর্থবহ। তাঁর অনুসারীর সংখ্যা বিশাল; প্রায় বিশ
নারীকে দেখার অভ্যস্ত চোখে যেন হঠাৎ একটু ধাক্কা লাগে। কোথাও মুখ নেই, অথচ আছে শরীরের ইঙ্গিত; কোথাও শরীরও নেই, আছে শুধু শাড়ির ভাঁজ, রং, অলংকার আর চলনের রেখা। কোথাও আবার ধাতু,
এটা আমার হয়েই থাকে– বিকেল এলেই আমার মন খারাপ করে। বিশেষ করে বিকেল যখন শেষ বিকেলের দিকে যায়। কী এক ধূসর বিষণ্ণতা ছুঁয়ে যায় আমাকে– সেই যখন খুব ছোট ছিলাম তখন থেকেই। যে