ঢাকা রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
রোববার, ১৯ জুলাই ২০২৬
অনিশ্চয়তা আর নানা সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে পর্দা নামল ১৮ দিনের সংক্ষিপ্ত অমর একুশে বইমেলার। ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এবারের মেলার শেষ দিনটি গতকাল রোববার ছিল তুলনামূলক শান্ত ও নিস্তরঙ্গ।
অমর একুশে বইমেলায় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের লেখা মুক্ত গদ্যের বই ‘শুধু মাধবীর জন্য’ এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।
অমর একুশে বইমেলায় কেবল গল্প, উপন্যাস বা কবিতা নয়, বরং সমাজ, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও রাজনীতি নিয়ে লেখা মননশীল প্রবন্ধের বইগুলোও এখন পাঠকদের ভাবনার নতুন দিগন্ত খুলে দিচ্ছে। এবারের
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ উপলক্ষে প্রকাশিত হয়েছে লেখক মুহিব শামীমের নতুন কাব্যগ্রন্থ “মাতৃ সুবাস”। বইটি প্রকাশ করেছে নাগরিক প্রকাশন।
অমর একুশে বইমেলা ২০২৬-এ নতুন ভ্রমণ বইয়ের সংখ্যা তুলনামূলক কম হলেও পাঠকদের আগ্রহে বিন্দুমাত্র ভাটা পড়েনি। মেলার স্টলগুলোতে ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎই চোখে পড়ছে তাজিকিস্তানের পামির
অমর একুশে বইমেলায় এবার বড় কোনো প্যাভিলিয়ন না থাকলেও নান্দনিক স্টল সজ্জার কারণে মেলা প্রাঙ্গণ পেয়েছে নতুন রূপ। বিশাল কাঠামোর অনুপস্থিতি সত্ত্বেও প্রকাশনীগুলো তাদের স্বকীয়তা ফুটিয়ে
অমর একুশে বইমেলা শুধু কাগজের মলাটে মোড়ানো বইয়ের প্রদর্শনী নয়, একে বলা হয় বাঙালির মনন ও চেতনার বিশাল ক্যানভাস। ফলে প্রতিবছরই বিশেষ দিনগুলোতে মেলা হয়ে ওঠে নানাভাবে উদযাপনময়। তবে ভিন্ন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এবার অমর একুশে বইমেলা ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন শুরু হয়নি।
অমর একুশে বইমেলা কেবল কাগজের মলাটে মোড়ানো বইয়ের প্রদর্শনী নয়, একে বলা হয় বাঙালির মনন ও চেতনার বিশাল ক্যানভাস।
অমর একুশে বইমেলায় এ বছর নারীবিষয়ক বইয়ের সংখ্যা অনেক কম। এই না থাকার মধ্যেও বিভিন্ন প্রকাশনীর স্টলে ঢুঁ মেরে নারীবিষয়ক বই খুঁজে নিচ্ছেন পাঠক। নতুন বইয়ের পাশাপাশি পুরোনো বইয়ের চাহিদাও চোখে পড়ছে বেশ। তবে মেলায় পাঠকের একটি বড় অংশ নারী হওয়ায় বই নির্বাচনেও তাদের উপস্থিতি অনেকটা স্পষ্ট।
অমর একুশে বইমেলার দ্বিতীয় সপ্তাহের শিশুপ্রহর যেন গতকাল শুক্রবার এক বর্ণিল উৎসবে পরিণত হয়েছিল। এ দিন সাপ্তাহিক ছুটিতে মেলার দ্বার খোলে বেলা ১১টায়। তখন থেকেই মেলা প্রাঙ্গণের শিশু
এক সময় অমর একুশে বইমেলা মানেই ছিল লিটলম্যাগ চত্বরে কবি, লেখক, প্রকাশকদের জমজমাট আড্ডা। উৎসাহী ক্রেতা-পাঠকরাও কবি-লেখকদের সান্নিধ্য পেতে একবার হলেও ঢুঁ মারতেন সেখানে। কিন্তু সে দৃশ্য এখন অতীত। গত কয়েক বছর ধরে লিটলম্যাগ চত্বর জৌলুস হারাতে হারাতে কার্যত ধুঁকছে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি।