ঢাকা শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

চলচ্চিত্র উৎসবে তথ্যমন্ত্রী

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ভূমিকা রাখতে পারে চলচ্চিত্র

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় ভূমিকা রাখতে পারে চলচ্চিত্র
×

জহির উদ্দিন স্বপন

 সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬ | ০৮:৫৬

| প্রিন্ট সংস্করণ

জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা তৈরিতে চলচ্চিত্রের মতো শক্তিশালী মাধ্যম কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেছেন, সমাজ পরিবর্তনের সুদূরপ্রসারী বার্তা থাকে এমন চলচ্চিত্রকে সরকারের অনুদান প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। আর সেই ধারাবাহিকতায় পরিবেশ সংশ্লিষ্ট যে কোনো চলচ্চিত্রের প্রস্তাবকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

গতকাল শুক্রবার বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় গ্রন্থাগার অডিটরিয়ামে আয়োজিত ‘গ্লোবাল ট্রেন্ড অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (জিটিসিএফ) ২০২৬’ এর সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জিটিডি মিডিয়া প্রডাকশন আয়োজিত এই উৎসবে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো একটি যুগোপযোগী বিষয়কে মূল ভাবনা হিসেবে বেছে নেওয়ার জন্য এবং চলচ্চিত্রকে সচেতনতার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের জন্য আয়োজকদের বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিবেশ দিবসের এই আয়োজনকে কেবল প্রথম আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতিবছর আরও পরিকল্পিতভাবে করা উচিত।

প্রতিটি ফিল্ম প্রডাক্ট ও কনটেন্ট মানসম্পন্ন করার তাগিদ দিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এগুলোকে শুধু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেই নয়, এর বাইরেও সর্বোচ্চ প্রচারের আওতায় আনতে হবে। যারা এখনও পরিবেশ ও জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে অসচেতন, তাদের চিন্তার খোরাক জোগাতে এই শর্ট ফিল্ম ও কনটেন্টগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই প্রচারের ক্ষেত্রে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের যে চলচ্চিত্র অনুদান প্রক্রিয়া ও নীতিমালা রয়েছে, সেখানে আপনাদের এই উদ্যোগগুলো কীভাবে সংযুক্ত হতে পারে, আপনারা তা খুঁজে দেখবেন। আমরা পরিবেশবান্ধব ও সামাজিক বার্তাসমৃদ্ধ চলচ্চিত্রকে সরকারি অনুদানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।
উৎসবের উদ্যোক্তা এবং তরুণ নির্মাতাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের এই যাত্রাটা যতই সীমিত পরিসরে হোক না কেন, এর প্রভাব বৈশ্বিক। ফলে অত্যন্ত দৃঢ়চেতা মন ও সক্রিয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে মাথা উঁচু করে আপনাদের এই কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

উৎসবে উপস্থিত আলোচক ও বিশেষজ্ঞরা জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ সচেতনতা ও টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে চলচ্চিত্র, গল্প ও সৃজনশীল সংলাপের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। এসডো ও পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠনের সহযোগিতায় এবং নেক্সাস টেলিভিশনের মিডিয়া পার্টনারশিপে গতকাল দিনব্যাপী এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনে জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, গবেষক, দেশি-বিদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

×