ঢাকা রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

আদালতে বললেন পলক

লিফট চালু, তারপরও হাতকড়া পরিয়ে ৬ তলা সিঁড়ি দিয়ে ওঠানো হলো

লিফট চালু, তারপরও হাতকড়া পরিয়ে ৬ তলা সিঁড়ি দিয়ে ওঠানো হলো
×
×

ছবি: সংগৃহীত

আদালত প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | ১৭:৪০ | আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | ১৮:০৭

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মোহাম্মদপুর থানার এক মামলার শুনানিতে হাতকড়া পেছনে রেখে সিঁড়ি দিয়ে হেটে আদালতে তোলায় বিচারকের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। বৃহস্পতিবার পলকসহ আটজনকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য এদিন ধার্য ছিল।

কথা বলার অনুমতি নিয়ে পলক আদালতকে বলেন, ‘এটা কী ধরনের সিস্টেম, মাননীয় আদালত। লিফট চালু দেখলাম তারপরও হাতকড়া পেছনে দিয়ে আমাকে ছয়তলা সিঁড়ি দিয়ে ওঠানো হয়েছে। আদালতের কাছে অনুরোধ, মানবিক দিক বিবেচনায় রেখে হাতকড়া সামনে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।

পরে তাকে উদ্দেশ্য করে ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ বিচারক রবিউল আলম বলেন, ‘এটা তো আপনাদের নিরাপত্তার জন্যই।’ জবাবে পলক বলেন, হাতকড়া সামনের দিকে রাখলেই হয়।

এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট আদালতের পিপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘পিপির মনে রাখা দরকার, তার ওই স্থান থেকে আমার এই স্থানের দূরত্ব বেশি নয়।’ শুনানি শেষে তাকে আদালত থেকে নামানোর সময় ও সিঁড়ি দিয়ে হেঁটে নামাতে দেখা যায়। এ সময় ক্ষোভ প্রকাশ করে পলক সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘লিফট শুধু আমাদের জন্য নষ্ট থাকে।’

আদালত সূত্রে জানা গেছে, এদিন কারাগারে থাকা ৮ জনকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। এ মামলায় ৩৪ জন আসামির মধ্যে ১০ জন কারাগার আটক রয়েছেন। বাকি ২০ জন শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। এ মামলার দুই আসামি সাজ্জাদ হোসেন ও নাইমুল হাসান রাসেলকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করায় তাদের বিচারিক আদালতে হাজির করা হয়নি। এজন্য অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়ে ২৬ অক্টোবর ধার্য করা হয়। পরে পলককে লিফটে করে নিচে নামানো হয়।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় গুলিতে নিহত হন ট্রাকচালক মো. হোসেন। সেদিন তিনি গাবতলীতে ট্রাক রেখে বাসায় ফিরছিলেন। চাঁদ উদ্যান এলাকায় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট নিহতের মা রীনা বেগম বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

আরও পড়ুন

×