কক্সবাজার
ঝুঁকিপূর্ণ ৮০ রিসোর্ট, ২০টি সংকটাপন্ন এলাকায়
কক্সবাজারের কলাতলী সৈকত থেকে শুরু হয়ে টেকনাফ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে মেরিন ড্রাইভ সড়ক। প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকাসহ সড়কের দুপাশে কাঠ, খড়, বাঁশ, টিনের তৈরি ঝুঁকিপূর্ণ রিসোর্ট শতাধিক। গতকাল রোববার হিমছড়ি এলাকা থেকে তোলা। ছবি: সমকাল
সাহাদাত হোসেন পরশ ও ইব্রাহিম খলিল মামুন, কক্সবাজার থেকে
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬ | ০৬:৪৪
কক্সবাজার শহর থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের হিমছড়ি এলাকা। সড়ক ঘেঁষে বাঁশ-কাঠ দিয়ে তৈরি হচ্ছে ‘সি ফুড ক্যাফে অ্যান্ড রিসোর্ট’। এক মাস আগে দোতলা ক্যাফের নির্মাণ শেষ হয়। এখন রিসোর্ট তৈরির কাজ চলছে।
সি ফুড ক্যাফের পাশে নির্মাণ করা হয়েছে ‘বিচ আনাইয়া ফুড জাংশন অ্যান্ড রিসোর্ট’। এ রিসোর্টের কাঠামোর কিছু অংশে ইটের দেয়াল। বাকি পুরো অংশ বাঁশ-কাঠ দিয়ে তৈরি।
গতকাল রোববার দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত কলাতলী থেকে টেকনাফের জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ সড়কের দুই পাশে সি ফুড ক্যাফে ও বিচ আনাইয়ার মতো ৮০টি রিসোর্ট চোখে পড়েছে।
গত শনিবার ইনানীর পাটুয়ারটেকের টুপটুপ নামে এমনই এক রিসোর্টে ভয়াবহ আগুনে ১০ পর্যটকের মৃত্যু হয়। অনুমতি না থাকায় এই রিসোর্টকে পরিবেশ অধিদপ্তর গত ১৩ মে জরিমানা করেছিল। তবে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
পুলিশ জানায়, পুরো কক্সবাজার জেলার ৫ শতাধিক হোটেল-মোটেল, কটেজ, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁ আছে। এর মধ্যে ১২০টির মতো সব ধরনের নিয়ম মেনে চলছে। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সব সংস্থার ছাড়পত্র নেই।
স্থানীভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মেরিন ড্রাইভের ৮০ রিসোর্টের বেশির ভাগই গড়ে উঠেছে ১ থেকে তিন বছরের মধ্যে। এখনও কোনো কোনোটির নির্মাণকাজ চলছে। এসব রিসোর্টের বেশির ভাগেরই কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক), পরিবেশ অধিদপ্তর এবং ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র নেই। এগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ সরঞ্জাম চোখে পড়েনি। এ ছাড়া অন্তত ২০টি রিসোর্ট নির্মাণ করা হয়েছে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় (ইসিএ)।
হিমছড়ির সি ফুড ক্যাফের বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, কোনো রকম সরকারি অনুমতি ছাড়াই বাবুল নামে এক ব্যক্তি রিসোর্টটি নির্মাণ করছেন।
যোগাযোগ করলে বাবুল বলেন, ‘শিগগিরই সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অনুমতির জন্য আবেদন করব।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, মেরিন ড্রাইভে প্রশাসনের নাকের ডগায় একের পর এক অবৈধ স্থাপনা গড়ে উঠেছে। কেউ রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে রিসোর্ট করেছে। কেউ টাকা লেনদেন বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে হাত করে এসব স্থাপনা গড়েছে।
৩৬ রিসোর্টকে নোটিশ, ২২টিকে জরিমানা
পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বিচ আনাইয়াসহ কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে অবৈধভাবে গড়ে তোলা ৩৬ রিসোর্টকে গত ৯ মাসে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২২ রিসোর্টের প্রতিটিকে বিভিন্ন সময়ে সাড়ে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হয়েছে। পেভেল স্টোন সি রিসোর্ট নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
জরিমানা করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো– সি সল্ট ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, সানসেট বিচ ক্যাফে, টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড ক্যাফে, সি স্টোন ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, সি ফিশ ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, কোরাল স্টেশন ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, বিচ আনাইয়া ফুড জংশন অ্যান্ড রিসোর্ট, রিয়ান ফুড রেস্তোরাঁ, সাওয়ারূ ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, ক্যাপ্টেন কক্স বিচ ক্যাফে, বিচ সালসা রেস্টুরেন্ট, সাম্পান বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, নিসর্গ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট, জাহাজপুরা ক্যাসেল, বিচ ভিউ রেস্টুরেন্ট, সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা, জিডি সমুদ্র বিলাস, মায়াবী বিচ রিসোর্ট, টাইটান হোটেল, হোটেল জানা ডাডা, হোটেল সুইট সাদাফ।
নোটিশ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো বে হিল গোল্ড স্যান্ডস গ্রুপ, বে ফ্রুট রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, সাম্পান রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, মারমেইড ক্যাফে, আরনিক রিসোর্ট, ছুটি রিসোর্ট, হোটেল ইনানী লং বে, ওশান পাল হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এবং ফিরোজ আহমদ, মোজাম্মেল হক, কাশেম আলী ও শহীদুল হকের মালিকানাধীন নামবিহীন চারটি নির্মাণাধীন ভবন।
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা সমকালকে বলেন, ‘কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কে শুধু টুপটুপ রিসোর্টই নয়; পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়া নির্মিত কিংবা নির্মাণাধীন সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি।’ তিনি বলেন, অবৈধভাবে গড়ে তোলা ৩৬ রিসোর্টকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে। ২২টিকে জরিমানা করা হয়েছে। পেভেল স্টোন সি রিসোর্ট নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কক্সবাজারে রিসোর্ট নির্মাণে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ১৭টি লাইসেন্স নিতে হয়। এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, পৌরসভা বা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ, ভূমি অফিস, পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, জেলা প্রশাসন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, সিভিল এভিয়েশনের ছাড়পত্র। কিন্তু কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কে নির্মিত অধিকাংশ হোটেল-রিসোর্টের সরকারি দপ্তরের অনুমতি কিংবা ছাড়পত্র নেই।
কক্সবাজার কলাতলী মেরিন ড্রাইভ হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান সমকালকে বলেন, কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে বর্তমানে শতাধিক হোটেল-রিসোর্ট আছে। কিন্তু আমাদের সংগঠনের সদস্যভুক্ত হোটেল রয়েছে ৪০ থেকে ৪৫টি। তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি, সংগঠনের সদস্যভুক্ত হোটেলগুলো যেন সরকারি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুমতি নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে। তবে শনিবার ইনানীর পাটুয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ নামে যে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, সেটি আমাদের সংগঠনের সদস্যভুক্ত নয়।’
কক্সবাজারের ফায়ার সার্ভিসের পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম সমকালকে বলেন, কক্সবাজারে চল্লিশটির মতো প্রতিষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিসের সব ধরনের নিয়ম মেনে কার্যক্রম চলছে। বাকি হোটেল মোটেল সব ঝুঁকিপূর্ণ, অতি ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় আছে। তিনি আরও বলেন, ফায়ার সার্ভিস কোনো প্রতিষ্ঠানকে শুধু নোটিশ দিয়ে সতর্ক করতে পারে। অভিযান বা জরিমানা করার এখতিয়ার নেই। গত জুলাই মাসে টুপটুপ রিসোর্টকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন সমকালকে বলেন, ‘মেরিন ড্রাইভ সড়কে তারকা মানের কয়েকটি আবাসিক হোটেলের ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র রয়েছে। তবে নামে-বেনামে গড়ে ওঠা অধিকাংশ রিসোর্টের ছাড়পত্র নেই। তবে কয়টি রিসোর্টের ছাড়পত্র নেই– এ মুহূর্তে সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না।’
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক খন্দকার মাহমুদ পাশা বলেন, ‘কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সড়কে অবৈধ স্থাপনার বিরুদ্ধে আমার মনে হয়, শুধু পরিবেশ অধিদপ্তরই আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে। আর কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় (ইসিএ) কোনো স্থাপনা নির্মাণ হলে সঙ্গে সঙ্গে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে অধিদপ্তরের জনবল সংকটের কারণে অনেক সময় তাৎক্ষণিক নজরে না আসায় ব্যবস্থা নেওয়া যায় না।’
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কক্সবাজারের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান বলেন, কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কে অনুমতি ছাড়াইচ্ছামতো যেভাবে রিসোর্ট গড়ে উঠেছে তাতে পরিকল্পিত কক্সবাজার গড়ার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে।
মাহবুবুর রহমান বলেন, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, ফায়ার সার্ভিস এবং পরিবেশ অধিদপ্তর– এ তিন প্রতিষ্ঠান অবৈধ এবং অপরিকল্পিত স্থাপনা নির্মাণের শুরুতেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে আগুনে পুড়ে ১০ পর্যটককে মরতে হতো না। তা ছাড়া অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা না নিয়ে নোটিশ চালাচালি করলেও দুর্ঘটনা তো থেমে থাকবে না।
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, টুপটুপ রিসোর্টের কউকের অনুমোদন ছিল না। তিনি জানান, মেরিন ড্রাইভে শতাধিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে সব প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে যাচাই করা কউকের পক্ষে সম্ভব হয়নি। তাই ধারাবাহিকভাবে যাচাইয়ের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে যাচাই করা অনেক প্রতিষ্ঠানকে বৈধতা নিশ্চিত করতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। মূলত নোটিশ দেওয়ার পর নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। এরপর চূড়ান্ত নোটিশ দিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।
জেলায় অনুমোদনহীন ৩৫০ হোটেল-রিসোর্ট
শুধু পাটুয়ারটেকের রিসোর্টই নয়; স্থানীয় প্রশাসনের শক্ত নজরদারির অভাবে অভাবে দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনহীনভাবে চলছে কক্সবাজার জেলার ৫ শতাধিক হোটেল-মোটেল, কটেজ, রিসোর্ট ও রেস্তোরাঁ। নিয়মিত নতুন নতুন হোটেল, কটেজ তৈরি করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তর, পর্যটন করপোরেশনসহ বেশ কিছু সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে এসব হোটেল, কটেজ চালাতে হয়।
স্থানীয় পুলিশের একটি সূত্র জানায়, ১২০টির মতো হোটেল-মোটেল, কটেজ– সব ধরনের নিয়ম মেনে পরিচালনা করা হচ্ছে। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো সব ধরনের নিয়ম মেনে চলছে না। সব সংস্থার ছাড়পত্র তাদের নেই।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ.এন.এম. সাজেদুর রহমান সমকালকে বলেন, ‘হোটেল-মোটেল, কটেজের অনুমোদনের সঙ্গে পুলিশ সংশ্লিষ্ট নয়। তবে অগ্নিকাণ্ডের মতো যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে হয়। তিনি বলেন, ‘কক্সবাজারে ১২০টি মতো হোটেল-মোটেল কটেজের সব ধরনের অনুমোদন নিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছে। বাকি ৩০০ থেকে ৩৫০-এর মতো প্রতিষ্ঠানের কোনো না কোনো সমস্যা আছে। নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিত করতে আমরা খুব বড় পরিসরে কাজ শুরু করব।’
জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং পরিবেশ অধিদপ্তর ও হোটেল-মোটেল মালিক সমিতি থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, ছোট-বড় মিলিয়ে কক্সবাজার জেলা শহর, রামুর পেচারদ্বীপ, উখিয়ার ইনানীসহ এর আশপাশে সহস্রাধিক হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট, কটেজসহ রেস্তোরাঁ আছে। এর অধিকাংশই সংশ্লিষ্ট পৌরসভা কিংবা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুধু ট্রেড লাইসেন্স নিয়েই চলছে।
হোটেল মালিক সমিতির একাধিক নেতা সমকালকে জানান, হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির অন্তত পাঁচটি পৃথক সংগঠন কক্সবাজারে রয়েছে। এ ছাড়া তারকা হোটেলগুলোকে নিয়ে আলাদা সংগঠন আছে।
কক্সবাজার হোটেল-মোটেল, গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম শিকদার সমকালকে বলেন, ‘আমাদের সংগঠনের একশোর মতো হোটেল-মোটেল রয়েছে। এ ধরনের আরও কয়েকটি সংগঠন আছে।’ তাঁর দাবি, তাঁর সংগঠনে যারা রয়েছেন তাদের সবার বৈধ কাগজপত্র রয়েছে।
পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, পরিবেশ আইনে এসব রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টকে জরিমানা ও নোটিশ দেওয়া গেলেও উচ্ছেদ বা বন্ধ করার সুযোগ নেই। কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বন্ধ ও উচ্ছেদ করার আইনি এখতিয়ার আছে।
- বিষয় :
- কক্সবাজার