ঢাকা রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

শ্রমিক অসন্তোষ

তৈরি পোশাক খাতে মজুরি বোর্ড ঘোষণা আজ

দিনভর বিক্ষোভ, সংঘর্ষ কারখানা ছুটি ঘোষণা

তৈরি পোশাক খাতে মজুরি বোর্ড ঘোষণা আজ
×
×

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গতকাল শনিবার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা -সমকাল

 সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬ | ০৯:০৫ | আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০২৬ | ০৯:২২

| প্রিন্ট সংস্করণ

তৈরি পোশাক খাতে ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, শ্রমিকদের কালো তালিকাভুক্তি বন্ধ ও ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের পুনর্নিয়োগ দাবিতে দুই সপ্তাহ ধরে আন্দোলন করছেন শ্রমিকরা। গতকাল শনিবার দিনভর ঢাকার মিরপুর, সাভার ও গাজীপুরের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় সড়ক অবরোধ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আজ রোববার নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মজুরি বোর্ডে শ্রমিক, মালিক ও সরকারের প্রতিনিধি থাকেন। এই তিন পক্ষ সর্বসম্মতভাবে নতুন মজুরির পরিমাণ নির্ধারণ করবে। এর পর সরকারের পক্ষে শ্রম মন্ত্রণালয় গেজেট জারির মাধ্যমে চূড়ান্ত মজুরির পরিমাণ ও কার্যকরের তারিখ ঘোষণা করবে। ডিসেম্বরের মধ্যে এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে।

সর্বশেষ ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে পোশাক খাতে ১২ হাজার ৫০০ টাকা নিম্নতম মজুরি ঘোষণা ও কার্যকর হয়। পরের মাস থেকে বর্ধিত মজুরি পেয়ে আসছেন শ্রমিকরা। সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর পরপর পোশাক খাতে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা হয়। তবে গত ১০ এপ্রিল শ্রম আইন সংশোধন বিল সংসদে পাস হয়। এতে মজুরি পুনর্নির্ধারণের সময় পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করা হয়। সেই হিসাবে নভেম্বর মাসে নতুন নিম্নতম মজুরি বোর্ড ঘোষণার কথা।

বোর্ড ঘোষণা আজ
গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, পোশাক খাতে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ সংবাদ সম্মেলন করেন মন্ত্রী।

রাজধানীর পল্টনে শ্রম ভবনে সংবাদ সম্মেলনটি হয়। এর আগে শুক্রবার পোশাকশ্রমিক নেতাদের সঙ্গে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আলোচনা করেন শ্রমমন্ত্রী, সচিব ও সরকারের অন্যান্য কর্মকর্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে শ্রমমন্ত্রী বলেন, ‘শ্রমিকদের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল নতুন মজুরি বোর্ড গঠন। সরকার ও তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের দুই সংগঠনই দাবি মেনে নিয়েছে। শ্রমিক প্রতিনিধিরা ইতোমধ্যে বোর্ডে তাদের মনোনীত প্রতিনিধিদের নাম জমা দিয়েছেন। আগামীকাল (আজ) রোববারের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

আন্দোলন না করে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে শ্রমিকদের নিজ নিজ কারখানায় ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান শ্রমমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেসব কারখানায় শ্রমিকদের বেতন ও অন্যান্য পাওনা বকেয়া রয়েছে, সেসব কারখানায় দ্রুত তা পরিশোধের জন্য বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতাদের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।
শ্রমমন্ত্রী বলেন, প্রতি মাসের ৭ তারিখের মধ্যে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের বিষয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তারা মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব বকেয়া বেতন পরিশোধের উদ্যোগ নেবেন।
 
তিনি বলেন, কারখানা বন্ধ থাকলে উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হবে। ক্রেতাদের কাছে পণ্য সরবরাহ করতে না পারলে মালিকপক্ষ অর্থ পাবে না। ফলে শ্রমিকদের বেতন পরিশোধেও সমস্যা তৈরি হতে পারে।

রাজনৈতিক গোষ্ঠী পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে

সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ-সংঘর্ষের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শ্রমমন্ত্রী বলেন, এসব বিশৃঙ্খলায় সাধারণ শ্রমিকরা জড়িত নন। বহিরাগত কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে এসব কর্মকাণ্ডে ইন্ধন দিচ্ছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকরা কাজ করলেও বাইরে থেকে কিছু লোক এসে তাদের উত্তেজিত করছে। প্রকৃত শ্রমিক কারা এবং কারা আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন, তা ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, সরকার সংঘাতের পথ এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সব সমস্যার গণতান্ত্রিক সমাধান চায়। তবে কাউকে শিল্প খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুর রহমান তরফদার, বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, নির্বাহী সভাপতি ও বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান, বিজিএমইএর সহসভাপতি মিজানুর রহমান ও রেজওয়ান সেলিম।

শ্রম অসন্তোষ সম্পর্কে জানতে চাইলে বাংলাদেশ পোশাকশিল্প শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি তৌহিদুর রহমান সমকালকে বলেন, মিরপুর, সাভার-আশুলিয়া ও গাজীপুরের কালিয়াকৈরের চন্দ্রা শিল্প এলাকায় শতাধিক কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এসব কারখানার শ্রমিকরা দুপুরের পর আর কাজে যোগ দেননি।
তৌহিদুর রহমান বলেন, শ্রমিকরাও প্রকৃতপক্ষে অসহায়। বাজারে সব পণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী। বাড়ি ভাড়াও বাড়ছে। এই বাস্তবতায় ১২ হাজার ৫০০ টাকার মজুরি দিয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে একজন শ্রমিকের পক্ষে কাজে কীভাবে মনোযোগ দেওয়া সম্ভব?

মিরপুরে মার্কেট ও কারখানায় হামলা-ভাঙচুর

মজুরি বাড়ানোর দাবিতে গতকাল মিরপুরের বিভিন্ন সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন কয়েকটি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। সকালে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করলে এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।
প্রায় ছয় ঘণ্টা পর বিকেল ৪টা থেকে আন্দোলনকারীরা সড়ক ছেড়ে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বিক্ষোভকারীরা বেশ কয়েকটি কারখানা ও মার্কেটে ভাঙচুর চালান। এর আগে গত বৃহস্পতিবারও একই দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছিলেন তারা।

গতকাল সকাল সাড়ে ৯টার পরপরই মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর, মিরপুর ১১, সাড়ে ১১ ও ১২ এবং মিরপুর ১ ও শাহ আলী এলাকায় কয়েকশ পোশাক শ্রমিক বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে তারা কালশী, শাহ আলী ও মিরপুর-১ নম্বরে কয়েকটি পোশাক কারখানা ও মার্কেটে দফায় দফায় হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুর চালান।
দুপুরে মিরপুর ১০ নম্বর থেকে শ্রমিকরা শাহ আলী এলাকায় গিয়ে কয়েকটি মার্কেট ও পোশাক কারখানায় ভাঙচুর চালান। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ, হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া মিরপুর ১ নম্বরের মল্লিক টাওয়ারেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে তারা মিরপুর ২ নম্বরের দিকে চলে যান। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পল্লবী থানার কালশীর আদর্শনগর এলাকার একটি গার্মেন্টে আন্দোলনকারীরা ভাঙচুর চালান।

সাভারে পুলিশসহ অন্তত ১৫ জন আহত

সাভারের আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে গতকাল দিনভর বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে শ্রমিক, পুলিশসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। 

কারখানাগুলোতে ভাঙচুর ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আশুলিয়ার কাঠগড়া, জিরাব, নরসিংহপুর, আমতলাসহ আশপাশের এলাকার ৩০টি তৈরি পোশাক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করে মালিকপক্ষ।

সকাল ৭টা থেকে আশুলিয়ার বিভিন্ন পয়েন্টে শিল্প পুলিশের সদস্যরা কড়া পাহারায় ছিলেন। সকাল ৮টার পর কাঠগড়া, আমতলা, নয়াপাড়া ও নিশ্চিন্তপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।

নাঈম নিটওয়্যারের শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে কারখানা থেকে বেরিয়ে সড়কে বিক্ষোভ করেন। এক পর্যায়ে তারা আশপাশের আরও কয়েকটি কারখানায় ইটপাটকেল ছুড়ে সেখানকার শ্রমিকদের রাস্তায় বের করে আনার চেষ্টা করেন। এ সময় তারা কন্টিনেন্টাল গার্মেন্টস, এআর জিন্স, সিডব্লিউসহ কয়েকটি কারখানায় ভাঙচুর চালান। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে শ্রমিকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।

পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। সংঘর্ষে শ্রমিক, পুলিশ, পথচারীসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। আশুলিয়ার আল মুসলিম, কন্টিনেন্টাল, এফএনএফ ও ট্রাউজার লাইন গার্মেন্টসের শ্রমিকরাও বিক্ষোভ করেন। দুপুরের দিকে নিশ্চিন্তপুরে নিউএইজ কারখানার সামনে থেকে তিনটি হাতবোমা উদ্ধার করে পুলিশ।

দুপুর ১টার দিকে শারমিন গ্রুপের সামনে ১০-১২ জন ব্যক্তি উত্তেজনা তৈরির চেষ্টা করেন। তারা প্রধান ফটক থেকে শারমিন গ্রুপের কার্যালয় লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। পুলিশ ধাওয়া করলে বিক্ষোভকারীরা সরে যান। দুপুরের বিরতির পর শারমিন গ্রুপের তিন নম্বর ফটকে কয়েকজন বহিরাগত বিক্ষোভ করেন। সেখানেও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শিল্প পুলিশ সূত্র জানায়, শ্রমিক অসন্তোষের কারণে ৩০টি কারখানায় ছুটি দেয় কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রয়েছে এআর জিন্স, কন্টিনেন্টাল, নিউএইজ, নিট এশিয়া ও স্টারলিং ক্রিয়েশন।

শিল্প পুলিশ-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৈয়দ ফয়সল ইসলাম বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে হাতবোমাসদৃশ তিনটি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া সংঘর্ষের ঘটনায় শিল্প পুলিশের সদস্যসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। 

শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম সমকালকে জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আগামী কয়েক দিন শিল্প এলাকায় পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সতর্কতা নেওয়া হবে।

গাজীপুরে মহাসড়ক অবরোধ, সংঘর্ষ

দুপুরে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের পল্লী বিদ্যুৎ মোড় এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। সন্ধ্যার দিকে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় শ্রমিকরা পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালান। এক পর্যায়ে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। সংঘর্ষের কারণে মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। আশপাশের অন্তত ১২টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়।

কালিয়াকৈরের পল্লী বিদ্যুৎ মোড় এলাকার ইন্টারস্টপ নামের একটি কারখানার শ্রমিকরা প্রথমে বিক্ষোভ শুরু করেন। দুপুরের বিরতিতে কারখানা থেকে বের হওয়ার পর তারা আর কাজে ফেরেননি। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেন আশপাশের অন্যান্য কারখানার শ্রমিকরাও। এক পর্যায়ে তারা সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন। কয়েকটি কারখানার প্রধান ফটকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা।

হরিণহাটি, সফিপুর, মৌচাক ও খাড়াজোড়া ফায়ার সার্ভিস এলাকায় বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করেন। মহাসড়কে আটকে পড়া কয়েকটি যানবাহনেও ভাঙচুর চালানো হয়। এক পর্যায়ে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়।

গাজীপুর শিল্প পুলিশ-২-এর পুলিশ সুপার আমজাদ হোসাইন সমকালকে বলেন, সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত আন্দোলন চলছিল। সংঘর্ষে চার-পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক জোট বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, শ্রমিকদের দাবি ন্যায্য। তবে দাবি আদায়ে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করতে হবে। জানমালের ক্ষতি বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়, এমন কর্মসূচি পরিহার করতে শ্রমিকদের অনুরোধ করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন

×