ঢাকা রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

আদালতে হাজির হচ্ছেন মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস

আদালতে হাজির হচ্ছেন মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস
×
×

কারাকাসের বাসভবনে অভিযান চালিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ছবি: সংগৃহীত

দ্য গার্ডিয়ান

প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | ১৯:২৫ | আপডেট: ০৮ অক্টোবর ২০২৬ | ২০:১২

ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস আদালতে হাজির হচ্ছেন। হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ায় কারাগার থেকে মুক্তি দিয়ে তাঁকে গৃহবন্দী করে রাখার দাবি জানাবেন আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার তার নিউইয়র্কের আদালতে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে।

এ বছরের শুরুতে এক গভীর রাতে কারাকাসের বাসভবনে অভিযান চালিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে মার্কিন সামরিক বাহিনী। সেই থেকে তারা নিউইয়র্কের কারাগারে রয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে কোকেন পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে ছয় বছর আগে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে মাদুরো ও সিলিয়াকে। আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেছেন তারা। অপরাধ প্রমাণ হলে তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।

মাদুরো-সিলিয়ার আইনজীবীরা মামলা খারিজের আবেদন জানিয়ে আদালতে বলেন, একটি স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও ফার্স্ট লেডি হিসেবে তাদের কূটনৈতিক সুরক্ষার অধিকার রয়েছে।

৬৯ বছর বয়সী সিলিয়া ফ্লোরেসের আইনজীবীরা আদালতকে জানান, তিনি নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। কারাগারে তার উপযুক্ত চিকিৎসা সম্ভব নয়। তাই নিউইয়র্কের একটি বাসভবনে তাকে গৃহবন্দী হিসেবে থাকার অনুমতি দেওয়া হোক।

আইনজীবীরা জানান, মার্কিন সামরিক অভিযানের সময় দেওয়াল বা ড্রয়ারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে আঘাত পেয়েছেন সিলিয়া। ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টারে বন্দী থাকা অবস্থায় তার ১১ কেজি ওজন কমে গেছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তার হৃদ্‌যন্ত্রে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। এ ছাড়া তার মাথা ঘোরা, দুর্বলতা ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা হচ্ছে। গত জুলাইয়ে তার একটি মৃদু হার্ট অ্যাটাকও হয়।

তবে সরকারি আইনজীবীরা এই জামিন আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। আদালতে জমা দেওয়া এক নথিতে তারা উল্লেখ করেন, সিলিয়া ফ্লোরেসকে মুক্তি দেওয়া হলে পালিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে এবং তিনি জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারেন। প্রয়োজনে তাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যেতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তারা।

ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরোকে ধরার অভিযানকে একটি সুনির্দিষ্ট আইনি পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে। অন্যদিকে মাদুরো বলেছেন, তাকে ‘অপহরণ’ করা হয়েছে।

২০১৩ সাল থেকে এ বছরের শুরুতে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে পর্যন্ত ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাদুরো।

আরও পড়ুন

×