ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

ইসরায়েলে নির্বাচনের ফলাফল কখন জানা যাবে?

ইসরায়েলে নির্বাচনের ফলাফল কখন জানা যাবে?
×
×

প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সরিয়ে দেওয়ার আশা করছেন গাদি আইজেনকোট। ইলাস্ট্রেশন: এবিসি নিউজ

রয়টার্স

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৪:০০ | আপডেট: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৪:১২

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ মঙ্গলবার সকালে শুরু হয়েছে। চলবে স্থানীয় সময় রাত ১০টা পর্যন্ত। তখন ইসরায়েলি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো ভোট-পরবর্তী জরিপের ফল প্রচার করবে।

জরিপ থেকে ফলাফল সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যাবে। এরপর আসতে শুরু করবে প্রকৃত ভোটের ফল। নির্বাচনে কারা বিজয়ী হতে যাচ্ছে, সে সম্পর্কে আভাস পাওয়া যাবে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে। তবে পুরো চিত্র স্পষ্ট হতে কয়েকদিন, এমনকি কয়েক সপ্তাহও লাগতে পারে।

কোনো একক দল বা জোট পার্লামেন্টে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পরিস্থিতি পরিষ্কার হতে আরও সময় লাগতে পারে। আশা করা হচ্ছে আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে চূড়ান্ত ভোট গণনা শেষ হবে। আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ করা হবে ৪ নভেম্বর।

প্রক্রিয়াটি কেন এত জটিল?
প্রতি চার বছর অন্তর ১২০ আসনের নেসেট বা পার্লামেন্ট নির্বাচন হয়। এর আসন বণ্টন হয় জাতীয় পর্যায়ে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে। আসন পেতে কোনো দলকে অন্তত ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ ভোট পেতে হয়।

ইসরায়েলের নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দলের নেতারা। ছবি: টাইমস অব ইসরায়েল

ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ১২টি দল ভোটের এই ন্যূনতম সীমা পার হতে পারবে। তাই চূড়ান্ত ভোট গণনা ও আসন বণ্টন সম্পন্ন হতে সময় লাগবে।

ফল প্রকাশের পর কী হবে?
চূড়ান্ত ভোট গণনা শেষ হলে প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ বিভিন্ন দলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। দলগুলো কাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চায় তা জানবেন। এরপর যে প্রার্থীর সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি তাঁকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেবেন প্রেসিডেন্ট। মনোনীত প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী সরকার গঠনের জন্য সর্বোচ্চ ৪২ দিন সময় পাবেন।

ইসরায়েলের ইতিহাসে কোনো একক দল কখনো নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তাই একাধিক দলের সমন্বয়ে জোট সরকার গঠন করা হয়। সরকার গঠনের আলোচনা প্রায়ই কয়েক সপ্তাহ ধরে চলে।

নেসেটের প্রতিটি আসনই গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে ছোট দলগুলোও জোট সরকার গঠনের ক্ষেত্রে নির্ধারকের ভূমিকা রাখে।

মনোনীত প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী ব্যর্থ হলে সরকার গঠনের জন্য অন্যদের সুযোগ দেওয়া হতে পারে। শেষ পর্যন্ত কোনো সরকার গঠন করা সম্ভব না হলে নতুন নির্বাচনের আয়োজন করা হবে। ততদিন বর্তমান মন্ত্রিসভা তত্ত্বাবধায়ক সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

সংশ্লিষ্ট খবর

আরও পড়ুন

×