ঢাকা রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে আইজেনকোটের পক্ষে ৬০, নেতানিয়াহু ৪৬

ইসরায়েলে নির্বাচন

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে আইজেনকোটের পক্ষে ৬০, নেতানিয়াহু ৪৬
×
×

গাদি আইজেনকোট ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: এএফপি

জেরুজালেম পোস্ট ও ওয়াইনেট

প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬ | ১৬:৩০

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী পদে গাদি আইজেনকোটের নাম সুপারিশ করতে যাচ্ছে আরবদের নেতৃত্বাধীন দল জয়েন্ট লিস্ট ও রাআম। রোববার দেশটির হিব্রু ভাষার গণমাধ্যম ওয়াল্লাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমন তথ্য জানিয়েছেন লিস্টের এক জ্যেষ্ঠ নেতা।

জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সঙ্গে বৈঠকের সময় আরব দলগুলো আইজেনকোটের পক্ষে থাকার ইঙ্গিত দিয়েছে। আগামী বুধবার (৪ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির কাছে থেকে হারজগ আনুষ্ঠানিক ফলাফল গ্রহণ করবেন। এরপর তিনি নিজ বাসভবনে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন।

রোববার এক অনুষ্ঠানে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট রাজনৈতিক নেতাদেরকে ফলাফল মেনে নেওয়া এবং জোট সরকার গঠনের আলোচনায় নমনীয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো পক্ষ অনড় অবস্থান নিলে দেশ নতুন করে নির্বাচন আয়োজনের পরিস্থিতিতে পড়বে।

হারজগ বলেন, ‘তাদের খোলা মন নিয়ে আসতে (বাসভবনে) হবে। একে অপরের কথা শুনতে হবে, ভাবনা বিনিময় করতে হবে। নতুন কোনো নির্বাচনের পরিস্থিতি এড়াতে সৃজনশীল সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।’

৬০ বনাম ৪৬
ইসরায়েলি গণমাধ্যম ওয়াইনেট রোববার জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বৈঠক বুধবার শুরু হয়ে বৃহস্পতি এমনকি শুক্রবার পর্যন্ত গড়াতে পারে। আইন অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশের সাতদিনের মধ্যে প্রেসিডেন্ট আলোচনার প্রক্রিয়া শেষ করে সরকার গঠনের জন্য একজনকে দায়িত্ব দেবেন।

যে নেতার প্রতি অন্য আইনপ্রণেতাদের সমর্থন বা সুপারিশ বেশি থাকে সাধারণত তাঁকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, এ দায়িত্ব পেতে পারেন আইজেনকোট। আরব দলগুলোসহ তাঁর পক্ষে ৬০টি সুপারিশ থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। চেঞ্জ ব্লকের শরিক ইসরায়েল বেইতেনু সুপারিশ করলে শেষ পর্যন্ত সংখ্যাটি বেড়ে দাঁড়াবে ৬৭।

অন্যদিকে, লিকুদ, ওতজমা ইহুদিত, শাস ও রিলিজিয়াস জায়োনিজমের কাছে থেকে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ৪৬টি সুপারিশ পেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইউনাইটেড তোরাহ জুডাইজমের সাতটি আসনের অবস্থান এখনো অনিশ্চিত। ফলে দলটি আলোচনা চলাকালে কোনো পক্ষের দিকে নাও যেতে পারে।

তবে সবচেয়ে বেশি সুপারিশ পেলেই স্থায়ী সরকার গঠন নিশ্চিত হয় না। দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতার পরবর্তী চ্যালেঞ্জ হবে রাজনৈতিক সমর্থনকে কার্যকর জোটে রূপ দেওয়া। যাতে পার্লামেন্টের (নেসেট) আস্থা ভোটেও জয় নিশ্চিত করা যায়।

আরও পড়ুন

×