ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

চেনা মিরপুরে শাহিন আফ্রিদিদের প্রস্তুতি

চেনা মিরপুরে শাহিন আফ্রিদিদের প্রস্তুতি
×

ক্রীড়া প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬ | ১২:৫৩

পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ফাইনাল ম্যাচের দিন সকালেই ঢাকায় এসেছেন শান মাসুদরা। গতকাল সোমবার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে অনুশীলনও করছেন। ঢাকায় পৌঁছে কত কিছুর সাক্ষীই না হলেন তারা। টিভিতে দেখেছেন পিএসএলে নাহিদ রানার দল পেশোয়ার জালমিকে চ্যাম্পিয়ন হতে। ঢাকা টেস্টের চার দিন বাকি থাকতে উইকেটও দেখলেন এক ঝলক। গতকাল শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টের উইকেট গড়ায় হাত দিয়েছেন কিউরেটর টনি হেমিং। ত্রিপল সরিয়ে সেই প্রস্তুতিই দেখলেন নোমান আলি ও মোহাম্মদ রিজওয়ান।

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টেস্ট শুরু হবে ৮ মে। মিরপুরের চেনা কন্ডিশনে শাহিন শাহ আফ্রিদিরা মানিয়ে নিতে সময় পাবেন চার দিন। প্রতিটি সেশনকে গুরুত্ব দিয়ে কাজে লাগাতে চান তারা। এ কারণে অনুশীলন সেশনগুলো সকাল-বিকালে ভাগ করে নিয়েছে দলটি। সোমবার বিকালে অনুশীলন করায় সূচি পরিবর্তন করে আজ সকালে অনুশীলন করবে। পাকিস্তানের কোচ সরফরাজ আহমেদ সময় পরিবর্তন করার অনুরোধ জানালে আপত্তি করেনি বিসিবি। 

বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা একই সময়ে ইনডোর ও আউটার নেটে অনুশীলন করবেন। একই সময়ে হলেও দুই দলের অনুশীলনে কোনো সমস্যা হবে না। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের গত সাইকেলে রাওয়ালপিন্ডিতে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল পাকিস্তান। এই সাইকেলে বাংলাদেশের মাটিতে সিরিজ জিততে মরিয়া পাকিস্তান। এ কারণেই আদাজল খেয়ে প্রস্তুতি নিয়েছে সরফরাজের দল। পাকিস্তানের ১৪ জন ক্রিকেটার আগেই এসেছেন। পিএসএলের শিরোপাজয়ী পেশোয়ার জালমির অধিনায়ক বাবর আজমের গতকাল রাতে ঢাকায় নেমেছেন। ১৬ জনের দল নিয়ে আজ অনুশীলন করবে পাকিস্তান।

এই টেস্ট দলে চারজন অনভিজ্ঞ ক্রিকেটারও রয়েছেন। তারা সবাই ব্যাটার। তবে বোলিংয়ে কোনো ঝুঁকি নেয়নি পাকিস্তান। অভিজ্ঞ চার পেসার হাসান আলি, খুররম শাহজাদ, মোহাম্মদ আব্বাস ও শাহিন শাহ আফ্রিদির যে কোনো তিনজনকে খেলাতে পারে। দলে থাকা স্পিনার নোমান আলি ও সাজিদ খানও অভিজ্ঞ। তাই পাকিস্তানের বোলিং বিভাগকে হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। 

বাংলাদেশের বোলিং লাইনআপও যথেষ্ট শক্তিশালী। যদিও টাইগার পেস বোলিং লাইনআপ পাকিস্তানের পেসারদের থেকে কম টেস্ট খেলেছে। তবে স্পিন বিভাগে মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম টেস্ট খেলায় হাফ সেঞ্চুরি ছুঁয়েছেন আগেই। অফ স্পিনার নাঈম হাসানও ঘরোয়া লিগে খেলে হাত পাকিয়েছেন। সেদিক থেকে দেখলে বাংলাদেশের টেস্টের বোলিং লাইনআপ ভালোই। 

আর ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ এ মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম অভিজ্ঞ লাইনআপ। মুশফিকুর রহিম ১০০ টেস্ট খেলা ব্যাটার। মুমিনুল হক খেলেছেন ৭৫টি টেস্ট। লিটন কুমার দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলামের পঞ্চাশের বেশি ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার। এই অভিজ্ঞতা দুই দলের মধ্যে পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। 

আরও পড়ুন

×