ঢাকা রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষের শিকার আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষের শিকার আর্জেন্টিনা
×
×

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬ | ১৪:১৩ | আপডেট: ১০ অক্টোবর ২০২৬ | ১৪:১৩

২০২৬ বিশ্বকাপে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি বিদ্বেষমূলক আক্রমণের শিকার হয়েছে আর্জেন্টিনা। টুর্নামেন্টে দলটির অগ্রযাত্রার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে অনলাইন বিদ্বেষও। ফিফার এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন চিত্র। আর্জেন্টিনার পর এ তালিকায় রয়েছে ইংল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল ও নরওয়ে। খবর টিওয়াইসি স্পোর্টসের।

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের আগে প্রকাশিত গবেষণাটি পরিচালনা করেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সুরক্ষা পরিষেবা (এসএমপিএস)। এতে ২০২৬ সালের ৯ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক ও টিকটকে প্রকাশিত ১ কোটি ৭১ লাখের বেশি পোস্ট ও মন্তব্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনিকে ঘিরে বিদ্বেষমূলক মন্তব্যের বড় একটি অংশে ছিল রেফারিদের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা পাওয়ার অভিযোগ। অন্যদিকে খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণের ক্ষেত্রে ফ্রান্স, ইংল্যান্ড ও পর্তুগালের পর চতুর্থ অবস্থানে ছিল আর্জেন্টিনা। এসব আক্রমণের অন্যতম কারণ ছিল বর্ণবাদ, বিশেষ করে কয়েকজন খেলোয়াড়ের আফ্রিকান বংশোদ্ভূত পরিচয়কে কেন্দ্র করে বিদ্বেষ ছড়ানো।

গবেষণায় সবচেয়ে বেশি অনলাইন হয়রানির শিকার হওয়া এক খেলোয়াড়ের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তবে তিনি বর্ণবাদ, সমকামিতাবিদ্বেষ, লিঙ্গবৈষম্য ও ট্রান্সজেন্ডারবিরোধী আক্রমণের শিকার হয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিদেশি পরিচয়কে কেন্দ্র করে বিদ্বেষমূলক বার্তার প্রধান লক্ষ্য ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। অভিবাসন, জাতীয় পরিচয় এবং দলের গঠন নিয়ে এসব আক্রমণ চালানো হয়। তবে বিদ্বেষ ছড়ানোর ক্ষেত্রেও আর্জেন্টিনার নাম উঠে এসেছে। বর্ণবাদী বার্তা পাঠানোর ক্ষেত্রে দেশটি ছিল তালিকার শীর্ষে। সামগ্রিক বিদ্বেষমূলক আক্রমণের সংখ্যায় সবার আগে ছিল ইউরোপ, এরপর দক্ষিণ আমেরিকা।

বিশ্বকাপে অনলাইনে সবচেয়ে গুরুতর হুমকির মুখে পড়েছিলেন ম্যাচ পরিচালনাকারী রেফারিরা। তাদের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করে হয়রানি করার চেষ্টা, যা ‘ডক্সিং’ নামে পরিচিত, ছিল উল্লেখযোগ্য। ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে অসন্তোষ থেকে রেফারিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ তোলা হয়। একপর্যায়ে সেই আক্রমণ গড়ায় ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের চেষ্টাতেও।

আরও পড়ুন

×