ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

পুরস্কার জয়ের রাতে ইয়ামালের সঙ্গী পরিবার, সঙ্গে প্রেমিকাও

পুরস্কার জয়ের রাতে ইয়ামালের সঙ্গী পরিবার, সঙ্গে প্রেমিকাও
×
×

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৭:৪৯

বয়স মাত্র ১৯। এরই মধ্যে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত তারকা লামিনে ইয়ামাল। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও সমর্থকদের আগ্রহের কমতি নেই। এবারের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে প্রেমিকা ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হাজির হয়ে সেই আগ্রহ আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন বার্সেলোনার এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।

গতকাল রাতে লন্ডনের প্যালাডিয়ামে বসেছিল ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের আসর। সেখানে ইয়ামালের সঙ্গে ছিলেন তার প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়া এবং পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে প্রায় ১৬ জনের একটি দল। বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে, তাদের ইংল্যান্ডে নিয়ে যেতে ব্যক্তিগত বিমানের ব্যবস্থা করেছিলেন ইয়ামাল।

অনুষ্ঠানের লালগালিচায় ইয়ামালের নেভি ব্লু স্যুটের সঙ্গে জ্যাকেটের একাংশজুড়ে থাকা গোলাপি ব্রোচটি মুহূর্তেই কেড়ে নেয় সবার মনোযোগ। ফরাসি ফ্যাশন ব্র্যান্ড শ্যানেলের বানানো পালক দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বড় আকারের একটি ব্রোচটি। পালকগুলো এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে তৈরি হয়েছে ফুলের অবয়ব। তবে ইয়ামালের এমন উপস্থিতির চেয়েও আলোচনায় ছিল পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আসা।

ইয়ামালের সাফল্যের পেছনে পরিবারের অবদানও কম নয়। ২০০৭ সালে স্পেনে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলারের বাবা মুনির নাসরাউই মরক্কোর বংশোদ্ভূত, আর মা শেইলা এবানা নিরক্ষীয় গিনির বংশোদ্ভূত। বার্সেলোনার কাছের গ্রানোলার্সে কেটেছে তার শৈশবের বড় একটি অংশ।

নিজের সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে মা-বাবার সংগ্রামের কথা প্রায়ই স্মরণ করেন ইয়ামাল। স্প্যানিশ রেডিও স্টেশন কাদেনা এসইআরের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তার জন্মের সময় মায়ের বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর। পরিবারের ভরণপোষণের জন্য বাবাকেও কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। ইয়ামালের ভাষায়, ‘প্রকৃত চাপ তো সেটাই। আমার কাজ শুধু ফুটবল খেলা এবং স্পেনের সমর্থকদের খুশি করা।’

ছোট ভাই কেইনের প্রতিও বিশেষ টান রয়েছে ইয়ামালের। ২০২২ সালে জন্ম নেওয়া এই ভাইয়ের সঙ্গে তার বয়সের ব্যবধান প্রায় ১৫ বছর। বিভিন্ন সময়ে ভাইয়ের সঙ্গে কাটানো মুহূর্ত এবং ফুটবল আয়োজনগুলোতে তাকে পাশে রাখার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা গেছে।

ব্যালন ডি’অরের লালগালিচায় ইয়ামালের সঙ্গে ছিলেন তার প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়াও। মডেলিংয়ের পাশাপাশি ফ্যাশন ও কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে পরিচিত ইনেস। বড় আয়োজনগুলোতে একসঙ্গে উপস্থিত হওয়ার কারণে তাদের নিয়ে ভক্তদের আগ্রহও বেড়েছে।

আরও পড়ুন

×