ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

বিশ্ববিদ্যালয়

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা সংখ্যা নয়, মানহীনতা

সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে গেলে আমাদের প্রয়োজন একটি স্বাধীন, যুগোপযোগী ও আধুনিক শিক্ষা কমিশন; যার মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির নকশা আঁকা হবে। প্রয়োজন শিক্ষা খাতে জিডিপির ন্যূনতম ৩ শতাংশ বরাদ্দ, প্রয়োজন বিদ্যমান সব প্রতিষ্ঠানের যৌক্তিক চাহিদা পূরণ। মৌলিক সংস্কারের প্রশ্নে বলা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ছাত্রদের শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, পিএসসির মতো বিধিবদ্ধ সংস্থার মাধ্যমে স্বচ্ছ নিয়মে শিক্ষক নিয়োগ, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, ছাত্র-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের সুযোগ, মৌলিক অবকাঠামো ও সবুজ ক্যাম্পাস তৈরিকল্পে অন্তত ১০০ একর ভূমি বরাদ্দ ইত্যাদি বাস্তবায়ন করতে হবে। থাকতে হবে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ ও সিনেট, থাকতে হবে সুস্থ বিনোদন এবং খেলাধুলার সুযোগ। শিক্ষক ও ছাত্ররা যদি রাজনৈতিক চর্চা করতে চান তবে বিগত চার দশকের ধ্বংসাত্মক অপরাজনীতি বাদ দিয়ে সেই প্রক্রিয়াকে প্রগতিশীল, মানবিক ও জবাবদিহিতামূলক করতে হবে। এসব গুরুত্বপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক সংস্কার করা গেলে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হবে আলোকিত মানুষ তৈরির কারখানা, খুলবে জ্ঞান-বিজ্ঞা

আপডেটঃ ০১ জুন ২০২৬ | ১৪:৫৭
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা সংখ্যা নয়, মানহীনতা

বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে কেন পিছিয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়?

কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিং ২০২৬ অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৫৮৪তম। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে ৭৬১ থেকে ৭৭০ এর মধ্যে এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ৯৫১ থেকে ১০০০ এর মধ্যে। এছাড়া দেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ১২০০ বা তারও নিচের স্তরে অবস্থান করছে। অন্যদিকে বিশ্বের শীর্ষ ১০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠানগুলো। ভারতের আইআইটি ও আইআইএসসির মতো প্রতিষ্ঠানও এখন বিশ্বমানের প্রতিযোগিতায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করছে। এই তুলনা বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার দুর্বলতাকে স্পষ্টভাবে সামনে নিয়ে আসে।

আপডেটঃ ২৪ মে ২০২৬ | ১৬:২৯
বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে কেন পিছিয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়?

সর্বশেষ