ঢাকা রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

মাগুরায় পল্লী বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিল: চার কর্মকর্তা বরখাস্ত

মাগুরায় পল্লী বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বিল: চার কর্মকর্তা বরখাস্ত
×
×

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি। ছবি: সংগৃহীত

মাগুরা প্রতনিধি

প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬ | ১১:২৮

মাগুরার শালিখা উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এক গ্রাহকের নামে প্রায় ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার অস্বাভাবিক বিল আসার ঘটনায় চার কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বৃহত্তর যশোর জেলার বিভিন্ন কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বরখাস্ত কর্মকর্তারা হলেন- মাগুরা জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মোহাম্মদ মহিতুল ইসলাম, আড়পাড়া শাখার উপমহাব্যবস্থাপক রেজাউল করিম, মিটার রিডার তোরাব আলী, বিল সুপারভাইজার সীমা রানী রায়। 

বুধবার মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজারের কাছে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পাঠানো এক আদেশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের ভুক্তভোগী গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুনের বাড়ির বিদ্যুৎ বিলেই এ অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটে। তার প্রকৃত বিল ছিল ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। কিন্তু পল্লী বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্টদের ভুলে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার বিল দেখানো হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির শালিখার আড়পাড়া শাখার উপমহাব্যবস্থাপক রেজাউল করিম বলেন, গ্রাহকের মিটারটি পরিবর্তন করা হয়েছে। অনুমোদিত লোডিংয়ের ঘরে ৪২-এর বদলে অসাবধানতাবশত ১১ ৪৯ ২৭ ৬৫৮ ৬৫৮ নম্বরটি বসে যায়। সেখানে ৪২ বসার কথা ছিল। ফলে প্রতি কিলোওয়াটে ডিমান্ড চার্জ ২ টাকা হিসেবে দুই কিলোওয়াটে ৮৪ টাকা হওয়ার কথা। কিন্তু বড় একটি সংখ্যা বসে যাওয়ায় ৫ শতাংশ ভ্যাটসহ অস্বাভাবিক বিলটি তৈরি হয়।

ভুক্তভোগী আলেয়া বেগম বলেন, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যুৎমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে বিষয়টি জানতে চেয়েছেন। মন্ত্রীকে বিষয়টি জানিয়েছি। তবে আমার কারণে যে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেটি আমাকে কষ্ট দিয়েছে বলেও মন্ত্রীকে জানান। আমার কারণে কারও রুটি-রুজির ওপর যেন আঘাত না আসে। এ বিষয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে আবার কথা বলার চেষ্টা করব।

আরও পড়ুন

×