ঢাকা সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন, রাষ্ট্রপতিকে সম্মাননা প্রদান

ঠাকুরগাঁওয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন, রাষ্ট্রপতিকে সম্মাননা প্রদান
×

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করছেন তার ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিনের মেয়ে ডা. ফাইজা তাসনিম। ছবি- সমকাল

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৫ অক্টোবর ২০২৬ | ১৮:১৬

‘শিক্ষকের পাশে দাঁড়াই, পেশার মর্যাদা রক্ষা করি—ভবিষ্যৎ গড়ি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঠাকুরগাঁওয়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে তিন শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও রয়েছেন।

সোমবার সকাল ১১টায় ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য র্যােলি বের করা হয়। বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন কমিটির আয়োজনে র্যাালিতে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই হাজারের বেশি শিক্ষক অংশ নেন। শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে র্যা লিটি পুনরায় অডিটোরিয়াম চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

পরে অডিটোরিয়াম মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোদাদাদ হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) গোলাম ফেরদৌস, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন আক্তার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেনসহ জেলা প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজের সাবেক শিক্ষক ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গুণী শিক্ষক সম্মাননা দেওয়া হয়। এ ছাড়া জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় মালেকা মোকাররমা মলি এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মচারীদের অবসর সুবিধা বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় তাজউদ্দিন তাজুকে সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপতির পক্ষে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন তার ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমিনের মেয়ে ডা. ফাইজা তাসনিম।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন, জেলার সব শিক্ষক সংগঠনের দুই হাজারের বেশি শিক্ষক একসঙ্গে শিক্ষক দিবস পালন করেছেন, যা ঠাকুরগাঁওয়ের ইতিহাসে বিরল। 

ভবিষ্যতেও সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি আরও বলেন, অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সম্মাননা স্মারক প্রধান করা হয়েছে। কারণ রাষ্ট্রপতির প্রথম পেশা শিক্ষকতা।

আরও পড়ুন

×