ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

চুয়েটে বেতন-ভাতা আটকে রাখার নির্দেশ: ব্যাংকের সামনে অবস্থানের পর পরিশোধ

চুয়েটে বেতন-ভাতা আটকে রাখার নির্দেশ: ব্যাংকের সামনে অবস্থানের পর পরিশোধ
×

বুধবার সকাল থেকে সোনালী ব্যাংক চুয়েট শাখার সামনে অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা। ছবি: সমকাল

চুয়েট সংবাদদাতা

প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৫:৪৩ | আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৫:৫৯

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা আটকে রাখার নির্দেশ দেওয়ার পর তা পরিশোধ করা হয়েছে। বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা সোনালী ব্যাংক চুয়েট শাখার সামনে অবস্থান নেওয়ার পর পর্যায়ক্রমে বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়।

মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে চুয়েটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা আটকে রাখার খবর প্রকাশিত হয়। এর পর বুধবার সকাল থেকে সোনালী ব্যাংক চুয়েট শাখার সামনে অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিলে একপর্যায়ে ব্যাংকের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পরে প্রথমে কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের বেতনও পরিশোধ করা হয়েছে।

চুয়েট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, ‘কোনো সময় আমাদের বেতন বন্ধ হয়নি। অথচ নতুন উপাচার্য বেতন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের ন্যায্য পাওনা আদায় করে নিয়েছি।’

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সোনালী ব্যাংক চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিককে ই-মেইল করে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।

৫ অক্টোবর ব্যাংক ব্যবস্থাপক উপাচার্যকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পট্রোলার ও উপ-কম্পট্রোলারের স্বাক্ষরযুক্ত বেতন বিল ব্যাংকে পাঠানো হয়েছে। পরে উপাচার্য পূর্বানুমোদন ছাড়া বেতন বিল পাঠানোকে ‘অননুমোদিত ও বেআইনি’ উল্লেখ করে ব্যাংক ব্যবস্থাপককে ই-মেইল করেন।

ওই ই-মেইলে চুয়েট আইন, ২০০৩-এর ধারা ১৩(৭)-এর উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, তার অনুমোদন ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক লেনদেন আইনত অবৈধ।

সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিক বলেন, ‘প্রতি মাসের মতো গত মাসেও হিসাব নিয়ন্ত্রক ও উপহিসাব নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর করা শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতার শিট আমরা গ্রহণ করেছি। কিন্তু উপাচার্য চিঠি দিয়ে বেতন-ভাতা স্থগিত রাখতে বলেছেন। তবে বুধবার সকালে আমরা বেতন দিয়ে দিয়েছি।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের বক্তব্য জানতে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুন

×