ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

চুয়েটে ব্যাংকের সামনে অবস্থানের পর শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বেতন পরিশোধ

চুয়েটে ব্যাংকের সামনে অবস্থানের পর শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বেতন পরিশোধ
×

সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার সামনে অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী

চুয়েট সংবাদদাতা

প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৫:৫৪ | আপডেট: ০৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৬:৫২

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সেপ্টেম্বর মাসের বেতন ও উৎসব ভাতা আটকে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম। এ নিয়ে ক্ষোভের মধ্যে আজ বুধবার সকালে সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার সামনে অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। পরে বেতন-ভাতা পরিশোধ করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, সাধারণত প্রতি মাসের ৩০ বা ৩১ তারিখের মধ্যে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা হয়। মঙ্গলবার রাতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বেতন-ভাতা আটকে রাখার খবর প্রকাশের পর আজ বুধবার সকালে ব্যাংকের সামনে অবস্থান নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা। একপর্যায়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্যাংকের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে প্রথমে কর্মচারীদের এবং পর্যায়ক্রমে কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা হয়।

চুয়েট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, ‘কোনো সময় আমাদের বেতন বন্ধ হয়নি। অথচ নতুন উপাচার্য বেতন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আমরা আন্দোলনের মাধ্যমে আমাদের ন্যায্য পাওনা আদায় করে নিয়েছি।’

এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিককে ই-মেইল করে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।

মঙ্গলবার দেওয়া এক চিঠিতে উপাচার্য বলেন, তাঁর পূর্বানুমোদন ছাড়া ব্যাংকে বেতনের বিল পাঠানো ‘অননুমোদিত ও বেআইনি’। চুয়েট আইন ২০০৩-এর ধারা ১৩(৭) অনুযায়ী উপাচার্যের সুস্পষ্ট অনুমোদন ছাড়া কোনো আর্থিক লেনদেন আইনত অবৈধ বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেন তিনি। ব্যাংক বেতন-ভাতার অর্থ ছাড় করলে তাদেরও বেআইনি আর্থিক লেনদেনে সহায়তার জন্য যৌথভাবে দায়ী করা হবে বলে সতর্ক করা হয়। একই সঙ্গে নির্দেশ অমান্যকারী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান উপাচার্য।

সোনালী ব্যাংকের চুয়েট শাখার ব্যবস্থাপক জয়ন্ত ভৌমিক বলেন, ‘প্রতি মাসের মতো গত মাসেও হিসাব নিয়ন্ত্রক ও উপহিসাব নিয়ন্ত্রকের স্বাক্ষর করা শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতার শিট আমরা গ্রহণ করেছি। কিন্তু উপাচার্য চিঠি দিয়ে বেতন-ভাতা স্থগিত রাখতে বলেছেন। তবে বুধবার সকালে আমরা বেতন দিয়ে দিয়েছি।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের বক্তব্য জানতে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুন

×