ঢাকা শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা

নির্ধারিত সময়ে জমা পড়েনি তদন্ত প্রতিবেদন

নির্ধারিত সময়ে জমা পড়েনি তদন্ত প্রতিবেদন
×

ফাইল ছবি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬ | ০৩:৪৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন নির্ধারিত সময়ে জমা পড়েনি। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত প্রতিবেদনটি প্রক্রিয়াধীন ছিল বলে জানা যায়। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছি। শুনেছি প্রতিবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আমরা সর্বক্ষণ যোগাযোগ রাখছি। তবে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা হতে মধ্যরাত বা শেষ রাত হতে পারে। যদি মধ্যরাত পেরিয়ে যায় তাহলে আগামীকাল (আজ শুক্রবার) প্রতিবেদনের সুপারিশ প্রকাশ করা হবে।’

তবে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়ে কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক রেজাউল করিমের মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি ধরেননি। তবে গতকাল দুপুরে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা প্রতিবেদনটি সম্পন্ন করতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আজকের (গতকাল) মধ্যেই জমা দেওয়ার চেষ্টা করব। এখন প্রতিবেদন লেখার কাজ চলছে।’
এর আগে গত সোমবার রাতে ক্যাম্পাসে কর্মরত সাংবাদিক এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা শেষে উপাচার্য ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অর্থাৎ, গতকাল সন্ধ্যার মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছিলেন। 

তবে সাংবাদিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হামলার সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ ডিলিট করার দায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল প্রাধ্যক্ষকে অব্যাহতি দেন উপাচার্য। বর্তমানে ওই হলের আবাসিক শিক্ষক মো. মতিউর রহমান ভারপ্রাপ্ত প্রাধ্যক্ষের দায়িত্বে। 

এর আগে সোমবার সন্ধ্যা থেকে ক্যাম্পাসের সাংবাদিক এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রশাসন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে।

পাঁচ দফার মধ্যে সাংবাদিকদের অন্যতম দাবি ছিল হামলায় চিহ্নিতদের নামে মামলা করতে হবে। দাবির মধ্যে আরও ছিল গতকাল সন্ধ্যার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়ে রাতেই জরুরি সিন্ডিকেট মিটিং ডেকে জড়িতদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা। এ ছাড়া যাদের পড়াশোনা শেষ তাদের সনদ বাতিল করতে হবে। উপাচার্য এসব দাবির সঙ্গে একমত পোষণ করেছিলেন।

গত রোববার রাতে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় চার সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় ছাত্রদলের ১০ থেকে ১২ জন নেতাকর্মী জড়িত ছিলেন। 

আরও পড়ুন

×