ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে
মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন। ছবি: সমকাল
বেনাপোল প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬ | ১২:৫৫ | আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৬ | ১৬:২১
ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ ভারতের কলকাতা থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে পৌঁছেছে। দীর্ঘদিন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর।
রোববার বেলা ১১টার দিকে ইমিগ্রেশনের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তার মরদেহ চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়।
রোটনের মরদেহ দেশে আনা উপলক্ষে ভোর চারটা থেকেই বেনাপোল চেকপোস্ট এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ও নজরদারি জোরদার করা হয়। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। ভারতের পেট্রাপোল চেকপোস্ট পার হয়ে বেনাপোল ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে অ্যাম্বুলেন্সটি গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল।
পারিবারিক ও রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে সংগঠনের সভাপতি ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন।
ছাত্ররাজনীতি থেকে সরে এসে রোটন মূলধারার রাজনীতিতেও সক্রিয় হন। চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার এই রাজনীতিবিদ ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। পরে ২০২১ সালে তাকে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য মনোনীত করা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন রোটন। ফুসফুস ও পাকস্থলীতে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে তিনি কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন বলেন, ‘যেহেতু তিনি সাবেক একটি দলের পদে ছিলেন, তাই স্থলপথে আসা ওই সাবেক নেতার মরদেহ যাতে সঠিকভাবে তার নিজ এলাকায় পৌঁছে যায়, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে।’