অগ্নিকাণ্ড
টুপটুপ রিসোর্টের ম্যানেজার আটক
ম্যানেজার সুমন
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৭:২৯ | আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৭:৪০
কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভে ইনানী পাটুয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ রিসোর্ট অ্যান্ড রেস্তোরাঁয় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রিসোর্টটির ম্যানেজার মোহাম্মদ সুমনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ওসি জানান, আটক ম্যানেজার সুমনকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
আজ শনিবার সকাল ৭টার দিকে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। বেলা ১১টার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভানো হয় বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন।
এ ঘটনায় একই পরিবারের ছয়জনসহ মোট ১০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া, আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন আরও ছয়জন। একই পরিবারের নিহতরা হলেন—ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), জবি শিক্ষার্থী লায়লা জাহান নাবিলা (২৭), ঢাবি শিক্ষার্থী নাফিস তেহামী, ফারিহা কবির (৩৩) ও ফাইয়াজ আহম্মেদ (৫)।
এ ঘটনায় আহত ছয়জন হলেন—মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তার স্ত্রী নাফিসা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।
হতাহতরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবদুল আহাদ সরকারের আত্মীয়। সমকালকে তাদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন আবদুল আহাদ সরকার।
তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিবারের ছয়জন এ ঘটনায় মারা গেছেন। তাদের মধ্যে আমার চারজন মেয়ে কাজিন, একজন ছেলে কাজিন এবং আমার এক মেয়ে কাজিনের ছোট সন্তান ফাইয়াজ রয়েছে। নাফিজ ও নাবিলাও আমাদের আত্মীয়। তারা আমার মায়ের ফুফাতো বোনের পরিবারের সদস্য।’
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের সদস্যদের আজ শনিবার সকালে ঢাকায় ফেরার কথা ছিল। তবে সকালে রিসোর্টে আগুন লাগার সময় তারা ঘুমিয়ে ছিলেন। এ কারণে তারা বের হতে পারেননি।
এ বিষয়ে উখিয়ার ইউএনও পান্না আক্তার সমকালকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত দশ জনের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। আমরা প্রাথমিকভাবে ধারনা করছি, এর মধ্য একই পরিবারের ছয়জন সদস্য হতে পারে। তবে ডিএনও রিপোটের মাধমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
- বিষয় :
- কক্সবাজার
- অগ্নিকাণ্ড
- আগুনে পুড়ে মৃত্যু
- আটক