চট্টগ্রামে চার দিন গ্যাসের চাপ কম থাকবে
ফাইল ছবি
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬ | ১৫:০৬
এলএনজি সরবরাহে সাময়িক বিঘ্নের কারণে আগামী বুধবার থেকে টানা চার দিন গ্যাসের স্বল্পচাপে ভুগতে পারেন চট্টগ্রামের গ্রাহকেরা। কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত সামিট এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণকাজের জন্য বুধবার ৪ নভেম্বর সকাল ৮টা থেকে শনিবার ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টা পর্যন্ত টার্মিনালটি থেকে পুনঃগ্যাসীকৃত এলএনজি (আরএলএনজি) সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাবে।
কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) জানিয়েছে, এ সময়ে তাদের আওতাধীন এলাকার সব শ্রেণির গ্রাহক গ্যাসের স্বল্পচাপের মুখে পড়বেন। আবাসিক গ্রাহকদের পাশাপাশি শিল্প, বিদ্যুৎ ও বাণিজ্যিক খাতেও এর প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন এবং নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সোমবার কেজিডিসিএলের ব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, সামিট এলএনজি টার্মিনালের জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণে নির্ধারিত সময়ে আরএলএনজি সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এতে কেজিডিসিএলের আওতাধীন সব শ্রেণির গ্রাহক স্বল্পচাপের গ্যাস পাবেন। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
কেজিডিসিএলের হিসাব অনুযায়ী, চট্টগ্রামে তাদের মোট গ্রাহক ১ লাখ ৪৬ হাজার ১৭৪ জন। এর মধ্যে ক্যাপটিভ বিদ্যুৎকেন্দ্রের গ্রাহক ২০৪টি এবং শিল্পগ্রাহক ৯৬২টি। বাকি গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ, সার, বাণিজ্যিক ও আবাসিক খাতের। ফলে গ্যাসের সরবরাহ কমে গেলে একাধিক খাতের গ্রাহক একসঙ্গে সংকটে পড়তে পারেন।
চট্টগ্রাম অঞ্চলে স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। পেট্রোবাংলার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মহেশখালীতে থাকা দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের সম্মিলিত গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা দৈনিক ১০৫ কোটি ঘনফুট। বর্তমানে সেখান থেকে দৈনিক ৯২ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সামিটের টার্মিনালে রক্ষণাবেক্ষণ চলাকালে এলএনজিকে গ্যাসে রূপান্তরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হবে।
- বিষয় :
- এলএনজি
- গ্যাস সরবরাহ
- চট্টগ্রাম