ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

মোবাইল কেনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২৫

মোবাইল কেনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২৫
×
×

কিশোরগঞ্জ ও বাজিতপুর প্রতিনিধি

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৬ | ০৮:৪০

| প্রিন্ট সংস্করণ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে মোবাইল ফোন কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে চার গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বাজিতপুর বাজার রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর মোবাইল ফোন কেনাকে কেন্দ্র করে কৈলাগ গ্রামের স্থানীয় এনসিপি নেতা শুভ্রর ছোট ভাই আরিফুল ইসলামকে মারধর করেন পৌরসভার দড়িঘাগটিয়া এলাকার আবুল কালাম। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে কৈলাগ গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাজারে আক্রমণ চালান। পরে দড়িঘাগটিয়া এলাকার লোকজনের পক্ষে মথুরাপুর ও পৈলানপুর গ্রামের লোকজনও যোগ দিলে সংঘর্ষ চার গ্রামের সংঘর্ষে রূপ নেয়।

প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলা এই সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হন। এর মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে 
একজন ভর্তি হয়েছেন। অন্যদের স্থানীয় বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাজারে আসা সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত 
হয়ে ছোটাছুটি করার সময় আরও অন্তত ছয়জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে কৈলাগ গ্রামের আরিফুল ইসলাম, দড়িঘাগটিয়া এলাকার বাদল মিয়া, আলিয়াবাদ এলাকার মারুফ মিয়া, আনোয়ার হোসেন, হৃদয়, শান্ত, পারভেজ ও জুনায়েদের নাম জানা গেছে।
সংঘর্ষের সুযোগে বাজিতপুর বাজারের বেশ কিছু দোকানপাটে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটতরাজ চালানো হয়। বিশেষ করে, সুমন মিয়া নামে এক চাল ব্যবসায়ীর দোকান থেকে ১৮ বস্তা চাল লুট হয়ে গেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে বাজিতপুর থানার ওসি মো. শহীদুল্লাহ জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ বা মামলা করা হয়নি এবং কাউকে আটকও করা হয়নি।
 

আরও পড়ুন

×