ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

প্রবাসী ভোটার নিশ্চিতকরণ

ইসি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের হিড়িক

ইসি কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরের হিড়িক
×

ফাইল ছবি

অমরেশ রায়

প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৫ | ০৯:৪৪ | আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৫ | ০৯:৪৬

প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটার নিশ্চিতকরণ প্রকল্পের নামে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) বিদেশ সফরের হিড়িক পড়েছে। নির্বাচন কমিশনাররা যাচ্ছেন ভোটার কার্যক্রম উদ্বোধন ও তদারকি করতে। আর ইসির কর্মকর্তারা যাচ্ছেন প্রশিক্ষণ দিতে। সেখানে অভিজ্ঞ কারিগরি কর্মকর্তাদের বদলে প্রশাসনিক কর্মকর্তারা প্রাধান্য পাচ্ছেন কিনা, সেটা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। 

অভিযোগ উঠেছে, এসব বিদেশ সফর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় অর্থব্যয় তথা রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এতে সরকারি কর্মকর্তাদের অপ্রয়োজনীয় বিদেশ সফর পরিহার করার অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনাও ব্যাহত হচ্ছে।

প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণে ইসির আইডিইএ প্রকল্প (পর্ব-২) এর আওতায় নির্বাচন কমিশনার ও ইসির কর্মকর্তারা এসব বিদেশ ভ্রমণে যাচ্ছেন। ২০২৩ সালের শেষদিকে শুরু হওয়ার পর এমন সফরের ব্যয় বহন করা হতো আইডিইএ প্রকল্প-১ থেকে।

প্রকল্প সূত্র জানিয়েছে, প্রতি কর্মকর্তার বিদেশ সফরে গড় ভ্রমণ খরচ ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা। নির্বাচন কমিশনারদের জন্য এর পরিমাণ আরও বেশি। ফলে ২০২৩ সালের শেষদিকে শুরু হওয়া প্রকল্পের আওতায় গত দুই বছরে বিদেশ সফরের খরচ প্রায় ১৫ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। অবশ্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ বিষয়ে তথ্য দিতে রাজি হননি। 

আরেকদিকে, প্রতিটি বিদেশ সফরে ইসির কারিগরি কর্মীদের পাশাপাশি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টরাই বলছেন, ভোটার নিবন্ধনের জন্য মাত্র এক বা দুজন কারিগরি ব্যক্তির প্রয়োজন। যারাই কি-না ভোটার হতে আগ্রহী প্রবাসীদের আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ স্ক্যান করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন করতে পারবেন। অন্যদের কীভাবে এগুলো ব্যবহার করতে হবে, সে সম্পর্কে প্রশিক্ষণও দিতে পারবেন। এই কাজের জন্য কোনও প্রশাসনিক কর্মকর্তার উপস্থিতি কিংবা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রয়োজন নেই। এরপরও নির্বাচন কমিশনার বা উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বা প্রশিক্ষণের নামে সফরে গিয়ে অযথা অর্থব্যয় করছেন।

আবার এসব বিদেশ সফর থেকে অর্জনও সামান্যই। অনেক ঢাক-ঢোল পিটিয়ে শুরু করা এই প্রকল্পে গত দুবছরে ১০টি দেশের ১৭টি স্টেশনের মাধ্যমে ৫৫ হাজার প্রবাসীকে ভোটার তালিকাভুক্তির কাজ শেষ করতে পেরেছে ইসি। এদের মধ্যে দশ আঙুলের ছাপ দিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন ৩০ হাজারের বেশি প্রবাসী। মাত্র ১১ হাজার ৬৩৩ জন ভোটারকে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

তবে ইসি কর্মকর্তাদের দাবি, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যে দেশের বাইরে ভোটার কার্যক্রম ও এনআইডি সরবরাহ করছেন তারা। দূতাবাস কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের মাধ্যমে নিবন্ধনের কাজ শেষ করা হচ্ছে। আর এই কারণেই নির্বাচন কমিশনার ও কর্মকর্তাদের বিদেশ সফর করতে হচ্ছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন আগেই বলেছেন, প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে বর্তমান ইসি অন্তত কাজটা শুরুটা করতে চান। সীমিত পরিসরে হলেও প্রবাসীদের ভোট দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে চান তারা। 

যেভাবে শুরু
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশনায় ২০১৯ সালে কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন নির্বাচন কমিশন প্রবাসে ভোটার কার্যক্রম বা জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সরবরাহের উদ্যোগ হাতে নেয়। ওই বছরের ৫ নভেম্বর মালয়েশিয়ার প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি এবং স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার অংশ হিসেবে অনলাইনে আবেদন নেওয়ার কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। একই বছরের ১৮ নভেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

এরপর ২০২০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাজ্য প্রবাসীদের অনলাইনে ভোটার করার কার্যক্রম উদ্বোধন করে ইসি। পর্যায়ক্রমে সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর ও মালদ্বীপের প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও এ সুযোগ চালু করা হয়। তবে করোনা মহামারির কারণে থমকে যায় পরিকল্পনা। পরে ২০২২ সালে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই কার্যক্রম পুনরায় শুরু করে। তবে আগের আবেদনগুলো পাশ কাটিয়ে নতুন করে কার্যক্রম শুরু করে তারা। অন্তর্বর্তী সরকার প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ায় সেই কার্যক্রমই এগিয়ে নিচ্ছে বর্তমান এ এম এম নাসির উদ্দিন কমিশন।

বর্তমানের ১০টি দেশের ১৭টি স্টেশনে দূতাবাসের মাধ্যমে প্রবাসী ভোটার কার্যক্রম পরিচালনা করছে ইসি। দেশগুলো হচ্ছে- সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, ইতালি, কুয়েত, কাতার, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও জাপান। আগামী মাস থেকে আমেরিকার পাঁচটি রাজ্যের পাশাপাশি আরও চারটি দেশ- ওমান, দক্ষিণ আফ্রিকা, জর্ডান ও মালদ্বীপে ভোটার নিবন্ধনের কাজ শুরু হচ্ছে। এসব দেশে এনআইডি কার্যক্রম শুরুর জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সম্মতি পাওয়া গেছে।

আর আমেরিকাসহ এই ১১টি দেশে ঘুরেফিরে সফর করছেন বিগত ও বর্তমান কমিশনের কমিশনার ও কর্মকর্তারা। ভোটার কার্যক্রম সংক্রান্ত মতবিনিময়, ভোটার নিবন্ধন উদ্বোধন, এনআইডি বিতরণ এবং দূতাবাস কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার নামে চলছে এই সফর। আবার বিগত কাজী হাবিবুল আউয়াল ও কেএম নূরুল হুদা কমিশনের সময় যেসব দেশ সফর হয়েছে, সেই একই দেশে একই কাজে বর্তমান কমিশন কর্মকর্তারাও সফর করছেন। সে সময়ই মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, দুবাই, কানাডা ও ইতালিতে একাধিকবার সফর করেছেন কর্মকর্তারা।

কার্যক্রম উদ্বোধন, তদারকি-নির্বাচন কমিশনারদের সফর
গত মাসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম নাসির উদ্দিন কানাডা সফর করেছেন প্রবাসী ভোটার কার্যক্রম দেখা ছাড়াও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) বিতরণ উদ্বোধন ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে একাধিক মতবিনিময় সভায় অংশ নিতে। প্রায় ১৫ দিনের সফরে লালমনিরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা লুৎফুল কবির সরকার সিইসির সফরসঙ্গী ছিলেন। একই কাজে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার মালয়েশিয়া ঘুরে এসেছেন। আরেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ পাঁচদিনের ফ্রান্স সফর করেছেন ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর। তার সঙ্গে ছিলেন আইডিইএ প্রকল্পের (পর্ব-২) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী। চলতি অক্টোবরে যাচ্ছেন সুইডেনে। এই নির্বাচন কমিশনার এর আগে একাধিকবার মধ্যপ্রাচ্য সফর করেছেন। নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ অক্টোবরে একটি সম্মেলনে যাচ্ছেন মরক্কোয়।

পিছিয়ে নেই কর্মকর্তারাও
প্রবাসী ভোটার কার্যক্রম তদারকিতে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ ও জাতীয় পরিচয় (এনআইডি) অনুবিভাগের মহাপরিচালক এএসএম হুমায়ুন কবীরের নেতৃত্বে চার সদস্যের দুটি টিম গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি, লস অ্যাঞ্জেলেস, নিউ ইয়র্ক সিটি এবং ওয়াশিংটন ডিসি সফর করে এসেছেন। ১০ দিনের এই সফরে তারা যান প্রশাসনিক টিম হিসেবে। এনআইডি অনুবিভাগের পরিচালক খান আবি শাহনূর খান ২৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে যান পাঁচদিনের সফরে। এছাড়া চারটি টেকনিক্যাল টিমে আরও ১৬ জন শিগগিরই দেশটিতে যাবেন।

এর আগে ইসি সচিব গত আগস্টে পাঁচ দিনের সফর করেছেন জাপানে। পাঁচ সদস্যের একটি টেকনিক্যাল টিমও দেশটিতে সাতদিন সফর করেছেন একই মাসে।

এর আগে গত এপ্রিলে দূতাবাস কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিতে কানাডা সফর করেছেন ইসির অতিরিক্ত সচিব কেএম আলী নেওয়াজ। তার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি টিম যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন মতবিনিময় করতে। ইসির এই কর্মকর্তাদের সফর ছিল ১৩ দিনের। একই মাসে এনআইডি মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি টিম সাত দিনের জন্য অস্ট্রেলিয়া ও দুদিনের জন্য সিঙ্গাপুর সফর করেছেন। একই মাসে ১১ সদস্যের দুটি টেকনিক্যাল টিম কানাডা সফর করেছেন ১৭ দিন। একই মাসে ১৮ দিনের জন্য অস্ট্রেলিয়াতে কর্মকর্তাদের ১১ সদস্যের দুটি টিম সফর করেছেন। একই সময়ে ছয় সদস্যের আরেকটি টিম সফর করেছেন যুক্তরাজ্যে। 

এছাড়া চলতি মাসে ২৬ জন কর্মকর্তার মালদ্বীপ, মালয়েশিয়া, জর্ডান, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওমান সফর রয়েছে। এর মধ্যে অতিরিক্ত সচিব কেএম আলী নেওয়াজ জর্ডান যাচ্ছেন প্রশাসনিক টিম নিয়ে। দেশটিতে চার সদস্যের একটি টেকনিক্যাল টিমও যাচ্ছে তার সঙ্গে। যুগ্ম সচিব আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে প্রশাসনিক টিম যাচ্ছে মালদ্বীপে। এনআইডি প্রকল্পের অতিরিক্ত প্রকল্প পরিচালক নুরুজ্জামান খান প্রশাসনিক টিম নিয়ে যাচ্ছেন ওমানে। প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী প্রশাসনিক টিম নিয়ে যাচ্ছেন দক্ষিণ আফ্রিকায়।

সংশ্লিষ্টরা যা বলছেন
ইসির কর্মকর্তারা অবশ্য এসব বিদেশ সফরকে প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন। এতে অহেতুক সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে না বলেও দাবি তাদের।

এ প্রসঙ্গে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ সমকালকে বলেছেন, অপ্রয়োজনীয় হলে তো আর বিদেশ সফরে যাওয়ার প্রয়োজন ছিল না। আমাদের টেকনিক্যাল টিমগুলো যাচ্ছে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি স্থাপন আর কর্মকর্তারা যাচ্ছেন প্রশিক্ষণ এবং সুষ্ঠু ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে। এখন খাগড়াছড়িতে কোনো টেকনিক্যাল সমস্যা দেখা দিলে সেখানে একদিনের মধ্যে গিয়ে সমাধান করা যায়। বিদেশে কোনো সমস্যা হলে তো রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয়। এই কারণে আমরা একবারে সব কাজ সেরে রাখার প্রয়োজনেই যাচ্ছি। তবে সফরগুলো ঘন ঘন হওয়ার কারণেই হয় তো বা চোখে পড়ছে।

তিনি বলেন, একটা জিনিস বুঝতে হবে- ৩১ অক্টোবরের মধ্যে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম ও এনআইডি প্রদানের কাজ শেষ করতে হবে। প্রবাসী ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিতে সরকারের নির্দেশনাও রয়েছে। সেই কারণেই আমরা দ্রুতগতিতে কাজ শেষ করার প্রয়োজনেই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে যাচ্ছি।

সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ সাশ্রয় করেই সফরগুলো হচ্ছে দাবি করে ইসি সচিব বলেন, সফরগুলোতে কর্মকর্তার সংখ্যা এবং অবস্থানের সময় (দিনের সংখ্যা) কমিয়ে দিচ্ছি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়- এমন সফরও আছে বিগত সময়ে যেখানে ছয়টি টিম ও কর্মকর্তার সংখ্যা ছয়জন ছিল, সেখানে চারটি টিম ও চারজন করে কর্মকর্তা পাঠানো হয়েছে। এতে অর্থব্যয়ের পরিমাণও কমে যাচ্ছে।

কার্যক্রম শুরুর আগেই ২০ জন কর্মকর্তাকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো কী অতিরিক্ত ছিল কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বুঝতে হবে- তারা কিন্তু চারটি টিমে যান। এখানেও কর্মকর্তার সংখ্যা ও দিন সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমি নিজেও একটি টিম নিয়ে যাই, যেখানে দুই-তিন ঘণ্টার দূরত্বে আমেরিকার দুটি রাজ্যে যাই। আমরা তো সেখানে দুই রাজ্যের জন্য দুটি টিম না পাঠিয়ে একটিই পাঠাই। এর থেকে আর কী সাশ্রয় করতে বলেন?

ইসির এনআইডি অনুবিভাগের মহাপরিচালক এএসএম হুমায়ুন কবীর বলেন, বাংলাদেশি দূতাবাস এবং হাইকমিশনের মাধ্যমে এনআইডি পরিষেবা পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষণ এবং যন্ত্রপাতি স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিদেশে পাঠানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন

×