এলপিজির সংকট মিটতে এক সপ্তাহ লাগবে
সংকট পুঁজি করে ব্যবসায়ীদের দাবি আদায়
সারাদেশে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। কোথাও গ্যাস না পেয়ে খালি সিলিন্ডার নিয়ে দোকানে দোকানে ঘুরতে দেখা যায় রাজধানীর রামপুরার হোটেল ব্যবসায়ী দেলওয়ার হোসেনকে। গতকাল বিকেলে তোপখানা রোড থেকে তোলা সমকাল
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৮:০৮ | আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ | ১০:১৯
| প্রিন্ট সংস্করণ
মাসখানেক ধরে নৈরাজ্য চলছে রান্নার জন্য প্রয়োজনীয় এলপি গ্যাসের বাজারে। ঢাকার বাসিন্দা সাংবাদিক আবু সালেহ আকন গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে লেখেন, ‘অনেক কৌশল করে ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনলাম ২,১০০ টাকায়।’ যদিও সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৩০৬ টাকা। ওই স্ট্যাটাসের নিচে লিটন আরশাদ নামে একজন মন্তব্য করেন, ‘আপনি তো ভাগ্যবান– তবুও সিলিন্ডার পেলেন। তিন দিন ধরে আমার বাসায় রান্না বন্ধ। সব কৌশল ব্যর্থ একটা সিলিন্ডার সংগ্রহে। অগত্যা শুকনো খাবার, বাইরে থেকে বেশি দামে খাবার কিনছি– এটাই এখন বাস্তবতা। বাসায় আট মাস বয়সী নাতি। প্রচণ্ড শীতে ওর জন্য গরম পানি সংকট। সেরেলাক খাওয়াতে পারছি না। আমরা না হয় কষ্ট করে খাচ্ছি। বাধ্য হয়ে তাকে শুকনো বিস্কুট খাওয়াচ্ছি।’
এ চিত্র শুধু ঢাকার নয়; সারাদেশের। এমন ভোগান্তির মধ্যেই গতকাল কমিশন বৃদ্ধিসহ ছয় দফা দাবি আদায়ে ধর্মঘট ডেকেছিল এলপিজি ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি। তাতে তারা অনেকটাই সফল। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) দাবি মানার আশ্বাস দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, আমদানি কম হওয়ায় সংকট হচ্ছে। তবে সরকার বলছে, বাজারে পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, সংকট কৃত্রিম। নিজেদের এমন দাবির মধ্যেই এলপিজি অপারেটরদের আমদানি সক্ষমতা বৃদ্ধি, ভ্যাট কমানোসহ একাধিক উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা এসেছে।
গ্রাহক ভোগান্তিকে পুঁজি করে দাবি আদায়ের পরও বাজারে ন্যায্যমূল্যে এলপি গ্যাস পাওয়া যাবে কিনা, তা নিয়ে শঙ্কায় আছেন গ্রাহক। অপারেটররা বলছেন, সরকার তাদের ঘোষণা বাস্তবায়নের পরই বলা যাবে পরিস্থিতি কেমন হবে। সপ্তাহখানেকের মধ্যে সিলিন্ডার সংকট কাটতে পারে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু ন্যায্য দামের বিষয়ে তেমন নিশ্চয়তা দিতে পারেননি তারা। ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বাড়ালেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
সংকট ও দায় চাপাচাপি
খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, সমস্যার শুরু পরিবেশক পর্যায় থেকে। পাইকারিতে সরবরাহ কমছে, সেই সঙ্গে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে খুচরায় দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। এলপি গ্যাস সমবায় ব্যবসায়ী সমিতি বলছে, দেশের বাজারে সাড়ে পাঁচ কোটি সিলিন্ডার থাকলেও বর্তমানে রিফিল হচ্ছে মাত্র এক কোটি ২৫ লাখের মতো। সমিতির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, অন্তত চার কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডার অব্যবহৃত পড়ে আছে।
এলপিজি অপারেটরস অব বাংলাদেশ (লোয়াব) জানিয়েছে, শীতকালে বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধি, জাহাজ সংকট ও আর্থিক জটিলতার কারণে ডিসেম্বরে আমদানি কমেছে; ফলে বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। তারা জানান, ২৮টি কোম্পানি এলপিজি ব্যবসা করে। এর মধ্যে ২৩টি কোম্পানির আমদানির অনুমোদন আছে। যদিও এখন মূলত ছয়টি কোম্পানি বেশির ভাগ এলপিজি আমদানি করে। আরও চারটি সীমিত পরিসরে আমদানি করে। বসুন্ধরা, ওরিয়নের মতো বড় কোম্পানিগুলো এখন আমদানি বন্ধ রেখেছে।
লোয়াব জানায়, প্রতি মাসে দেশের বাজারে গড়ে এক লাখ ২০ হাজার টন এলপিজি সরবরাহ হয়। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য, শ্রীলঙ্কা, ভারতের উড়িষ্যার ধামরা সমুদ্রবন্দর দিয়ে অন্তত ৭০ হাজার টন গ্যাস আমদানি হয়। বাকি ৫০ হাজার টন বিশ্বের বিভিন্ন অপারেটর ও বন্দর হয়ে ইরান থেকে আসার কথা জানিয়েছেন কয়েকজন ব্যবসায়ী। বর্তমানে বিভিন্ন দেশের এলপি গ্যাস খাতের প্রতিষ্ঠান ও জাহাজের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থাকায় ইরান থেকে আমদানি গ্যাস বাজারে প্রবেশ করতে পারছে না। এ কারণেও আমদানি কমেছে।
এদিকে সংস্থাটি গত রোববার এক বিবৃতিতে খুচরা বিক্রেতাদেরও সংকটের জন্য দায়ী করে। এলপিজি ব্যবসায়ীরা সংকটের জন্য সরকারের দায়ও দেখছেন। তারা বলেন, কয়েকটি কোম্পানি আমদানি সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অনেক দিন ধরে সরকারের কাছে দেন-দরবার করলেও অনুমোদন মেলেনি।
আর জ্বালানি বিভাগ বলছে, বাজারের এলপিজির মজুত পর্যপ্ত রয়েছে। খুচরা পর্যায়ের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানো হয়েছে। গত নভেম্বরে দেশে এলপিজি আমদানির পরিমাণ ছিল এক লাখ পাঁচ হাজার টন। ডিসেম্বরে এ আমদানির পরিমাণ বেড়ে এক লাখ ২৭ হাজার টন হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান গত সোমবার বলেন, খুচরা বিক্রেতারা বাজারে সংকট তৈরি করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ভ্রাম্যমাণ অভিযান চালানো হবে।
বৈঠক ও ধর্মঘট
সংকট নিয়ে গত রোববার জ্বালানি সচিব সাইফুল ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেন এলপিজি ব্যবসায়ীরা। সেখানে তারা এলসি সমস্যা, ভ্যাট কমানো, আমদানি সক্ষমতা বাড়ানোসহ কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। জ্বালানি বিভাগ এসব সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেয়। পাশাপাশি সরকার মাঠ পর্যায়ে অভিযান জোরদার করে। অনেক এলাকায় খুচরা বিক্রেতা ও ডিলারদের বেশি দাম রাখা ও মজুতের কারণে জরিমানা করা হয়। এতে আন্দোলনে নামেন পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতারা।
গত বুধবার সকালে আন্দোলনকারীরা কমিশন বৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ‘হয়রানি’ বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন। এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন পরদিন, অর্থাৎ গতকাল বৃহস্পতিবার তাদের সঙ্গে বৈঠকের কথা জানায়। কিন্তু এর আগে ব্যবসায়ী সমিতি হুট করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেয়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ঢাকা, গাজীপুর, সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ ছিল।
চাপে পড়ে সরকারের একাধিক পদক্ষেপ
এলপিজি নিয়ে সৃষ্ট সংকট কাটাতে গতকাল দিনভর নানা পদক্ষেপ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। জ্বালানি বিভাগ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিইআরসিকে চিঠি দেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংককে ঋণপ্রাপ্তির আবেদন ও এলসি খোলার প্রক্রিয়া দ্রুত নিষ্পত্তির অনুরোধ করা হয়। এনবিআরকে দেওয়া চিঠিতে এলপিজি আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা এবং উৎপাদন পর্যায়ে সাড়ে ৭ শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহারের কথা বলা হয়।
আমদানির সিলিং বৃদ্ধির জন্য ওমেরা, মেঘনা, যমুনা, ইউনাইটেড আই গ্যাস ও ডেল্টা থেকে পাওয়া আবেদন বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অনাপত্তি দিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে যে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে মন্ত্রিসভা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া অপারেটরদের আমদানি করা এলপিজির প্রকৃত চিত্র জানার জন্য চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর-সংলগ্ন স্টোরেজ পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দিতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অফিস আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে এনবিআরের মূসক নীতি বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, আজকেই তারা এ সংক্রান্ত চিঠি পেয়েছেন। অতএব এ ব্যাপারে এখনও কোনো আলোচনা হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, এ ধরনের একটি চিঠি তারা পেয়েছেন। এমনিতেই এলপি গ্যাসের মতো প্রয়োজনীয় পণ্যের এলসি দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়। এ ছাড়া কাঁচামাল হিসেবে ৩৬০ দিনের বাকিতে আমদানির সুযোগ রয়েছে। তবে সবুজ শিল্প হিসেবে কম সুদে ঋণ দেওয়ার যে দাবি করা হয়েছে, বিদ্যমান ব্যবস্থায় সে সুযোগ নেই।
এ প্রেক্ষাপটে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড গতকাল বিকেলে সারাদেশে এলপিজি বিপণন ও সরবরাহে ঘোষিত অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছে।
ধর্মঘট প্রত্যাহার
গতকাল বিইআরসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. সেলিম খান সাংবাদিকদের বলেন, বৈঠকে তারা চলমান প্রশাসনিক অভিযান বন্ধ, বিতরণকারী ও খুচরা বিক্রেতাদের চার্জ বৃদ্ধিসহ কয়েকটি দাবি তুলে ধরেছেন। ইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ আশ্বস্ত করেছেন, চলমান অভিযান বিষয়ে তারা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলবেন এবং চার্জ বাড়াতে আইনগত পদক্ষেপ নেবেন। চেয়ারম্যানের আশ্বাসে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
সংকট কাটবে কি
সরকারের এসব পদক্ষেপের পর এলপিজি সিলিন্ডারের প্রাপ্যতা ও দাম নিয়ে চলমান সংকট কাটবে কিনা– জানতে চাইলে লোয়াবের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুমায়ুন রশীদ সমকালকে বলেন, সরকার তো কেবল ঘোষণা দিয়েছে। এটা গেজেট হলে পরে বলা যাবে পরিস্থিতি কেমন হবে। তবে চলমান ঘাটতি কাটতে এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। তবু গ্রাহক ন্যায্য দামে এলিপিজি পাবে কিনা– সে নিশ্চয়তা দিতে পারছি না। হুমায়ুন রশীদ বলেন, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন বর্তমান বাজারের তুলনায় খুবই কম। এটা সমন্বয় না হলে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে বলা মুশকিল।
পরিবেশক সমিতির নেতা সেলিম খান বলেন, অপারেটরদের কাছ থেকে সিলিন্ডার কিনতেই তাদের ১ হাজার ৩০০ টাকার বেশি দিতে হচ্ছে। তাই ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার দেড় হাজার টাকার কম দামে বিক্রি করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। যদিও বিইআরসি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, জানুয়ারির জন্য নির্ধারিত ১ হাজার ৩০৬ টাকার বেশি দামে পণ্য বিক্রির কোনো যুক্তি তিনি দেখছেন না।
দেশজুড়ে ভোগান্তি
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাসিন্দা আওলাদ হোসেন গতকাল বলেন, সকাল থেকে হন্যে হয়ে একটি সিলিন্ডার খুঁজছেন। শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া ঘুরে আড়াই ঘণ্টা পর মিরপুর-১০ এর একটি গলির দোকানে ২,৩০০ টাকায় ১২ কেজির সিলিন্ডার পেয়েছেন।
গাজীপুর প্রতিনিধি জানান, জেলার সর্বত্র এলপিজির সংকট চলছে। কোনাবাড়ী, শিববাড়ী, শিমুলতলীজুড়ে কোথাও সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে না। সজীব আহমেদ নামে এক ব্যবসায়ী জানান, এক সপ্তাহ ধরে পরিবেশকরা সিলিন্ডার সরবরাহ করতে পারছেন না। প্রতিদিন ক্রেতারা খালি সিলিন্ডার নিয়ে দোকানে ভিড় করছেন। কিন্তু দেওয়ার মতো গ্যাস নেই।
চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, নগরের বাকলিয়া, চকবাজার, বহদ্দারহাট, হালিশহর ও পতেঙ্গায় দোকানদাররা গতকাল সিলিন্ডার উত্তোলন ও বিক্রি দুটোই বন্ধ রাখেন। তবে কেউ কেউ বেশি দামে এক-দুটি বিক্রি করছেন। সিলিন্ডার না পেয়ে লাকড়িতে ছোট ছোট হোটেলে রান্না করতে দেখা যায়। বিভিন্ন পরিবার ইলেকট্রিক চুলায় রান্না করে প্রয়োজনীয়তা মিটিয়েছেন। চকবাজারের তেলিপট্টি মোড় এলাকায় এক ক্রেতাকে ২ হাজার ২৫০ টাকায় গ্যাস কিনতে দেখা যায়।
রাজশাহী ব্যুরো জানিয়েছে, ক্রেতাদের চড়া দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে। হবিগঞ্জের মাধবপুরের প্রতিনিধি জানান, উপজেলায় গত প্রায় ২০ দিন ধরে এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকট চলছে।
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, শহরজুড়ে সিলিন্ডার গ্যাসের হাহাকার। প্রকাশ্যে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। বিক্রেতারা দোকান বন্ধ করে রাখছেন। গোপনে পাওয়া গেলেও মূল্য দিতে হচ্ছে ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা।
[প্রতিবেদন তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধিরা]
- বিষয় :
- এলপিজি গ্যাস
