ঢাকা-মালে-ঢাকা ফ্লাইট চালু ১২ মার্চ
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৬:৩৪
ঢাকা-মালে-ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট ফের চালুর ঘোষণা দিয়েছে মালদ্বীপের জাতীয় উড়োজাহাজ সংস্থা মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্স। ১২ মার্চ থেকে এ ফ্লাইট শুরু হবে। সোমবার মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্সের ঢাকা সিটি অফিস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রাথমিক অবস্থায় সপ্তাহে দুই দিন রোববার ও বৃহস্পতিবার এই ফ্লাইট পরিচালিত হবে। রিটার্ন ভাড়া শুরু হচ্ছে ৩৯৯ মার্কিন ডলার (প্রায় ৪৭,৮৮০ টাকা) থেকে। ফ্লাইটগুলো ভোরের দিকে ঢাকায় অবতরণ করবে।
গুলশান অ্যাভিনিউয়ের তাজ ম্যারিয়ট ভবনে মালদিভিয়ান এয়ারলাইন্সের সিটি অফিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মালদিভিয়ানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. ইব্রাহিম ইয়াস। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গ্রাউন্ড অপারেশন পরিচালক আহমেদ ইব্রাহিম, জেনারেল ম্যানেজার (ইন্টারন্যাশনাল কমার্শিয়াল) মোহামেদ সাফাহ এবং বাংলাদেশের জেনারেল সেলস এজেন্ট (জিএসএ) গ্যালাক্সি বাংলাদেশ গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ ইউসুফ ওয়ালিদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইব্রাহিম ইয়াস বলেন, ঢাকা মালদিভিয়ানের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। এই রুট পুনরায় চালু করা আমাদের প্রতিশ্রুতিরই বহিঃপ্রকাশ—যাতে বাংলাদেশি কর্মী ও মালদ্বীপের ভ্রমণকারীরা নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক ভ্রমণ সুবিধা পান। আমরা বিশ্বাস করি, এই সেবা দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।
উদ্বোধনের পর মালদিভিয়ানের প্রতিনিধি দল সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও’র সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
মালদিভিয়ান কর্তৃপক্ষ জানায়, মালদ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের চাহিদার প্রেক্ষিতে এই রুট পুনরায় চালু করা হয়েছে। রমজান মাসের সমাপ্তি ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী চলাচল বৃদ্ধির সময়কে সামনে রেখেই এই সেবা চালু হচ্ছে, যা বিদেশগামী মালদ্বীপের নাগরিক ও দেশে ফেরা বাংলাদেশিদের জন্য সুবিধাজনক হবে।
যাত্রীরা ৩০ কেজি ব্যাগেজ সুবিধা এবং বিনামূল্যে অনবোর্ড খাবার পাবেন। টিকিট বুকিং এখন মালদিভিয়ানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ এবং কল সেন্টারের (১৬৭১) মাধ্যমে চালু রয়েছে। বর্তমানে মালদিভিয়ানের বহরে রয়েছে ২৬টি উড়োজাহাজ—এর মধ্যে একটি ওয়াইড-বডি এয়ারবাস এ৩৩০, একটি ন্যারো-বডি এয়ারবাস এ৩২০, পাঁচটি এটিআর, আটটি ড্যাশ ৮ এবং এগারোটি ড্যাশ ৬ টুইন অটার বিমান—যেগুলো দিয়ে তারা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
