প্রেমের ফাঁদে ধর্ষণের শিকার ২ শিক্ষার্থী
প্রতীকী ছবি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০১৯ | ১১:১৭
প্রেমের ফাঁদে পড়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছে দুই শিক্ষার্থী। খুলনার রূপসায় বেড়াতে গিয়ে কথিত প্রেমিক ও তার বন্ধুদের গণধর্ষণের শিকার হয়েছে এক মাদ্রাসাছাত্রী। অন্যদিকে যশোরের অভয়নগরে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে তার প্রেমিক।
খুলনা ব্যুরো ও রূপসা প্রতিনিধি জানান, রূপসার এক মাদ্রাসাছাত্রীকে (১৬) গণধর্ষণের অভিযোগে ছয় যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতরা হলো- রূপসার শ্রীফলতলা গ্রামের শরীফুল ইসলাম, আসাদ উল্লাহ, কামরুল, নাঈম, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের রিয়াজ ও সাতক্ষীরার সোহেল। ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (খুমেক) ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।
খুলনা জেলা পুলিশের অ্যাডিশনাল এসপি মো. নূর আলম সিদ্দিকী জানান, ভুক্তভোগী মেয়েটি মোরেলগঞ্জে নানাবাড়ি থেকে মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে। তার মা থাকেন খুলনার সোনাডাঙ্গায়। মেয়েটি মায়ের কাছে বেড়াতে এসে বুধবার তার প্রেমিক মোরেলগঞ্জের নিয়ামুলের সঙ্গে শহীদ হাদিস পার্কে ঘুরতে যায়। এ সময় তার সঙ্গে আট বছরের এক খালাতো ভাই ছিল। এক পর্যায়ে নিয়ামুল মেয়েটিকে রূপসার শ্রীফলতলার একটি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা দু'জন ও নিয়ামুল মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। অন্যরা ছোট ছেলেটিকে সরিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা রূপসা থানায় অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় শুক্রবার ধর্ষণ মামলা হয়েছে। মূল আসামি নিয়ামুলকে আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নওয়াপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি জানান, প্রেমের ফাঁদে ফেলে অভয়নগরে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে কথিত প্রেমিক সাব্বির আহম্মেদ (২০)। সে উপজেলার চলিশিয়া ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী বেগের ছেলে। বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। ওই স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে শুক্রবার অভয়নগর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ধর্ষক সাব্বিরকে আটক করতে পারেনি।
পুলিশ জানায়, সাব্বির ওই মেয়েকে বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে চলিশিয়া গ্রামে তার বন্ধু নাসিরের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে পানির সঙ্গে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটির জ্ঞান ফিরলে মোটরসাইকেলে সাব্বির তাকে বাড়িতে দিয়ে যায়। ঘটনা জানাজানি হলে ওই ছাত্রীর পরিবার সাব্বিরকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ওই ছাত্রী নাবালিকা হওয়ায় সমস্যা দেখা দেয়। অভয়নগর পুলিশ ঘটনা জানতে পেরে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অভয়নগর থানার এসআই হাবিবুর রহমান হাবিব জানান, ভিকটিমের মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে। শিগগির ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
