ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ এবং প্রতিবেদকের বক্তব্য

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ এবং প্রতিবেদকের বক্তব্য
×

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৬ মার্চ ২০২৬ | ১১:২৪

‘প্রকল্পের ২০ শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রেও নানা অনিয়ম’ শিরোনামে ২ মার্চ সমকালে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন প্রকল্প পরিচালক শবনম মোস্তারী। তিনি মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (শিশু ও সমন্বয়)। 

প্রতিবাদপত্রে তিনি বলেন, প্রতিবেদনে তাঁর বিরুদ্ধে আসা সব অনিয়ম অস্বীকার করছেন। সংবাদটিতে যাচাই না করে তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। এতে প্রকল্পের প্রকৃত অবস্থা প্রতিফলিত হয়নি। এভাবে ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ করা কেবল দায়িত্বজ্ঞানহীনই নয়, বরং সেবায় নিয়োজিত একটি প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার শামিল। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) কীভাবে এ প্রতিবেদনে সহায়তা করেছে তাও তাঁর বোধগম্য নয়।

১. আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগে অনিয়ম: আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে জনবল নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়নি। আইনের ব্যত্যয় ঘটেনি। আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবাগ্রহণ নীতিমালা-২০১৮ এর ৩(৮) ধারায় উল্লেখ ছিল, সেবা ক্রয়কারী প্রয়োজনে অর্থ বিভাগের সম্মতি নিয়ে সরাসরি সেবা প্রদানকারীর সঙ্গেও ক্রয় চুক্তি করতে পারবে। প্রকল্পে ১৮৫ জনবল নিয়োগে নীতিমালার এই ধারা অনুসরণ করা হয়েছে। অর্থ বিভাগের অনুমোদন নিয়ে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সময়ের জন্য তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

প্রতিবেদকের বক্তব্য
প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হয় ২০২৫ সালের ৩০ জুন। গত ডিসেম্বরে এই প্রকল্পের মেয়াদ চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রকল্পের আউটসোর্সিং সেবা পরিবীক্ষণ কমিটির সভা হয়। সভার কার্যবিবরণীতে দেখা যায়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সচিবের রুটিন দায়িত্ব) কাজী গোলাম তৌসিফ মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের প্রতিনিধিকে প্রকল্পের মেয়াদ (৩০ জুন, ২০২৫) শেষ হওয়ার পরও ১৮৫ জন লোক কীভাবে কাজ করছেন? তাদের সেবা গ্রহণের বিষয়ে প্রকল্প কার্যালয় থেকে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে; তার কাগজপত্র উপস্থাপন করতে বলেন। বৈঠকে প্রতিনিধি জানান, কেন্দ্রগুলো পরিচালনার প্রয়োজনে এই জনবলের সেবা নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ না থাকায় এ বিষয়ে লিখিত কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। 

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত সরাসরি ব্যক্তির মাধ্যমে ক্রয় করা যৌক্তিক, প্রয়োজনীয় ও জনস্বার্থে হওয়ায় আউটসোর্সিংয়ে এই জনবলের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব অর্থ বিভাগে পাঠানো হবে। এ সুপারিশ মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে এখনও অর্থ বিভাগে যায়নি। 

এরইমধ্যে গত বছরের ১৫ এপ্রিল আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবাগ্রহণ নীতিমালা-২০২৫ জারি করা হয়। নতুন নীতিমালায় দরপত্র ছাড়া আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োগে বেশ কিছু শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। 

সমকালের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর প্রকল্পের মেয়াদ বাড়াতে দেরি করায় আট মাস শিশুখাদ্যসহ অন্যান্য সামগ্রী কেনার বরাদ্দ বন্ধ আছে। সেবাকর্মীরাও বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত ১৮৫ জন কীভাবে আট মাসের বেতন পাবেন, তাও পরিষ্কার নয়।
  
২. শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র প্রকল্প ছাড়ছেন না শবনম মোস্তারী: প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্প পরিচালক ২০১৮ সাল থেকে এই প্রকল্পে কর্মরত আছেন। এই তথ্য সঠিক নয়। তিনি এপ্রিল ২০১৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত ভূমি সংস্কার বোর্ডে উপ-ভূমি সংস্কার কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ২০১৯ সালের ২১ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপন এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তিনি এ প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। 

সমকালের জনৈক সাংবাদিক প্রকল্পের তথ্য জানতে চেয়ে প্রকল্প পরিচালককে ফোন করলে তাকে কী কী তথ্য প্রয়োজন তা লিখিতভাবে জানানোর জন্য বলা হয়। কিন্তু তিনি তা না করে কী উদ্দেশ্যে এ ধরনের ভুল তথ্য ব্যবহার করে প্রতিবেদন করেছেন তা সন্দেহজনক।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : প্রকল্প পরিচালক শবনম মোস্তারীর ব্যক্তিগত তথ্য বিবরণ (পিডিএস) থেকে জানা যায়, তিনি ৯ নভেম্বর ২০১৭ থেকে ২৭ মার্চ ২০১৮ পর্যন্ত ২০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের পিডি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এরপর ২১ নভেম্বর ২০১৯ থেকে এখন পর্যন্ত তিনি কর্মরত আছেন।

সমকালের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকল্প পরিচালককে গত বছরের ১০ আগস্ট ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে বদলি করা হয়। তিনি যোগদান করেননি। ১৮ আগস্ট মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়। এখন মন্ত্রণালয়ের শিশু ও সমন্বয় অনুবিভাগের দায়িত্ব নিয়ে দিবাযত্ন কেন্দ্রের পিডির অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্যও প্রতিবেদনে ছাপা হয়েছে। 

প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, সমকালের প্রতিবেদককে তিনি লিখিত প্রশ্ন পাঠানোর জন্য বলেছেন। বস্তুত তাঁর সঙ্গে এই বিষয়ে প্রতিবেদকের এক দিন কথা হয়। আরও কিছু বিষয় জানতে কয়েক দিন পর আবার তাঁর সঙ্গে কথা বলেন প্রতিবেদক। তিনি তখন লিখিত প্রশ্ন পাঠাতে বলেন। তাঁকে বলা হয়, ২০২৩ সালেও আপনার কাছে তথ্য চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল। আপনি দেননি। তিনি বলেন, তথ্য নিয়ে কী করবেন–তা উল্লেখ করে আবেদন করেন। 

সর্বশেষ গত বছরের ৮ ডিসেম্বর তথ্য অধিকার আইনে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসার শামীম আহমদ উজ্জ্বলের বরাবর প্রকল্পের তথ্য প্রাপ্তির আবেদন করা হয়। কিন্তু কোনো তথ্য সরবরাহ করা হয়নি।     

৩. আয়কর ও শিশুসেবার ২ কোটি ৭১ লাখ টাকার গরমিল: প্রকল্প পরিচালক এই পদে যোগদানের পর তাঁর যোগদানের আগের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া মূল্যায়ন করে সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন প্ৰকাশ করেন। তা প্রকল্পের ওয়েবসাইটে-  https://cdcc.dwa.gov.bd/ আছে। তাতে অধিক মূল্যে কেনা খাদ্যের বিল পরিশোধ করায় ১৬টি অডিট আপত্তি পাওয়া যায়। এর সাতটি গুরুতর; যা ওই মূল্যায়ন প্রতিবেদনে আছে। ওই মূল্যায়ন প্রতিবেদন থেকে ২০১৮-২০১৯ ও ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের শিশু সেবার দুই কোটি ৬১ লাখ পাঁচ হাজার টাকা মাসিক ফি অনাদায়ীর বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন তা বর্তমান প্রকল্প পরিচালকের সময় হয়েছে। 
প্রতিবেদকের বক্তব্য: প্রকল্প পরিচালক (পিডিএস অনুসারে) ৯ নভেম্বর ২০১৭ থেকে ২৭ মার্চ ২০১৮ পর্যন্ত এবং ২১ নভেম্বর ২০১৯ থেকে এখন পর্যন্ত এই প্রকল্পে কর্মরত আছেন। 

সমকালের প্রতিবেদনে শুধু মূল্যায়ন প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর জন্য প্রকল্প পরিচালকে দায়ী করে কিছু লেখা হয়নি। তবে ২০১৯-২০ অর্থবছরের কিছু সময় তিনিও এই প্রকল্পের দায়িত্বে ছিলেন।   

৪. হিসাবরক্ষকের ভুল : প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, আয়কর আইনের ৮৯ ধারা অনুযায়ী বিল পরিশোধের সময় ঠিকাদারের কাছ থেকে আয়কর কেটে না রাখায় ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১০ লাখ ৮৬ হাজার টাকা আর্থিক ক্ষতি হয়েছে মর্মে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই তথ্য ঠিক নয়। ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরের অডিট আপত্তি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সরকার নির্ধারিত হারে আয়কর কর্তন না করায় ২,৬৮,৮১২ (দুই লাখ আটষট্টি হাজার আটশত বার) টাকার একটি আপত্তি রয়েছে যা প্রকল্পে কর্মরত হিসাবরক্ষকের অজ্ঞতার কারণে হয়েছে। আপত্তি নিষ্পত্তির জন্য ইতোমধ্যে জবাব দেওয়া হয়েছে। 

৫. কেনাকাটা : ২০টি শিশুকেন্দ্রের টেলিভিশন, ফ্রিজ, ওভেন এবং আইপিএস কোন ব্র্যান্ড, টেলিভিশন কত ইঞ্চি তা কার্যাদেশ, বিল এবং চালানে উল্লেখ না করা, ঠিকাদারের মাধ্যমে মালপত্র সরবরাহের আগে ডে কেয়ার কর্মকর্তাদের কাছে কার্যাদেশের বা চালানের কপি সরবরাহ না করা ইত্যাদির ফলে তারা মালপত্রের সঠিক পরিমাণ ও গুণগত মান বুঝে নিতে পারেননি। এই বিষয়গুলোও মূল্যায়ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আগের প্রকল্প পরিচালকের সময়ের। 
প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) ও প্রকল্প স্টিয়ারিং কমিটির (পিএসসি) অনুমোদন ছাড়া ডিপিপিবহির্ভূত পণ্য ক্রয় করা, সংশ্লিষ্ট নথিতে ব্যয় অনুমোদনের ক্ষেত্রে নোটে হিসাবরক্ষক এবং প্রকল্প পরিচালক ছাড়া কারও স্বাক্ষর না নেওয়া, পিআইসি ও পিএসসি পরিকল্পনা কমিশনের নির্ধারিত নিয়মে না করা ইত্যাদি বিষয়গুলোও আগের প্ৰকল্প পরিচালকের সময়ের অনিয়ম। 

প্রতিবেদকের বক্তব্য : প্রতিবেদনে এসব বিষয়কে প্রকল্পের অনিয়ম হিসেবে লেখা হয়েছে। এর জন্য কোনো নির্দিষ্ট প্রকল্প পরিচালককে দায়ী করা হয়নি। 

৬. শিশু উপস্থিতি কম, তবু অপেক্ষমাণ তালিকা : এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঢাকা জেলায় ১১টি ও অন্য ৯টি জেলায় ৯টিসহ সর্বমোট ২০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ (ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত) অর্থবছরে যথাক্রমে ১২৯৮ জন, ১৫৭১ ও ১৩০৭ শিশুকে সেবা প্রদান করা হয়েছে এবং আর্থিক আয় হয়েছে যথাক্রমে ৯১ লাখ ৯০ হাজার, এক কোটি ৯০ হাজার ও ৫৪ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। শিশু সেবামূল্যের পরিমাণ থেকে দেখা যায়, শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিশুদের সেবা প্রদান করা হচ্ছে। তবে শিশুদের অসুস্থতা ও অভিভাবকদের বিভিন্ন সমস্যার কারণে শিশুদের দিবাযত্ন কেন্দ্রে পাঠাতে পারে না এবং মাঝে মাঝে বিভিন্ন কারণে শিশু প্রতিদিন উপস্থিত হতে পারে না, সেজন্য প্রতিদিন কিছু শিশুর উপস্থিতি কম থাকে। কিন্তু ঢাকার প্রতিটি কেন্দ্রে ৬০ জন করে শিশু ভর্তি আছে। কাজেই এ বিষয়ে যে তথ্য উপস্থাপন করেছে তা সঠিক নয়।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : প্রতিবেদনে শিশুদের হাজিরা খাতার তথ্য নিয়ে ঢাকার পাঁচটি কেন্দ্রের চিত্র তুলে ধরা হয়। সেখানে ভর্তির জন্য অপেক্ষমাণদের সংখ্যাও উল্লেখ ছিল। 

৭. খাদ্য সরবরাহে অনিয়ম : দ্বিতীয় সংশোধিত মেয়াদ অনুযায়ী, প্রকল্পটি ২০২৫ সালের জুনে শেষ হয়। ফলে জুলাই থেকে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও মহাপরিচালকের মৌখিক নির্দেশে প্রকল্পের কার্যক্রম চালু রাখা হয়। একই সঙ্গে আগের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে খাদ্য সরবরাহ করতে বলা হয়। গত ৩১ ডিসেম্বর পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বৃদ্ধি করে। ফলে বিধি অনুযায়ী জুলাই থেকে খাদ্য সরবরাহের টাকা কীভাবে পরিশোধ করা হবে, তা বিবেচনাধীন আছে। এখানে কোনো অনিয়ম হয়নি।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : সমকালের প্রতিবেদনেও ঠিকাদারের বক্তব্যসহ এই তথ্যই লেখা হয়েছে। তবে প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির প্রশাসনিক আদেশে ১২টি শর্ত দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো– প্রকল্পের বিপরীতে উত্থাপিত সব অডিট আপত্তি দ্রুত সমাধান করতে হবে। আরডিপিপি বরাদ্দের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয়িত অর্থ দ্রুত সমন্বয় করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়নে গতিশীলতা বৃদ্ধি ও কাজের গুণগতমান মনিটরিংয়ের জন্য নির্ধারিত সময়ে নিয়মিত প্রকল্পের পিআইসি ও পিএসসি সভা করতে হবে। 

৮. একজনের ডিম খায় চার শিশু : প্রতিবেদনে উল্লেখ করা এই ঘটনা আগের প্রকল্প পরিচালকের সময়ে হয়েছে। বর্তমান পরিচালকের মূল্যায়নের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ডে কেয়ার অফিসারকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এই তথ্যটি ২০২৩ সালের হিসাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে বর্তমান প্রকল্প পরিচালকের যে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : সমকালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘২০২৩ সালেও শিশুখাদ্য বরাদ্দ বন্ধ ছিল আট মাস। তখন সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) দিবাযত্ন কেন্দ্রে চার শিশুকে একটি ডিম ভাগ করে খাওয়ানো হয়।’
বস্তুত, এই মূল্যায়ন প্রতিবেদনটি প্রকল্পের ডিসেম্বর ২০১৬ থেকে জুন ২০২০ সালের কার্যক্রম নিয়ে করা। এটি প্রকাশ হয় ২০২৩ সালের জুন মাসে। তথ্যে এই গরমিলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। 

আরও পড়ুন

×