রাশেদা কে. চৌধুরীর হুঁশিয়ারি
দলীয় ব্যক্তিকে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করলে আদালতে যাব
রাশেদা কে. চৌধুরী
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬ | ০৯:১৫ | আপডেট: ১৭ মার্চ ২০২৬ | ১০:১৫
| প্রিন্ট সংস্করণ
স্কুল পরিচালনা কমিটির (ম্যানেজিং কমিটি) সভাপতি হিসেবে দলীয় ব্যক্তিকে নিয়োগের সুযোগ নেই। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে আবার আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধুরী। সোমবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে আগামী দিনের শিক্ষা খাত: নতুন চিন্তা, নতুন কাঠামো ও নতুন পদক্ষেপ’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
সংলাপটির আয়োজন করে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যসহ শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকরা।
রাশেদা বলেন, শিক্ষা অবশ্যই একটি রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের বিষয় হতে পারে, তবে তা কোনোভাবেই দলীয় এজেন্ডায় পরিণত হওয়া উচিত নয়। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ২০১৭ সালে করা একটি রিটের পর হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিলেন, তা আপিল বিভাগও বহাল রেখেছে। সেই রায়ে বলা হয়েছে, কোনো দলীয় ব্যক্তিকে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি করা যাবে না। যদি এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আমরা আবার আদালতে রিট করব।
প্রতিমন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘দেশের প্রায় সব এলাকার প্রবীণ বা প্রভাবশালী ব্যক্তিরাই কোনো না কোনোভাবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত।’ তবে অনুষ্ঠানের সভাপতি দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, রাজনৈতিকভাবে পরিচিত হওয়া আর দলীয় পদে থাকা এক বিষয় নয়। কেউ যদি কোনো রাজনৈতিক দলের পদে থাকেন, তখনই প্রশ্ন তৈরি হয়।
জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ঈদের পর সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে নীতিমালা নির্ধারণ করা হবে।
তিন মাসের মধ্যে কারিকুলাম পরিবর্তনের চেষ্টা
সংলাপে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, সরকার তিন মাসের মধ্যে শিক্ষা কারিকুলামে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে। নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরুর আগেই পাঠ্যক্রমে প্রয়োজনীয় সংশোধনের পরিকল্পনা রয়েছে।
- বিষয় :
- সভাপতি
