জীবাশ্ম জ্বালানিতে অর্থায়ন বন্ধের সুপারিশ
মঙ্গলবার ঢাকার এক কনভেনশন সেন্টারে একশনএইড আয়ােজিত আলােচনা সভায় বক্তারা। ফটাে রিলিজ
সমকাল প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৮:০০
একশনএইডের এক সমীক্ষা অনুসারে, ২০১৬ সালে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত প্যারিস চুক্তি গৃহীত হওয়ার পর থেকে ব্যাংকগুলো জীবাশ্ম জ্বালানি সম্প্রসারণের জন্য ৩ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে; যা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণ। অন্যদিকে বাণিজ্যিক কৃষিতে ব্যাংকগুলো ব্যয় করেছে ৩৭০ বিলিয়ন ডলার, এটিও জলবায়ু পরিবর্তনের দ্বিতীয় প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
সমীক্ষার ফলাফল গত মঙ্গলবার ঢাকার একটি কনভেনশন সেন্টারে একশনএইড বাংলাদেশ আয়োজিত ‘ফান্ড আওয়ার ফিউচার’ ক্যাম্পেইনে উন্মোচন করা হয়। সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এটি জানানো হয়। প্রতিবেদনে জীবাশ্ম জ্বালানি এবং ক্ষতিকারক বাণিজ্যিক কৃষি কার্যক্রমের অর্থায়ন বন্ধের সুপারিশ করা হয়।ক্যাম্পেইন উদ্বোধনের সময় এক প্যানেল আলোচনায় প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘জলবায়ু সংকটের সমাধান করতে এবং নীতি কার্যকর করতে একটি সামগ্রিক কাঠামো তৈরি করতে হবে। বাংলাদেশের কোনো সুস্পষ্ট নেট শূন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন লক্ষ্যমাত্রা নেই, যা থাকা প্রয়োজন এবং টেকসই সমাধানের জন্য মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে বৃহত্তর সমন্বয় প্রয়োজন।
আইসিসিসিএডির পরিচালক ড. সালেমুল হক বলেন, ধনী ব্যক্তিরা সমস্যা তৈরি করছে এবং দরিদ্র মানুষ তার পরিণাম ভোগ করছে। জলবায়ু অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রত্যেককে সোচ্চার হতে হবে।
একশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে যে কীভাবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো আমাদের জলবায়ু সংকটের মূল চালক। সুন্দর পৃথিবীর জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীদের দায়িত্বের সঙ্গে অর্থায়ন করতে হবে। সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানিতে ভর্তুকি থেকে সরে এসে বিকল্প টেকসই রুটের জন্য তা কাজে লাগাতে পদক্ষেপ নিতে হবে।
- বিষয় :
- একশনএইড
- জীবাশ্ম জ্বালানি
- বিনিয়োগ
