ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক

চিকিৎসার প্রয়োজনে ১০ লাখ টাকা তুলতে পারেন আমানতকারী

চিকিৎসার প্রয়োজনে ১০ লাখ টাকা তুলতে পারেন আমানতকারী
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ | ২১:০৮

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য ঘোষিত স্কিমের বাইরে চিকিৎসার প্রয়োজনে টাকা তুলতে পারছেন। গ্রাহকদের মধ্যে কেউ মরণব্যাধি ক্যান্সার বা কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য প্রয়োজনীয় যে কোনো অংকের টাকা তুলতে পারেন। অন্য অসুস্থতার ক্ষেত্রে চিকিৎসার প্রয়োজনে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারছেন। এর বেশি দরকার হলে সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করতে হয়। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

জানা গেছে, আহসান এইচ মনসুর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর থাকা অবস্থায় চিকিৎসার প্রয়োজনে এই নিয়মে অর্থ ছাড়ের মৌখিক নির্দেশনা দেন। সে আলোকে এসব ব্যাংক থেকে কোনো–কোনো গ্রাহক চিকিৎসার প্রয়োজনে টাকা উত্তোলনের সুযোগ পেয়েছেন। অন্য ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঘোষিত স্কিমের আলোকে প্রথমে শুরুতে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারছেন। পরবর্তী প্রতি তিন মাসে তোলা যাবে আরও ২ লাখ টাকা। আর মেয়াদি আমানতের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেয়াদ বাড়ছে।

শরীয়াহভিত্তিক পরিচালিত– এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়। ব্যাংকটির ৩৫ হাজার কোটি টাকা মূলধনের মধ্যে সরকার দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। আমানতকারীদের মধ্যে বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকার মূলধন দেওয়া হবে।

শাহরিয়ার সিদ্দিকী জানান, অর্থ ছাড়ের আগে চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা খতিয়ে দেখে প্রশাসকরা অর্থ ছাড় করে থাকেন। শর্ত পূরণের পরও কোনো গ্রাহক অর্থ তুলতে না পারলে তিনি সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অভিযোগ করতে পারবেন। আবার কারও যদি ১০ লাখ টাকার বেশি অর্থ প্রয়োজন হয় সে ক্ষেত্রে তিনি ওই শাখার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করতে পারেন। সব তথ্য যাচাই করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে। আমানতকারীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, গ্রাহকরা এত দিন যথেষ্ট ধৈর্য দেখিয়েছেন। সবাই তাদের অর্থ পাবেন।

তিনি জানান, ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান আছে। সরকারের দিক থেকে এ জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আসলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া একই জায়গায় একাধিক শাখা থাকলে তা একীভূত করার কাজ চলমান আছে। পাশাপাশি আইটি এন্ট্রিগেশনের কাজও দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা অব্যাহত আছে। সব মিলিয়ে ব্যাংকটিকে দ্রুত লাভজনক পর্যায়ে নেওয়ার লক্ষ্যে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন

×