ঢাকা বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিধান একত্র করে নতুন সার্কুলার

বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিধান একত্র করে নতুন সার্কুলার
×

ফাইল ছবি

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৭:৫১ | আপডেট: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ১৮:০২

বৈদেশিক লেনদেন আরও সহজ করতে নতুন বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে ঋণ, ওভারড্রাফট ও গ্যারান্টি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিধান একত্র করা হয়েছে। নতুন সার্কুলারটি এক বছরের জন্য কার্যকর থাকবে।

আজ বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, গত বছরের একই সময়ে এ বিষয়ে এক বছরের জন্য নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। এর ধারাবাহিকতায় নতুন সার্কুলার জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগের সংশ্লিষ্ট নির্দেশনাগুলো রহিত করা হয়েছে।

নতুন সার্কুলারটি তিনটি অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশে ঋণ, ওভারড্রাফট ও গ্যারান্টি সংক্রান্ত বিধান রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্যিক ঋণ, বিদেশি গ্যারান্টি বা জামানতের বিপরীতে বেসরকারি ঋণ এবং দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য বিভিন্ন ধরনের গ্যারান্টির বিধান।

দ্বিতীয় অংশে বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় বিধিবিধান নির্ধারণ করা হয়েছে। আর তৃতীয় অংশে বিদেশ থেকে ঋণ গ্রহণ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানের জন্য বিধানের পাশাপাশি বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের নিশ্চয়তা হিসেবে গ্যারান্টি দেওয়ার বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তবে বিদেশি মালিকানাধীন বা বিদেশি নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠানের ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের ১৫ জুলাই বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগ থেকে জারি করা নির্দেশনা বহাল থাকবে।

নতুন সার্কুলারে বিদেশি ব্যাংক গ্যারান্টি বা স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিটের (এসবিএলসি) বিপরীতে দেশীয় উৎস থেকে অর্থায়ন নেওয়ার সুযোগও রাখা হয়েছে। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বিদেশি কোম্পানিকে দেওয়া চুক্তি বা কার্যাদেশের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্তৃপক্ষ বা ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি বা এসবিএলসি দেওয়ার বিধান রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ঋণ, ওভারড্রাফট ও গ্যারান্টি সংক্রান্ত বিধানগুলো এক জায়গায় আনার ফলে বৈদেশিক লেনদেনের প্রক্রিয়া সহজ হবে। বিশেষ করে বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলো এ সুবিধা পাবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এ উদ্যোগকে বৈদেশিক মুদ্রা সংক্রান্ত বিধিবিধান সরলীকরণ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আর্থিক লেনদেন আরও সহজ ও স্বচ্ছ করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন

×