‘করোনাকাল গেলে সব বন্ধুদের দাওয়াত করে খাওয়াব’
বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২০ | ০৪:১৬ | আপডেট: ০৯ এপ্রিল ২০২০ | ০৪:৫১
তারকার দুনিয়া শুধু লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তারা রান্নায়ও সিদ্ধহস্ত। রান্নাঘরে ঝড় তুলে হাজির করেন একের পর এক বাহারি খাবার। খাবারের সেই পদগুলো প্রিয়জনদের মুগ্ধ করে। যে জন্য রান্নাঘর ভরে ওঠে হরেক রকম রান্নার সুবাসে। প্রতিদিন না হলেও উৎসবের দিনগুলোয় পাকা রাঁধুনি বনে যান পূর্ণিমা। সে কথাই জানালেন এই তারকা অভিনেত্রী-
অভিনেত্রী পরিচয়ের বাইরে আমাকে অনেকেই ভোজনরসিক হিসেবে চেনেন। তবে রান্না ঘরেও কর্তৃত্ব কম নয়। পরিবার আর কাছের বন্ধুরা আমার রান্নার খুব ভক্ত। সত্যি কথা বলতে, ডেজার্ট আইটেম যেমন ভালো রান্না করতে পারি, অন্য আইটেমও ভালো পারি। আমার হাতের চিকেন স্টেক, চিকেন সিজলার যারা খেয়েছেন, তারা সবাই রান্নার প্রশংসা করেছেন। পহেলা বৈশাখ দ্বারে কড়া নাড়ছে। নতুন বছর, নতুন স্বপ্ন। তবে এবারের বৈশাখ অন্যরূপে আমাদের সামনে হাজির হতে যাচ্ছে। মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবে বৈশাখের আনন্দ অনেকটাই ম্লান। ঘরবন্দি সময় কাটছে সবার। প্রতি বছর বৈশাখ এলে বাসায় মজার মজার রান্না হতো। এবার সেই চিত্র একেবারেই উল্টো। খুব সাদামাটাভাবেই কাটবে বৈশাখ। থাকবে না মেহমানদারি। যে জন্য পরিবারের সবাই মিলে বৈশাখ উদযাপন করব।

প্রতি পহেলা বৈশাখেই নানা রকম ভর্তা নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয় আমার। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। রান্নাঘরে সদাপ্রস্তুত থাকব আমি। ভর্তাকে অনেকেই হেলা করেন। এটা ঠিক নয়। সুস্বাদু ভর্তা তৈরিও কিন্তু বেজায় কঠিন কাজ... হা হা হা। এবার থাকবে আলু ভর্তা, মরিচ ভর্তা, শুঁটকি ভর্তা, বেগুন ভর্তাসহ হরেক রকমের আয়োজন। পরিবারের সবাই মিলে মজা করে খাব এসব। এদিনে পান্তা-ইলিশ পাতে না উঠলে কি হয়! বৈশাখে আমার রসুইঘর ভরে উঠবে পান্তা-ইলিশে। তবে স্পেশাল হিসেবে থাকবে গরুর মাংস ভুনা আর শুঁটকি। ভাবছি, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি হলেই বন্ধু-বান্ধবদের দাওয়াত করে খাওয়াব। নতুন নতুন রেসিপি দিয়ে অতিথি আপ্যায়ন করব।
এখন শুধু দিন গোনা এবং এসো হে বৈশাখের প্রতীক্ষা। বৈশাখ এলে শৈশবের কথা খুব মনে পড়ে। দিনটি আসার আগ থেকেই মনে এক অনাবিল আনন্দ দোলা দিত। সারাদিন বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে ঘোরাঘুরি। বিভিন্ন ধরনের রান্নাবান্নায় আম্মুকে সহযোগিতা, হৈ-হুল্লোড়- এভাবেই কেটে যেত এই বিশেষ দিন।
