ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

স্ত্রীর চাপে যুক্ত হন সিনেমায়, ট্যুরে বদলে যায় হৃতিকের জীবন

স্ত্রীর চাপে যুক্ত হন সিনেমায়, ট্যুরে বদলে যায় হৃতিকের জীবন
×

সুজান খান ও হৃতিক রোশন

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ আগস্ট ২০২৫ | ১৭:৩৭ | আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৫ | ১৭:৪৮

বলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ নিয়ে এক অজানা তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। অভিনেতা হৃতিক রোশন জানিয়েছেন, তিনি প্রায় এই সিনেমাটি করতে রাজি হচ্ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত হৃতিকের তৎকালীন স্ত্রী সুজান খানই তাকে রাজি করান সিনেমায় কাজ করতে।

সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া প্রীতি জিনতার শো ক্লোজ অ্যান্ড পার্সোনাল-এর এক পুরনো সাক্ষাৎকারে হৃতিক এই ঘটনার কথা শেয়ার করেন। তিনি জানান, পরিচালক জয়া আখতার যখন তার বাড়িতে গল্প শোনাতে যান তখন একটি শর্ত দেন। তা হল- সুজানকে অবশ্যই সেই সময় উপস্থিত থাকতে হবে।

হৃতিক বলেন, ‘জয়া যখন আমার বাড়িতে এসেছিলেন, তার একটি শর্ত ছিল-সুজানকে মিটিংয়ে থাকতে হবে। যদি সে না থাকত, আমি সম্ভবত ছবিটি করতাম না।’

সুজানের উৎসাহ হৃতিককে সিনেমাটি করার সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাবিত করে। এমনকি জয়া আখতার শুরুতেই ক্রেডিটে সুজানকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান, কারণ তার জন্যই হৃতিক এটা করতে রাজি হন।

হৃতিক বলেন, ‘আমি গল্পটি ভীষণ পছন্দ করি। ভেবেছিলাম- এটা অবশ্যই বানানো উচিত। আর সুজান তখন আমাকে এটাতে অভিনয়ের জন্য অনুরোধও করেছিল, যেন আমি হ্যাঁ বলি। তার চাপাচাপিতে তখন আর না বলতে পারিনি।’


‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ সিনেমার একটি দৃশ্য। ছবি: নেটফ্লিক্স

‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ সিনেমায় হৃতিক ছিলেন এক কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ, যিনি টাকার পেছনে ছুটতে ছুটতে ব্যক্তিগত জীবনকে অবহেলা করছিলেন। পরে দুই স্কুলবন্ধুর সঙ্গে একটি ট্রিপে বেরিয়ে এবং ক্যাটরিনা কাইফের চরিত্রের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর তার জীবনে আসে বদল। ভালোবাসা ও জীবনের প্রকৃত মানে খুঁজে পান তিনি।

সিনেমাটি মুক্তি পায় ২০১১ সালের ১৫ জুলাই। ৫৫ কোটি রুপিতে নির্মিত সিনেমাটি সেই সময় ১৫৩ কোটি রুপি আয় করে।

২০০০ সালে হৃতিক ও সুজান বিয়ে করেছিলেন। তাদের দুই ছেলে হৃহান ও হৃদান। তবে ২০১৪ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তবুও তারা বন্ধু হিসেবে রয়েছেন এবং একসঙ্গে সন্তানদের দেখাশোনা করেন।

বর্তমানে হৃতিকের সঙ্গে অভিনেত্রী সাবা আজাদের সঙ্গে সম্পর্কের কথা শোনা যাচ্ছে। আর সুজান আছেন আর্সলান গোণির সঙ্গে। সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

আরও পড়ুন

×