ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত মাহবুবা রহমান

মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত মাহবুবা রহমান
×

মাহবুবা রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬ | ২৩:৩৬ | আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ | ২৩:৩৭

রাজধানীর মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে দেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর সংগীতশিল্পী মাহবুবা রহমানকে। শুক্রবার বাদ জুমা মগবাজার ওয়্যারলেস জামে মসজিদে জানাজা শেষে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

মাহবুবা রহমানের মেয়ে সংগীতশিল্পী রুমানা ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, শুক্রবার বাদ জুমা মগবাজার ওয়্যারলেস জামে মসজিদে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মরদেহ শেষবারের মতো বাসায় আনা হয়। আত্মীয়স্বজন ও পরিবারের মানুষজন শেষবার তাকে একনজর দেখে বিদায় দেন। মরদেহ নেওয়া হয় মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে সেখানেই সমাহিত করা হয় তাকে।

ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মারা যান মাহবুবা রহমান। বার্ধক্যের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। বছরখানেক কথাবার্তা বলতেও পারতেন না। সম্প্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী মাহবুবা রহমান ‘মুখ ও মুখোশ’ চলচ্চিত্রে ‘মনের বনে দোলা লাগে’ গানে কণ্ঠ দিয়ে আলোচনায় আসেন। পরে ফতেহ লোহানীর ‘আসিয়া’ সিনেমায় ‘আমার গলার হার খুলে নে ওগো ললিতে’ গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পান।

মাহবুবা রহমানের অন্যান্য জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘আমার যদি থাকত পাখির ডানা’, ‘আমার না বলা কথা’, ‘সোনালি এই ধানের খেতে’, ‘আগে জানি না রে দয়াল’, ‘তুমি দাও দেখা দরদি’, ‘আমার বন্ধু বিনোদিয়া’, ‘আজকে আমার মালঞ্চে ফুল ফোটে নাই’ ও ‘আমার মন ভালো না গো প্রাণ ভালো না গো’।

‘জাগো হুয়া সাভেরা’, ‘আসিয়া’, ‘রাজা সন্ন্যাসী’, ‘এ দেশ তোমার আমার’, ‘যে নদী মরুপথে’, ‘কখনো আসেনি’, ‘সূর্যস্নান’, ‘সোনার কাজল’, ‘নবাব সিরাজউদ্দৌলা’, ‘সাত ভাই চম্পা’র মতো ঢাকার প্রথম দিকের অনেক সিনেমায় প্লেব্যাক করেছেন তিনি।

আরও পড়ুন

×