চীনের অর্থনৈতিক সমস্যা বিশ্বে যে বার্তা দিচ্ছে
ছবি-সংগৃহীত
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৬:৫১ | আপডেট: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১৬:৫১
একটি প্রবাদ আছে– যুক্তরাষ্ট্র যখন হাঁচি দেয়, তখন পুরো বিশ্বে ঠান্ডা লাগে; কিন্তু চীন অসুস্থ হলে কী হয়। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক দেশ চীনে ১.৪ বিলিয়নেরও বেশি লোকের বসবাস। তবে সেই দেশটি ধীর প্রবৃদ্ধি, প্রবল বেকারত্বসহ নানা সমস্যার কারণে অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে। এই সমস্যাগুলো বেইজিংয়ের জন্য একটি বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে বিশ্বের ওপর এর প্রভাব কতটা পড়তে পারে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, এ সংকট বৈশ্বিক বিপর্যয়ের উদ্বেগকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। তবে বহুজাতিক করপোরেশন, তাদের কর্মী এবং চীনের সঙ্গে সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই– এমন ব্যক্তিরা অন্তত কিছু প্রভাব অনুভব করতে পারেন। তবে শেষ পর্যন্ত এটা নির্ভর করে আপনি কে তার ওপর।
এ বিষয়ে সিঙ্গাপুরের এশিয়ান ট্রেড সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ডেবোরা এলমসকে বলেন, উত্তরটি ততটা নয় যতটা আপনি কল্পনা করতে পারেন। তবে এর প্রভাব এমন সংস্থাগুলোর ওপর আঘাত করতে পারে, যাদের সরাসরি চীনা পণ্য ব্যবহারের ওপর নির্ভর করতে হয়।
চীনের অর্থনীতি সম্পর্কে গত ছয় মাস ধরে একের পর এক দুঃসংবাদ আসছে। এর মধ্যে আছে– প্রবৃদ্ধির ধীরগতি, তরুণদের মধ্যে রেকর্ড বেকারত্বের হার, বিদেশি বিনিয়োগে ভাটা, দুর্বল রপ্তানি আয়, স্থানীয় মুদ্রার দরপতন এবং আবাসন শিল্পে সংকট।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন চীনের অর্থনীতিকে ‘টিকিং টাইম বম্ব’ অর্থাৎ ক্রমশ এক বিপর্যয়ের দিকে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আশঙ্কা করছেন, চীনে অসন্তোষ আরও বাড়বে। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর পাল্টা জবাব দিয়ে বলেছেন, চীনের অর্থনীতি অনেক টেকসই, এর সম্ভাবনা দারুণ– আর আছে অনেক প্রাণশক্তি।
চীনের অর্থনীতি খুব সহসাই ধসে পড়বে– এমন সম্ভাবনা কম। তবে চীনের সামনে আছে অনেক চ্যালেঞ্জ, যার মূল অনেক গভীরে। যার কিছুটা প্রভাব পড়তেই পারে বিশ্বজুড়ে। খবর বিবিসির।
- বিষয় :
- চীন
- বেকারত্ব
- অর্থনৈতিক সংকট
