মানুষকে তো খেয়ে বাঁচতে হবে: জিবুতির পররাষ্ট্রমন্ত্রী
×
জিবুতির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলি ইউসুফ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ মে ২০২০ | ০৬:২৪ | আপডেট: ৩০ নভেম্বর -০০০১ | ০০:০০
পূর্ব আফ্রিকার সবচেয়ে বেশি করোনাক্রান্তের দেশ জিবুতি। দেশটিতে লকডাউন চলছে। কিন্তু এরই মধ্যে স্থবিরতা নেমে এসেছে অর্থনীতিতে। দেশটিতে এ পর্যন্ত ১,১৮৯ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মারা গেছে তিনজন। তবুও দেশটি এখন লকডাউন শিথিল করার কথা ভাবতে বাধ্য হচ্ছে।
সোমবার দেশটির কর্তৃপক্ষ একথা বলেছে। খবর আল জাজিরার
রোববার জিবুতির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলি ইউসুফ এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘জিবুতিতে আগামীকাল থেকে লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে। এটা খুব বড়ধরনের ঝুঁকি নেয়া হচ্ছে বটে। কিন্তু আমাদের অন্য উপায় নেই। মানুষকে বাঁচতে হলে কাজ করতে হবে।
তবে লকডাউন তুলে ফেলা হলেও কঠোরভাবে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কথাও বলেন তিনি। আর মাস্ক অবশ্যই বাধ্যতামূলক করা হবে।
গণপরিবহন চালু করে দেয়া হবে। খুলে দেয়া হবে উপাসনাগারগুলোও। সীমান্তগুলো বন্ধ থাকবে, তবে কেউ যদি করোনার ব্যাপারে সবধরনের নিয়ম মেনে আসতে চায়, মানবিক বিবেচনায় তাদের ঢোকার অনুমতি দেয়া হবে।
আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (আফ্রিকা সিডিসি) বলেছে, জিবুতির মাত্র ১০ লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে করোনা সংক্রমণ বেশিই হয়েছে।
গত ২৩ মার্চ দেশটিতে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এর ফলে দেশটির সীমান্ত বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ করে দেয়া হয় উপাসনাগারও। গণপরিবহন চলাচলও নিষিদ্ধ করা হয়।
সোমবার দেশটির কর্তৃপক্ষ একথা বলেছে। খবর আল জাজিরার
রোববার জিবুতির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদ আলি ইউসুফ এক টুইট বার্তায় বলেন, ‘জিবুতিতে আগামীকাল থেকে লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে। এটা খুব বড়ধরনের ঝুঁকি নেয়া হচ্ছে বটে। কিন্তু আমাদের অন্য উপায় নেই। মানুষকে বাঁচতে হলে কাজ করতে হবে।
তবে লকডাউন তুলে ফেলা হলেও কঠোরভাবে সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কথাও বলেন তিনি। আর মাস্ক অবশ্যই বাধ্যতামূলক করা হবে।
গণপরিবহন চালু করে দেয়া হবে। খুলে দেয়া হবে উপাসনাগারগুলোও। সীমান্তগুলো বন্ধ থাকবে, তবে কেউ যদি করোনার ব্যাপারে সবধরনের নিয়ম মেনে আসতে চায়, মানবিক বিবেচনায় তাদের ঢোকার অনুমতি দেয়া হবে।
আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (আফ্রিকা সিডিসি) বলেছে, জিবুতির মাত্র ১০ লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে করোনা সংক্রমণ বেশিই হয়েছে।
গত ২৩ মার্চ দেশটিতে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এর ফলে দেশটির সীমান্ত বন্ধ হয়ে যায়। বন্ধ করে দেয়া হয় উপাসনাগারও। গণপরিবহন চলাচলও নিষিদ্ধ করা হয়।