ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

নিজেকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা লালুপুত্রের  

নিজেকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা লালুপুত্রের  
×

ছবি-সংগৃহীত

সমকাল ডেস্ক

প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৫ | ২২:৪৬

ভারতের লোকসভার বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর সামনেই নিজেকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ঘোষণা করেছেন সেখানকার বর্ষিয়ান নেতা লালুপ্রসাদ যাদবের ছেলে তেজস্বী যাদব। গত শনিবার বিহারে রাহুলের নেতৃত্বে বিরোধী জোট ইন্ডিয়ার এক বিশাল সমাবেশে তেজস্বী এই ঘোষণা দেন। বিহার নির্বাচনকে ঘিরে ইন্ডিয়া জোটের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধী এতদিন মুখ বন্ধ রেখেছিলেন। কিন্তু শনিবারের ওই জনসভায় রাহুল গান্ধী ও সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদবের উপস্থিতিতেই রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি)-এর তেজস্বী এই ঘোষণা দেন। 

এ দিন জনসভা থেকে বিহারের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নিতিশ কুমারকে তীব্র আক্রমণ করেন জেতস্বী। নিতিশ কুমারকে নকল মুখ্যমন্ত্রী আখ্যায়িত করে তেজস্বী বলেন, তিনি আমাকে নকল করছেন। তেজস্বী এগিয়ে চলেছেন আর সরকার পিছনে পিছনে হাঁটছে।’ এর পরে জনতার উদ্দেশে তেজস্বী প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন, ‘আপনারা কি আসল মুখ্যমন্ত্রী চান? আমাদের একজন আসল মুখ্যমন্ত্রীর প্রয়োজন। 

তেজস্বী রাহুলের নেতৃত্বে ইন্ডিয়া জোটের চলমান ‘ভোটের অধিকার যাত্রা’-কে ঐতিহাসিক বলেও আখ্যা দেন। তিনি বলেন, ‘বিজেপি ভয় পাচ্ছে। তাই তারা তেজস্বীর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায়। কিন্তু আরও অনেক কিছু বাকি আছে যা আমরা ভোটের বিজ্ঞপ্তি আসার পর বলবো। 

তেজস্বীকে সমর্থন করেছেন সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদবও। তিনি বলেন, তেজস্বী ইতিমধ্যেই যোগ্য নেতা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। বিশেষ করে রেকর্ডসংখ্যক চাকরি দিয়ে। তিনিই মুখ্যমন্ত্রী পদের যোগ্য দাবিদার।

বিহারের সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব ও রাবড়ী দেবীর ছেলে তেজস্বী একজন প্রাক্তন পেশাদার ক্রিকেটার। ক্রিকেট ক্যারিয়ার শেষে তিনি বিহারের উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তেজস্বী দীর্ঘদিন ধরেই ইন্ডিয়া মহাজোটকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করছেন। গত নির্বাচনে যদিও আরজেডিকে বিরাট সাফল্য এনে দিয়েছিলেন, তবুও মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে শেষ পর্যন্ত জায়গা করে নিতে পারেননি। তিনি হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের ডেপুটি। এবার তিনি রাহুলকে সামনে রেখে বিরোধী ভোটকে একত্রিত করার কৌশল নিয়েছেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত। খবর এনডিটিভির।

আরও পড়ুন

×