ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

কোল ইন্ডিয়ার ঘোষণা

ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের

ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের
×

 সমকাল ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ | ০৮:৪৪

| প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ, ভুটান ও নেপালের ক্রেতারা এখন সরাসরি কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড (সিআইএল) থেকে কয়লা কিনতে পারবেন। গত শুক্রবার ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, প্রতিবেশী দেশগুলো এখন থেকে অনলাইনে তাদের কয়লার নিলামে অংশ নিতে পারবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রতিবেশী দেশগুলোর ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ওপর নির্ভরশীলতা কমবে।

পিটিআই ও রয়টার্সের খবর অনুসারে, এই উদ্যোগের ফলে কোল ইন্ডিয়া উদ্বৃত্ত কয়লা আরও ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারবে এবং লেনদেনে স্বচ্ছতা বাড়বে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ায় ভারতের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন গত ১২ মাসের মধ্যে সাত মাসেই কমেছে। চলতি অর্থবছরের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর সময়ে কোল ইন্ডিয়ার কয়লা সরবরাহ আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে।

ডিসেম্বরে ভারত সরকার বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উদ্বৃত্ত কয়লা রপ্তানির অনুমোদন দেয়। এতদিন ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলো ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে কয়লা কিনত। কয়লা ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান আই-এনার্জি ন্যাচারাল রিসোর্সেসের তথ্য অনুযায়ী, নভেম্বর পর্যন্ত এক বছরে ভারত প্রায় ১৫ লাখ ৪০ হাজার টন কয়লা রপ্তানি করেছে। যার বেশির ভাগই গেছে বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানে।
এলারাস সিকিউরিটিজের গবেষণা বিশ্লেষক রূপেশ শঙ্খে বলেন, দেশের ভেতরে কয়লার চাহিদা কম থাকায় কোল ইন্ডিয়ার ই-নিলামে প্রিমিয়াম কমেছে। বিদেশি ক্রেতাদের জন্য সমান সুযোগ তৈরি হলে কোম্পানির মুনাফা বাড়তে পারে এবং কয়লা বিক্রি কমে যাওয়ার প্রবণতা উল্টে যেতে পারে।

আই-এনার্জি ন্যাচারাল রিসোর্সেসের পরিচালক বাসুদেব পামনানি বলেন, এসব দেশ আগে ব্যবসায়ীদের মাধ্যমেই কোল ইন্ডিয়ার কয়লা কিনত। নিলামে সরাসরি অংশ নিলে সেই চাহিদাই প্রতিস্থাপিত হবে, নতুন করে অতিরিক্ত চাহিদা তৈরি হবে না।

তিনি আরও বলেন, অভ্যন্তরীণ পরিবহন ও বন্দর ব্যয়ের কারণে ভারতের কয়লা ইন্দোনেশিয়ার তুলনায় ব্যয়বহুল। কারণ ইন্দোনেশিয়ার অবকাঠামো ভালো এবং খরচ কম হওয়ায় তারা বাংলাদেশে তুলনামূলক সস্তায় কয়লা সরবরাহ করতে পারে।

আরও পড়ুন

×