ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সৌদি, আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েতে একের পর এক সাইরেন, বিস্ফোরণ

সৌদি, আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েতে একের পর এক সাইরেন, বিস্ফোরণ
×

বাহরাইনে বিস্ফোরণের পর উড়ছে ধোঁয়া। ছবি: বিবিসির সৌজন্যে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৬:০২ | আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৬:০৫

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার জবাব দিতে শুরু করেছে ইরান। শনিবার দুপুরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সংকেত বেজে ওঠে। দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক ও নৌ ঘাঁটি আছে।

কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা টেলিভিশনে সরাসরি প্রচারিত খবরে দেখা গেছে, সাইরেন বেজে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তায় থাকা পথচারীরা নিরাপদ স্থানের উদ্দেশে ছুঁটতে শুরু করছেন। মধ্যপ্রাচ্যের এসব দেশ থেকে আলজাজিরার সংবাদে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়েছিলেন বিশ্লেষকরা। তারাও সাইরেন বেজে ওঠার পর সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।

আলজাজিরার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এরই মধ্যে আমিরাতের আবুধাবি, সৌদি আরবের রিয়াদ, বাহরাইন ও কুয়েতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এই দেশগুলো তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে। 

কাতারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূমিতে আঘাত করার আগেই নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হুমকি শনাক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পূর্ব-অনুমোদিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা অনুযায়ী তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সবকটি ক্ষেপণাস্ত্র কাতারি ভূখণ্ডে পৌঁছানোর আগেই ভূপাতিত করা হয়েছে।

আলজাজিরা তাদের লাইভ ব্লগে জানিয়েছে, মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি পাঠানোর পরপরই রাজধানী দোহায় দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। 

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে কুয়েত, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমানে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক ঘাঁটি পরিচালনা করে। মধ্যেপ্রাচ্যে সবমিলিয়ে ১৯টি স্থানে ঘাঁটি আছে। এগুলোতে ৪০ থেকে ৫০ হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করেন।

আরও পড়ুন

×