বাজার থেকে আসল ডিম কিনছেন তো? বুঝে নিন ৪ উপায়ে
ছবি: সংগৃহীত
শৈলী ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ | ১৬:৩৬ | আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ | ১৭:৩১
বাজারে কখনো কখনো নকল বা প্লাস্টিকের ডিম পাওয়া যায়। প্লাস্টিকের ডিমকে রাসায়নিক, রেজিন বা প্লাস্টিক উপাদান দিয়ে তৈরি মনুষ্যসৃষ্ট পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা দেখতে আসল ডিমের মতো। সেসব ডিমে কোনো উপকার তো নেই, বরং সেগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। আবার অনুপযুক্ত সংরক্ষণ, অন্যান্য কারণে আসল ডিমের আদলও বদলে যায়।
ঠিকমতো সংরক্ষণ না করা বা নষ্ট হয়ে যাওয়া ডিম খেলে খাদ্যে বিষক্রিয়া, পেটের সংক্রমণ এবং ডায়রিয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে নিউজ১৮-এর এক প্রতিবেদনে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, গর্ভবতী নারী এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের খাদ্যবাহিত অসুস্থতার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই ডিমের সতেজতা এবং সঠিক সংরক্ষণের দিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি। একটি ডিম আসল না নকল, তা নিশ্চিতভাবে নির্ধারণ করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো ল্যাব পরীক্ষা। তবে ঘরেই এর সতেজতা এবং সাধারণ গুণমান যাচাই করার জন্য কিছু সহজ পদ্ধতি রয়েছে।
১. ডিম পরীক্ষা করার জন্য একে কানের কাছে ধরে আলতো করে ঝাঁকান। তাজা ডিমে সাধারণত শব্দ হয় না বা ভেতরে নড়াচড়া অনুভূত হয় না। পুরোনো ডিমে ভেতরের পরিবর্তনের কারণে হালকা শব্দ হতে পারে বা তরল পদার্থ নড়তে পারে।
২. ডিমের উপরিভাগের দিকে মনোযোগ দিন। আসল ডিমের খোসার উপরিভাগ সাধারণত কিছুটা অমসৃণ বা দানাদার হতে পারে। যদি ডিমটি অস্বাভাবিকভাবে মসৃণ, চকচকে বা মোমের মতো দেখায়, তবে এর গুণমান বিবেচনা করা উচিত। তবে কেবল উপরিভাগ দেখে ডিমকে নকল বলে নির্ধারণ করা যায় না।
৩. গন্ধ দ্বারা শনাক্ত করুন। একটি নষ্ট ডিমে অপ্রীতিকর বা তীব্র গন্ধ থাকতে পারে। কখনো কখনো, ডিম ভাঙার আগেও এর খারাপ হওয়ার লক্ষণ বোঝা যায়। যদি কোনও ডিমে অস্বাভাবিক গন্ধ থাকে, তবে সেটি না খাওয়াই ভালো।
৪. ডিমের খোসার রঙ মুরগির জাত ও ধরনের উপর নির্ভর করে। ডিম সাদা, অফ-হোয়াইট, হালকা বাদামি বা গাঢ় বাদামি হতে পারে। তাই শুধু খোসার রঙ দেখে ডিমটি আসল না নকল তা নির্ধারণ করা যায় না। যদি ডিমটি অস্বাভাবিকভাবে বেশি মসৃণ দেখায় অথবা এর রঙ ও গঠনে একটি অস্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য থাকে, তবে এর গুণমান নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে।