ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দলীয় বিবেচনায়’ উপাচার্য নিয়োগের অভিযোগ জামায়াত-শিবিরের

বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দলীয় বিবেচনায়’ উপাচার্য নিয়োগের অভিযোগ জামায়াত-শিবিরের
×

ছবি: সংগৃহীত

সমকাল প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬ | ২২:২৮

১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘দলীয় বিবেচনায়’ উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে অভিযোগ করে প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। পৃথক বিবৃতিতে প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবিরও।

জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জনগণ মনে করে এসব নিয়োগে যোগ্যতা, নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতার পরিবর্তে দলীয় আনুগত্য ও রাজনৈতিক বিবেচনাকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ দলীয়করণের সংস্কৃতি চালু জাতির জন্য উদ্বেগজনক।

স্থানীয় সরকারে বিএনপি নেতাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগের উদাহরণ দিয়ে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের পরিবর্তে দলীয় বিবেচনায় প্রশাসক নিয়োগ গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সরকার অগণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা থেকে সরে আসেনি; বরং দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও বিস্তৃত করা হচ্ছে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তবুদ্ধি, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার কেন্দ্র। সেখানে দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ শিক্ষার পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি হয় এবং শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক একাডেমিক পরিবেশ বিনষ্ট হয়।

শিবিরের সভাপতি নুরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ বিবৃতিতে বলেছেন, নিরপেক্ষতা ও আইনি বাধ্যবাধকতাকে তোয়াক্কা না করে রাজনৈতিক আনুগত্য ও দলীয় পরিচয়কে প্রাধান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল শিক্ষাখাতকে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতির অভিশাপ থেকে মুক্ত করা। কিন্তু এই গণআকাঙ্ক্ষাকে সম্পূর্ণ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হয়েছে। নিয়োগগুলো কোনো মেধাভিত্তিক সার্চ কমিটির মাধ্যমে হয়নি, বরং এটি সম্পূর্ণ রাজনৈতিক ও দলীয় তুষ্টির প্রতিফলন। নিয়োগপ্রাপ্তদের বড় অংশই ক্ষমতাসীন দলের শিক্ষক প্যানেল ‘সাদা দল’ এবং ‘জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম’-এর পরিচিত মুখ বা সক্রিয় সংগঠক।

আরও পড়ুন

×