সহজে পণ্য বিক্রি ও ডিলার নিয়ন্ত্রণে টিসিবিতে ডিজিটাল রূপান্তর
ইনফোগ্রাফ, সমকাল
জসিম উদ্দিন বাদল
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬ | ০৭:৪৪ | আপডেট: ১৭ অক্টোবর ২০২৬ | ১৮:২৯
| প্রিন্ট সংস্করণ
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পণ্যবাহী ট্রাক আসার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে পড়েন। দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে পণ্য না পেয়ে খালি হাতে ফিরতেন। ডিলারদের কৌশলে গরিবের পণ্য কালোবাজারিতে চলে যায় বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সঠিক উপকারভোগীর কাছে ভর্তুকি মূল্যের পণ্য পৌঁছানো, অপচয় রোধ ও ডিলারদের কারসাজি বন্ধ করতে সব কার্যক্রমকে ডিজিটালে রূপান্তর করছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। প্রচলিত কাগুজে ফ্যামিলি কার্ডের পরিবর্তে ইতোমধ্যে এনআইডিযুক্ত আধুনিক ও ডিজিটাল ‘স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয়েছে। সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সভায় টিসিবির এই ডিজিটাল রূপান্তরের রূপরেখা তুলে ধরা হয়। এ রূপরেখা পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে বছরে অন্তত ৩৫০ কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব বলে মনে করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
অর্থনীতিবিদ ও বাজার বিশ্লেষকরা সরকারের এই উদ্যোগকে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন। তাদের মতে, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যস্ফীতির এই সময়ে টিসিবির পণ্যই প্রান্তিক মানুষের বড় ভরসা। খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার প্রতিবছর টিসিবিকে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দেয়। কিন্তু ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলের গাফিলতি ও কালোবাজারির কারণে সেই সুবিধা শতভাগ গরিব মানুষের কাছে পৌঁছায় না। প্রযুক্তির বহুমুখী ব্যবহার হলে স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও ভুয়া কার্ডধারী শনাক্ত করা যাবে। প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পণ্য পৌঁছবে।
সংস্থাটির কর্মকর্তাদের মতে, ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে টিসিবির সেবা প্রদান, উপকারভোগী ও ডিলার ব্যবস্থাপনা, বিক্রয়, মনিটরিং ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ, দক্ষ ব্যবস্থায় রূপান্তর হচ্ছে। এর মাধ্যমে কাগুজে কার্ডের অনিয়ম, ভুয়া তালিকাভুক্তি ও পণ্য চুরির জটজাল কাটিয়ে টিসিবি বিশ্বমানের ডিজিটাল ও প্রযুক্তিনির্ভর সংস্থায় রূপান্তর হচ্ছে। ইতোমধ্যে এনআইডি ও বায়োমেট্রিকভিত্তিক ই-কেওয়াইসি যাচাইকরণের মাধ্যমে পুরোনো তালিকা থেকে প্রায় ৫৯ লাখ অযোগ্য ও ভুয়া আবেদনকারীকে বাদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের সুবিধার জন্য চালু করা হয়েছে ডিজিটাল ওয়ালেট ও মোবাইল অ্যাপ ‘উপকারী’। এতে সরকারের দেওয়া ভর্তুকির শতকোটি টাকার অপচয় রোধ করা যাবে। তা ছাড়া লাইনে দাঁড়িয়ে পণ্য কেনার ক্ষেত্রে মানুষের সময় ও মর্যাদা সুরক্ষিত হবে।
ডিজিটাল রূপান্তরের ১০টি ধাপ
১০টি ধাপে টিসিবি ডিজিটালে রূপান্তর হচ্ছে। ধাপ গুলো হচ্ছে– ম্যানুয়াল কার্ড, ডিজিটাল ডেটাবেজ ও ই-কেওয়াইসি, সুরক্ষিত ডিজিটাল কার্ড, কার্ডের সেলফ অ্যাক্টিভেশন, অনলাইন ডিলার ব্যবস্থাপনা, ডিলার পেমেন্ট কালেকশন, এআইভিত্তিক রিয়েল-টাইম মনিটরিং, অল-ইন-ওয়ান পস, এআইভিত্তিক কন্টাক্ট সেন্টার ও উপকারী মোবাইল অ্যাপ।
যেভাবে অর্থ সাশ্রয় হবে
এতদিন ডিলারদের কাছে বিক্রি হওয়া পণ্যের টাকা প্রসেসিং করে টিসিবির প্রধান কার্যালয়ে জমা হতে দেড় থেকে দুই মাস লাগতো। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পরবর্তী মাসের জন্য পণ্য সংগ্রহ করতে হতো। এ জন্য চড়া সুদ গুনতে হতো টিসিবিকে। এখন ইন্টিগ্রেটেড এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং বা ইন্টিগ্রেটেড ইআরপির মাধ্যমে মাসের শুরুতেই সরাসরি টিসিবির অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হবে। এতে ঋণের প্রয়োজন হবে না।
ম্যানুয়াল প্রথার অবসান
টিসিবির ট্রাকের পেছনে দৌড়ানো, দীর্ঘ অপেক্ষার পর পণ্য না পাওয়ার কষ্ট দূর করে প্রকৃত নিম্ন আয়ের মানুষের কাছে পণ্য পৌঁছানোর জন্য কার্ড প্রথা চালু করে টিসিবি। তবে হাতে লেখা কার্ড ব্যবস্থার কারণে ডুপ্লিকেট কার্ড, একাধিকবার তালিকাভুক্তি, অনিয়ম ও স্বচ্ছতার ঘাটতির সুযোগ ছিল। এর ফলে নানা ধরনের অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি এবং একই পরিবারের একাধিক সদস্য বা সচ্ছল ব্যক্তিরাও কার্ড পেতেন। এই বিশৃঙ্খলা চিরতরে বন্ধ করতে প্রায় এক কোটি পরিবারকে আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় আনা হচ্ছে।
উপকারভোগীর এনআইডি, মোবাইল নম্বর ও ফেস ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে সেন্ট্রাল ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে রাজধানী বা বড় শহরে কার্ড নিয়ে নিজ গ্রামে গিয়ে আলাদা সুবিধা নেওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৭ লাখ নতুন স্মার্ট কার্ড স্থানীয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে, যা মাঠপর্যায়ে বিতরণ করা হচ্ছে।
যেভাবে কাজ করবে ‘উপকারী’ অ্যাপ
টিসিবি ‘উপকারী’ স্মার্ট অ্যাপ চালু করেছে, যার মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা ঘরে বসে কাছের বিক্রয়কেন্দ্র ও পণ্যপ্রাপ্তির নোটিফিকেশন পাচ্ছেন এবং এনক্রিপ্ট করা কিউআর কোড স্ক্যান করে অনলাইন বা নগদে পণ্য সংগ্রহ করতে পারছেন। ফলে কোনো কারণে পুরোনো প্লাস্টিক বা কাগুজে কার্ড হারিয়ে বা নষ্ট হয়ে গেলেও ডিজিটাল ইনভয়েস দেখিয়ে পণ্য নেওয়া যাবে। সার্বক্ষণিক সেবা ও অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য হটলাইন এবং ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় হোয়াটসঅ্যাপ সেবা চালু রয়েছে। নিরাপদ ডিজিটাল এই অ্যাপের কারণে টিসিবির কোটি কোটি টাকার এসএমএস খরচ অর্ধেকে নেমে আসবে এবং ভবিষ্যতে এই খরচ শূন্যের কোটায় আসবে বলে প্রত্যাশা টিসিবির।
প্রান্তিক মানুষ কীভাবে অ্যাপ ব্যবহার করবে
টিসিবির দাবি, বর্তমানে সংস্থাটির প্রায় ৮০ লাখ সক্রিয় উপকারভোগীর মধ্যে ৪৫ লাখেরও বেশি মানুষ স্মার্টফোন ব্যবহার করে সেলফ-অ্যাক্টিভেশন সম্পন্ন করেছেন। অর্থাৎ মোট সুবিধাভোগীর ৫০ শতাংশেরই স্মার্টফোন ব্যবহারের সক্ষমতা রয়েছে। পাশাপাশি ক্রেতাদের হয়রানি কমাতে পণ্য বিতরণ ব্যবস্থায় বিকেন্দ্রীকরণ আনা হয়েছে। এখন থেকে কার্ড সংশোধন, নতুন অন্তর্ভুক্তির আবেদনের জন্য টিসিবির কার্যালয়ে যেতে হবে না। সিটি করপোরেশন এলাকায় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড কার্যালয় এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকেই স্মার্ট কার্ড বিতরণ ও তদারক করা হচ্ছে।
এআইভিত্তিক রিয়েল টাইম মনিটরিং
অভিযোগ রয়েছে, ডিলার গ্রাহকদের পণ্য না দিয়ে গোপনে অন্য জায়গায় বিক্রি করে দেয়। এসব অপকর্ম ও ডিজিটাল কারচুপি রুখতে অল-ইন-ওয়ান পস (পিওএস) ডিভাইস এবং এআইভিত্তিক মনিটরিং চালু করা হচ্ছে। পস মেশিনের মাধ্যমে বিক্রয়ের সঙ্গে সঙ্গে ডিলার গ্রাহককে একটি প্রিন্ট করা বিক্রয় রসিদ দেবেন। আর এআই মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে টিসিবির প্রধান কার্যালয় থেকে মুহূর্তে জানা যাবে দেশের কোন পয়েন্টে কোন ডিলার কত কেজি ডাল, তেল কিংবা চিনি বিক্রি করেছে।
লটারির মাধ্যমে ডিলার নিয়োগ
বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিক বিবেচনায় বেশির ভাগ ডিলার নিয়োগ হয়েছে। সেই প্রথা ভাঙতে চায় টিসিবি। তাই ডিলার নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে চালু করা হয়েছে অনলাইন ডিলার আবেদন পোর্টাল, ডিজিটাল লটারি সিস্টেম এবং ডিলার ইনফরমেশন পোর্টাল। ফলে আবেদন বেশি হলে লটারির মাধ্যমে ডিলার নির্বাচিত হবে। ডিলারের লাইসেন্সও অনলাইনে নবায়ন করতে হবে।
টিসিবিকে ডিজিটালে রূপান্তরের এসব কাজ করছে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট ও আইটি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান স্পেকট্রাম আইটি সলিউশনস লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন সমকালকে বলেন, ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠান কীভাবে মানুষের আস্থা অর্জন, জনসেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত এবং অর্থ সাশ্রয় করতে পারে– টিসিবি হবে তার এক অনন্য উদাহরণ। এই কার্যক্রমে স্পেকট্রাম আইটি সলিউশনসকে আইটি পার্টনার হিসেবে রাখায় টিসিবি ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা। টিসিবির এই সফল রূপান্তর দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরেও অনুসরণীয় হয়ে উঠতে পারে।
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, টিসিবিকে ডিজিটালাইজড করা প্রশংসনীয়। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওএমএসের চাল-আটা বিক্রি কার্যক্রমেও ডিজিটাল সিস্টেম করা দরকার। তবে প্রকৃত নিম্ন আয়ের মানুষ কার্ড পাচ্ছে কিনা, তা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। ডিলাররা যাতে গরিবের পণ্য নিয়ে কালোবাজারি করতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।
এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান নলেজ হাব ইনস্টিটিউটের সভাপতি ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম সমকালকে বলেন, নতুন ব্যবস্থায় ডিলারশিপ ও কার্ড বিতরণে অপচয় রোধ করে স্বচ্ছতা আনা সম্ভব। কিন্তু ডিজিটালাইজড করলেই অনিয়ম পুরোপুরি দূর হয় না। যেমন ই-প্রকিউরমেন্ট সিস্টেম থাকা সত্ত্বেও টেন্ডারে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির অনুকূলে শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়। প্রযুক্তি বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা দুর্নীতিমুক্ত না হলে সিস্টেম নিজে থেকে অনিয়ম রোধ করতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিজিটাল কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে নজরদারি, গ্রাহকের অভিযোগ প্রতিকারের জন্য শক্তিশালী ও ডিজিটাল মাধ্যম গড়ে তোলা দরকার। কারণ অনেক সময় টিসিবি বা খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ওএমএসের পণ্য প্রকৃত প্রাপ্যতার বাইরেও অযোগ্য ব্যক্তিরা ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত হয়ে পণ্য নিয়ে যায়। তাই ডেটা এন্ট্রি থেকে শুরু করে ডেটা ক্লিনিং এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কঠোর নজরদারি দরকার।
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, এটি অত্যন্ত সময়োপযোগী পদক্ষেপ। তবে এমন যেন না হয় যে, কিছুদিন ভালো থাকল এবং তারপর দেখা গেল ডিজিটাল সিস্টেম আর সঠিকভাবে কাজ করছে না। টিসিবির নেতৃত্ব এবং অন্যান্য পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা ইতিবাচক। তবে মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কার্ডের কার্যকারিতা সম্পর্কে যাচাই করতে হবে। তারা কীভাবে কার্ড পাচ্ছেন বা পাচ্ছেন না, সেসব তথ্য নেওয়া জরুরি।
ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে বছরে টিসিবির ৩০০ থেকে ৩৫০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে বলে মনে করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি সমকালকে বলেন, ইন্টিগ্রেটেড ইআরপির মাধ্যমে মাসের প্রথম সপ্তাহে টিসিবির অ্যাকাউন্টে ডিলারদের মাধ্যমে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা সরাসরি জমা হবে, যা দিয়ে নগদ টাকায় পণ্য কেনা যাবে। এতে অন্তত ১৫০ কোটি টাকা ব্যাংক সুদ কমবে। তিনি বলেন, একইভাবে টিসিবির আঞ্চলিক কার্যালয়গুলো থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে পণ্য বিতরণের ফলে প্রায় ৮০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। এ ছাড়া নিজস্ব ওয়্যারহাউস ব্যবস্থাপনায় ২০ কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে।
টিসিবির উপপরিচালক ও মুখপাত্র শাহাদত হোসেন বলেন, পণ্য সরবরাহকারীদের জন্য ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও সহজ করা হয়েছে। নিজস্ব ওয়্যারহাউস সক্ষমতা বাড়িয়ে টিসিবিকে ভর্তুকিমুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
- বিষয় :
- টিসিবি