সুইট ক্যারোলাইন...
×
জার্মানির বিপক্ষে ১১০ মিনিটে আসে ইংল্যান্ডের জয়সূচক গোলটি। তাই তো গোলটি করার পর আনন্দে গায়ের জার্সি খুলে ফেলেন ক্লোয়ি কেলি এএফপি
সাখাওয়াত হোসেন জয়, বার্মিহাম থেকে
প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২২ | ১২:০০
সতীর্থদের কণ্ঠে জনপ্রিয় গান 'সুইট ক্যারোলাইন'। সুর মিলিয়ে ওয়েম্বলির ৮০ হাজার দর্শকও গাইছেন 'কেলি', 'কেলি'- সুইট ক্যারোলাইন। লন্ডন থেকে ১১৯ মাইল দূরের বার্মিংহাম শহরের ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া স্কয়ারও গানের সুরে মুখর। সুরের মূর্ছনায় উন্মাতাল পুরো ইংল্যান্ড। রোববার মেয়েদের ইউরোর ফাইনালে জার্মানিকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবার শিরোপা জেতা ইংল্যান্ডের যেন ফুটবলে পুনর্জন্ম হয়েছে। ছেলে এবং মেয়েদের মিলিয়ে ৫৬ বছর পর ফুটবলের মেজর টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ড লিখল নতুন কাব্য। যার রচয়িতা ক্লোয়ি কেলি। পশ্চিম লন্ডনের ইলিংয়ে রাস্তায় ফুটবল খেলা ২৪ বছর বয়সী এ স্ট্রাইকারই এখন ইংলিশদের কাছে 'রানী'।
কখনও হাসি আবার কখনও বা কান্না। ইংলিশ ফুটবলের গল্পটা তো এমনই। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে ববি চার্লটনের মতো কিংবদন্তিরা ট্রফি জয়ের যে স্বাদ দিয়েছিলেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম এলেও তার পুনরাবৃত্তি লিখতে পারেননি ডেভিড বেকহাম-ওয়েন রুনির মতো তারকারা। স্বপ্নের কাছে গিয়ে বারবার স্বপ্নভঙ্গে পুড়তে হয়েছিল ফুটবলপাগল ইংলিশদের। ২০২১ সালের ১১ জুলাই লন্ডনের বিখ্যাত ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ইতালির কাছে হ্যারি কেন-মিগুয়েরদের হারটি হৃদয় ভেঙে দিয়েছিল পুরো ইংল্যান্ডকে। শিশু থেকে বুড়ো; যাঁদের চোখ দিয়ে পানি পড়ার দৃশ্যগুলো মিডিয়ার মাধ্যমে দেখেছিল পুরো বিশ্ব। সেই তাঁদের চোখে এক বছর পর কান্না; তবে এটা যে প্রায় ছয় দশকের অপেক্ষার পর সাফল্যের কান্না। প্রায় ১৩ মাসের ব্যবধানে সেই লন্ডনে এলা টুনিদের ঐতিহাসিক ট্রফি জয়টি ভুলিয়ে দিয়েছে হ্যারি কেনদের পরাজয়ের ক্ষতটি। বিখ্যাত ওয়েম্বলিতে ইংলিশ ফুটবলে দেখা মিলল নতুন আলো। মেয়েদের ইউরোর আটবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিপক্ষে ক্লোয়ি কেলির অতিরিক্ত সময়ের গোলটিই যে পুরো ইংল্যান্ডবাসীকে উপহার দিয়েছে ঐতিহাসিক 'সুপার সানডে' নাইট। সোমবার ব্যাংক হলিডে থাকায় আগের রাতটি পুরো ইংলিশরা 'ক্রিসমাসের' মতো উদযাপন করেছিল। বার্মিংহামের ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া স্কয়ারে রাতভর উচ্ছ্বাস করেছিলেন তাঁরা। 'সুইট ক্যারোলাইন' গানে তাল মিলিয়ে উদযাপনে এতটাই মগ্ন ছিলেন বার্মিংহামের মানুষ, একটি রাতের জন্য তাঁরা যেন ভুলেই গেছেন এই শহরে যে হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রীড়াযজ্ঞ কমনওয়েলথ গেমস। মেয়েদের ফুটবলের এই সাফল্যই নতুন দিগন্তের সূচনা বলে মনে করেন বার্মিংহাম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ক্রিশ্চিয়ান স্যান্ডার্স, 'ছেলেদের বিশ্বজয়ের গল্পগুলো শুধু মুখেই শুনেছি। ইউরোতে মেয়েদের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গল্প এখন আমি অন্যদের বলতে পারব।'
ক্রিশ্চিয়ান স্যান্ডার্সের সেই গল্পের মূল চরিত্র কেলি। ম্যাচের ১১০ মিনিটে ঐতিহাসিক গোলের পর দিজ্ঞ্বিদিক ছুটে খুলে ফেললেন জার্সি। তাঁর এমন উদযাপনকে ব্রিটিশ মিডিয়া নাম দিয়েছে 'আইকনিক মুহূর্ত'। লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো কেলিকে মনে করেন ইংল্যান্ডের ফুটবলপ্রেমীরা। ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলা ইংলিশ স্ট্রাইকার ছোটবেলায় পাঁচ ভাইয়ের সঙ্গে রাস্তায় খেলাধুলা করতেন। লিগামেন্টের ভয়ংকর ইনজুরি পড়া কেলি গত এপ্রিলেই ফেরেন ফুটবলে। ফেরার মঞ্চটা এতটা মধুর হবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি কেলি। তাঁর মধুর রাতটি তাই ইংল্যান্ডের ক্রীড়াঙ্গনের ইতিহাসে 'গ্রেটেস্ট নাইট'।
কখনও হাসি আবার কখনও বা কান্না। ইংলিশ ফুটবলের গল্পটা তো এমনই। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে ববি চার্লটনের মতো কিংবদন্তিরা ট্রফি জয়ের যে স্বাদ দিয়েছিলেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম এলেও তার পুনরাবৃত্তি লিখতে পারেননি ডেভিড বেকহাম-ওয়েন রুনির মতো তারকারা। স্বপ্নের কাছে গিয়ে বারবার স্বপ্নভঙ্গে পুড়তে হয়েছিল ফুটবলপাগল ইংলিশদের। ২০২১ সালের ১১ জুলাই লন্ডনের বিখ্যাত ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ইতালির কাছে হ্যারি কেন-মিগুয়েরদের হারটি হৃদয় ভেঙে দিয়েছিল পুরো ইংল্যান্ডকে। শিশু থেকে বুড়ো; যাঁদের চোখ দিয়ে পানি পড়ার দৃশ্যগুলো মিডিয়ার মাধ্যমে দেখেছিল পুরো বিশ্ব। সেই তাঁদের চোখে এক বছর পর কান্না; তবে এটা যে প্রায় ছয় দশকের অপেক্ষার পর সাফল্যের কান্না। প্রায় ১৩ মাসের ব্যবধানে সেই লন্ডনে এলা টুনিদের ঐতিহাসিক ট্রফি জয়টি ভুলিয়ে দিয়েছে হ্যারি কেনদের পরাজয়ের ক্ষতটি। বিখ্যাত ওয়েম্বলিতে ইংলিশ ফুটবলে দেখা মিলল নতুন আলো। মেয়েদের ইউরোর আটবারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানির বিপক্ষে ক্লোয়ি কেলির অতিরিক্ত সময়ের গোলটিই যে পুরো ইংল্যান্ডবাসীকে উপহার দিয়েছে ঐতিহাসিক 'সুপার সানডে' নাইট। সোমবার ব্যাংক হলিডে থাকায় আগের রাতটি পুরো ইংলিশরা 'ক্রিসমাসের' মতো উদযাপন করেছিল। বার্মিংহামের ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া স্কয়ারে রাতভর উচ্ছ্বাস করেছিলেন তাঁরা। 'সুইট ক্যারোলাইন' গানে তাল মিলিয়ে উদযাপনে এতটাই মগ্ন ছিলেন বার্মিংহামের মানুষ, একটি রাতের জন্য তাঁরা যেন ভুলেই গেছেন এই শহরে যে হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রীড়াযজ্ঞ কমনওয়েলথ গেমস। মেয়েদের ফুটবলের এই সাফল্যই নতুন দিগন্তের সূচনা বলে মনে করেন বার্মিংহাম ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ক্রিশ্চিয়ান স্যান্ডার্স, 'ছেলেদের বিশ্বজয়ের গল্পগুলো শুধু মুখেই শুনেছি। ইউরোতে মেয়েদের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গল্প এখন আমি অন্যদের বলতে পারব।'
ক্রিশ্চিয়ান স্যান্ডার্সের সেই গল্পের মূল চরিত্র কেলি। ম্যাচের ১১০ মিনিটে ঐতিহাসিক গোলের পর দিজ্ঞ্বিদিক ছুটে খুলে ফেললেন জার্সি। তাঁর এমন উদযাপনকে ব্রিটিশ মিডিয়া নাম দিয়েছে 'আইকনিক মুহূর্ত'। লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো কেলিকে মনে করেন ইংল্যান্ডের ফুটবলপ্রেমীরা। ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলা ইংলিশ স্ট্রাইকার ছোটবেলায় পাঁচ ভাইয়ের সঙ্গে রাস্তায় খেলাধুলা করতেন। লিগামেন্টের ভয়ংকর ইনজুরি পড়া কেলি গত এপ্রিলেই ফেরেন ফুটবলে। ফেরার মঞ্চটা এতটা মধুর হবে, তা কল্পনাও করতে পারেননি কেলি। তাঁর মধুর রাতটি তাই ইংল্যান্ডের ক্রীড়াঙ্গনের ইতিহাসে 'গ্রেটেস্ট নাইট'।
- বিষয় :
- বার্মিংহাম
- কমনওয়েলথ
- মেয়েদের ইউরো জয়
