বিধবার ঘর থেকে আটক জনপ্রতিনিধি বললেন, ‘যা করেছি ভুল করেছি’
রাত ১২টায় ইউপি সদস্য সোহাগ বিধবার ঘরে প্রবেশ করেন। ভোর ৪টায় তাকে আটক করে এলাকাবাসী।
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
প্রকাশ: ০৩ আগস্ট ২০২২ | ০৬:১৮ | আপডেট: ০৩ আগস্ট ২০২২ | ০৬:১৮
অনৈতিক সম্পর্ক করতে গিয়ে বিধবার ঘর থেকে আটক হয়েছেন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য। তার নাম সোহাগ মিয়া। বুধবার ভোর ৪টায় দাইন্যা ইউনিয়নের শ্যামারঘাট এলাকার ওই বিধবার ঘর থেকে তাকে আটক করে এলাকাবাসী।
সোহাগ মিয়া চরপাকুল্ল্যা গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে। তিনি গত ২৭ জুলাই সিলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মেম্বার পদে বিজয়ী হয়েছেন। এ ঘটনায় যথাযথ বিচারের আশ্বাস দিলে তার মামা নুরজালের কাছে তাকে ছেড়ে দেয় এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সোহাগের মামার বাড়ি শ্যামারঘাট এলাকায়। ওই নারীর বাড়িও শ্যামারঘাট। মামার বাড়ি যাতায়াতের সূত্র ধরে ওই নারীর সঙ্গে ইউপি সদস্য সোহাগের অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মঙ্গলবার রাত ১২টায় সোহাগ ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করেন। সেখানে ভোর ৪টা পর্যন্ত তিনি অবস্থান করেন। এ সময় এলাকাবাসী টের পেয়ে তাকে আটক করে।
ওই নারী জানান, ‘৪ বছর আগে আমার স্বামী মারা যান। এরপর থেকেই সোহাগ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। রাত ১২টায় সোহাগ আমার ঘরে আসে এবং ভোর ৪টা পর্যন্ত অবস্থান করেন। পরে এলাকাবাসী টের পেয়ে আমাদের আটক করে।’
সোহাগকে এ ঘটনা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ‘যা করেছি ভুল করেছি। এখন বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।’ বুধবার দুপুরে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন।
তিনি জানান, ‘ওই নারীর পক্ষ থেকে এখনও আমাদের কাছে লিখিত কোনো অভিযোগ করা হয়নি। তবে ওই নারীর এক আত্মীয় আটক ইউপি সদস্যের সঙ্গে ওই নারীর বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব এনেছেন। আমি বিষয়টি পুলিশকে অবগত করার পরামর্শ দিয়েছি।’
- বিষয় :
- বিধবা
- ইউপি সদস্য
